বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

না মেনে মানিয়ে নেওয়া

আগে পারতাম না, প্রথম-প্রথম ।
এখন ক্রমশঃ পেরে গেছি
জেতার আনন্দ খুঁজে নিতে ।

তোমরা পাল্টে যাও রোজ রোজ ।
কিছু কিছু ঘামের গন্ধে বমি পায় আজও,
খুব কষ্ট করে নিজেকে সামলে
সমানতালে সক্রিয় সহযোগ দিতে বসি ।

তোমরা বেশিরভাগই নির্দয়,
দাম দেবে বলে খাবলে নিতে চাও
বুকের নরম ।
কখনো, তত জোরে নখ বসাও
যত জোরে হলে বাধ্য ককিয়ে উঠি আমি ।

তারপরে, হ্যাঁ তারপরও হাসি
আর হাসতে হাসতে, 
যতটা আশা করেছিলে
তারচেয়ে অধিক সহযোগিতা দিই,
তোমাদের বাড়িতে 
অপেক্ষায় রেখে আসা সহধর্মিণীর চেয়ে
অনেকটাই বেশি ।

হারতে চাই না আমি ।
হারাতে চাই না সময়ের দেওয়া প্রতিটি সুযোগ ।
তাই, সব বমনোদ্রেকের বিরুদ্ধে গিয়ে
আশ মিটিয়ে ভালবেসে নিই ।
তাই, তোমাদের সখ মেটার আগেই
প্রতিটিবার
আমাকে নিংড়ে নিয়ে 
সুতীব্র শীৎকার দিয়ে যায়
থরথর বানভাসি ।

কাজ শেষ হলে 
হাতে যখন ধরাও অনেটগুলো নোট
তখনও তার মধ্যে থেকে একটা
তোমাদের ফেরৎ দিয়ে হো হো করে হাসি ।
ওটা পতিত তোমাদের কাছ থেকে
পতিতার নিজের জন্য কেনা সুখের দাম ।
জানলে না যদিও - বেশি জিতে গেল কে,
তবুও সৎ থাকতে একটু বেশিই ভালবাসি ।
.

রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২

পাহাড়ী নদী

তোমার তাকানো-রা পাল্টেই গেছে আজকাল, জানো,
পূর্বের স্থিরতা হতে অস্থির দক্ষিণে ।

দৃষ্টিতে প্রায়শই চাতকের মরীয়া ভাব,
চাইছো খুঁজে পেতে সেই তাকে
যে বাইরে ছিল না কখনো
আপন প্রশান্তির ঘরটি পরিপাটি চিনে ।

চাইছো তাই
ভীষণ কষ্টের মাঝেও ফিরে পেতে,
ফিরে যেতে সে তোমাতে,
সকালের শরীরচর্চা সকলকে ছাপিয়ে
দৃপ্ততার অভ্যস্ত উৎসব ছিল
যার অভ্যাসের দৈনন্দিনে ।

আবার ডাকুক বাড়ির ছাদ তোমাকে
নিত্য আলোর উৎসবে ।
বাঁচতে চেও না এর পরও, ভুল ক'রে,
আপন স্বভাবসিদ্ধ আত্মপ্রত্যয় বিনে !

নিজেকে না প্রাণ-ভরে ভালবেসে
অপরকে ভালবাসার স্বপ্ন
অলীকই হতে হয় ।
উজ্জ্বল যাপন তোমার
হাঁপিয়ে উঠেছে বড় আজকাল
ভুল পরিসরে অবসরের ক্ষীণে ।

ভাগ্য ও ভাগীদার

প্রতিটি মানব-জন্ম একে অপরের থেকে পৃথক, সাথে করে আনা সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের কারণে । এ জগতে কার্য-কারণের বাইরে কোনও ঘটনার অস্তিত্ব থাকা যেহেতু অসম্ভব, হিন্দু শাস্ত্র-মতে, এই সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের কারণকে নির্দেশ করা হয় 'পূর্বজন্ম-অর্জিত ভাগ্য' তথা 'প্রারব্ধ' ব'লে ।

এ বিষয়ে দ্বিমত থাকতেই পারে । তবে, আপন শারীরিক গঠনে এবং মাতা-পিতার উত্তরাধিকারে, প্রতিটি মানবজন্ম যে একে অপরের থেকে পৃথক, - এ সত্যে তর্কের অবকাশ নেই । এই পার্থক্যকে আমাদের মানুষের ভাগ্য বলে মেনেও নিতে হয়, বাধ্য হয়ে ।

সুখবরটি হলো - ভাগ্য মানবজীবনে একমাত্র চালিকাশক্তি নয় । ক্ষুদ্র হোক অথবা বৃহৎ, মানুষ যখনই কোনও বিশেষ একটি কাজ সম্পূর্ণ করবে ব'লে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ হয়, তখনই তার সুপ্ত ইচ্ছা, শক্তির সহযোগ লাভ করে ও তার পুরুষকার, যে কোনও প্রকার বাধাকে অতিক্রম করে, বাস্তবকে পাল্টে দিতে প্রয়াসী হয় । এই পুরুষকার যতদূর অপ্রতিরোধ্যতা অর্জন করে, তার সাফল্যের হার ততোধিক সাক্ষ্য রাখতে সক্ষম হয় বাস্তবের মুহুর্মুহু রণক্ষেত্রে ।

এর কিছু প্রত্যক্ষ নমুনা দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার কৈশোরকালেই । অতিরিক্ত পেছন-পাকা হওয়ার কারণে, বাজারে লভ্য যাবতীয় পামিস্ট্রি, নিউমেরোলজি ও অ্যাস্ট্রোলজির বই পড়া হয়ে গেছিল সতেরো বছর বয়সেই । পাকামী করে, অপেক্ষাকৃত বয়সে-বড়দের হাত দেখে ভাগ্য বলে দেওয়ার সুযোগও এসেছিল বেশ কিছু, সেই সুবাদে । আর সেই সুযোগে একটি দুর্লভ সত্যকে প্রত্যক্ষ করতে পেরেছিলাম একদম সামনে থেকে । সে হলো "এমন কিছু হাত, যেখানে ভাগ্য-রেখা দূর্বল অথবা নেই বললেই চলে, অথচ তেমন হাতের অধিকারী মানুষটি আপন কর্মজীবনে দূর্দান্ত সফল, কী শিক্ষার ক্ষেত্রে, কী উপার্জনের নিরিখে ।"

তাহলে, সত্য এক্ষেত্রে যে যে রূপে প্রতিভাত হলো, সে হলো - 

১) ভাগ্য একটি গর্ভ মাত্র, যা সুস্বাস্থ্য অথবা কুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারে, কিন্তু পুরুষকার-প্রদত্ত কর্মের বীজটি রোপিত না হওয়া অবধি সে সুসন্তান-হীন বা নেহাৎই বাঁজা, অনিয়ন্ত্রিত ও বৈশ্যপ্রবণ ।

২) পুরুষকারের অভাবে, দুর্বল "আরব্ধ" হওয়ার কারণে, মানুষ, দুর্ভাগ্য তথা অনিয়ন্ত্রিত 'প্রারব্ধের' অসহায় শিকার হয়ে থাকে, জীবনের পদে পদে ।

৩) পুরুষকারের স্থান ভাগ্যের ঊর্ধ্বে, কারণ ভাগ্য পুরুষকারের বশ, কিন্তু তেজোদৃপ্ত পুরুষকার ভাগ্যের বশ কদাপি নয় ।

৪) "যে শুইয়া থাকে, তাহার ভাগ্যও শুইয়া থাকে ।"

৫) ইচ্ছা দুই প্রকারের, স্থিতিশীল ও গতিশীল ।

স্থিতিশীল ইচ্ছা হলো সে, যে ইচ্ছা মূলতঃ সক্রিয় হয় পরিস্থিতির ধাক্কায়, তা ছাড়া চট করে নড়ে না ।

গতিশীল ইচ্ছা হলো সে, যে ইচ্ছা নির্দিষ্ট কর্মে স্থিরলক্ষ্য এবং যার অগ্রগতির অপ্রতিরোধ্যতার কাছে সব বাধাকে একে একে হার মানতে হয় । এমন গতিশীল ইচ্ছাকে নিজেকে অবশ্যই বেঁধে রাখতে হয় প্রখর পার্থিব বাস্তবে, কার্য-কারণ তত্ত্বের আপোষহীন পরিসরে । আধ্যাত্মবাদের পরাবাস্তবের সাথে যোগাযোগ রাখার বা অপেক্ষায় থাকার দায় অথবা প্রয়োজন পড়ে না যার ।

গতিশীল ইচ্ছার অধিকারীকে হিন্দুধর্মে যদিও কর্মযোগী বলে বহুযুগ আগে থেকে, তবে, বর্তমানের বাস্তবে প্রত্যক্ষে, কর্মযোগের প্রকৃত চর্চা ও কর্মযোগীদের সামগ্রিক আধিপত্য, ভারতবর্ষের তুলনায় ইয়োরোপ, অ্যামেরিকা, জাপান, চীন, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি বহু দেশে প্রভূতরূপে অধিক ও সফল

এবং এটাই আধ্যাত্মবাদের অলীক সংস্কারে ও আবেগে, ভাববাদে-ভ্রমিত ভারতবর্ষের তুলনামূলক দৈন্য ও দূর্দশার অন্তর্নিহিত কারণ ।

শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২

নাছোড়

- তোমার তো সংসার আছে ।
- তা আছে ।
- তোমার বরের কি মেয়েদের প্রতি ছুকছুকানি আছে ?
- কই না তো ।
- একমনে ভালবাসে তোমাকে ?
- তাই তো মনে হয় ।
- তুমি ভালবাসো না ?
- হ্যাঁ, অবশ্যই বাসি ।
- আমারও সংসার আছে ।
- জানি তো ।
- আমি আমার সহধর্মিণী কে ঠকাবো না কোনওমতেই কখনও ।
- জানি তো ।
- কি পাবে তবে আমার কাছে ?
- পেতে চাইনি তো কিছু । চেয়েছি কখনো ?
- তাহলে আসো কেন এত বার, ঘুরে ফিরে, কোনও না কোনও অজুহাতে ?

- আচ্ছা, উত্তর দিচ্ছি তোমার প্রশ্নের । তবে তার আগে আমার কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ।
- বেশ, বল ।
- তোমার ফ্ল্যাটে বা বাড়িতে ফুল ফোটে ?
- আমার বাড়িতে বড় বাগান আছে, ফুল ফোটে ।
- কোন ফুল ফুটলে সবচেয়ে আনন্দ হয় তোমার ?
- গোলাপ ।
- গোলাপের কত রকম ভ্যারাইটি হয় জানো ?
- অনেক রকমের হয় জানি, সংখ্যাটা জানি না ।
- তোমার স্বপ্নে এমন কোনও গোলাপ আছে, যা তোমার বাগানে নেই ?
- স্বপ্নে দেখিনি কখনও, তবে পৃথিবী জুড়ে যত গোলাপ বাগান আছে, সুযোগ হলে, একটা একটা করে দেখার বাসনা আছে ।
- যাঃ, ফেঁসে গেলে ।
- কেন ? কি করে ফাঁসলাম ?
- বলছি বুঝিয়ে । ধর সেই বিখ্যাত গোলাপ বাগানের একটাতে গিয়ে অনেক রকমের মধ্যে একটি বিশেষ গোলাপ তোমার একটু বেশিই ভালো লেগে গেল । এমন তো হতেই পারে !  কি করবে তখন ?
- অনেকক্ষণ ধরে দেখব, অন্য গোলাপদের দেখে আবার ঘুরে ফিরে এসে দেখব, যত বেশি সান্নিধ্য পাওয়া যায় ভরে নেব স্মৃতির কোটরে ।
- বাঃ । চমৎকার বললে । আচ্ছা, বাড়ির গোলাপকে ঠিক এমনকরে সময় দিয়েছো কখনো ?
- না ।
- বাড়ির গোলাপ দিয়ে ঘর সাজিয়েছো কখনো ?
- হ্যাঁ, অনেকবার ।
- তাহলে তো ছিঁড়তে হয়েছে ফুল, গাছ থেকে, আপন সুখের স্বার্থে ।
- তা বলতে পারো ।
- যে বিখ্যাত গোলাপ বাগানে গেলে, তার ফুল কোনও দিন পারবে ওভাবে ছিঁড়তে ?
- প্রশ্নই নেই কোনো ।
- আচ্ছা, আবার ইচ্ছা করবে তোমার সেই বিখ্যাত গোলাপবাগানে যেতে ?
- নিশ্চয়ই করবে ।
- যদি অনেকদিনের জন্য ঘরের বাগানকে ছেড়ে আসতে হয় ?
- হ্যাঁ, তবুও ।
- তাবলে, বাড়ির বাগান কি পর হয়ে যাবে ?
- নিশ্চয়ই না । কিন্তু এতসব প্রশ্ন করছো কেন ?
- প্রশ্ন করিনি তো ।
- তাহলে কী করলে এতক্ষণ ধরে ?
- তোমারই মন থেকেই তোমার অবুঝ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দিলাম । মিলিয়ে নাও এবার এক এক করে । 

মানুষও ফুলের পারা সুন্দর ও সুগন্ধী । তার মধ্যে কে তোমার অন্তরে ভালবাসার উৎসমুখটি কেমন করে, কবে, কীভাবে আগলহীন খুলে দেবে, সে তুমি আগে থেকে জানো না । কিন্তু জীবনে যখন তেমনটি ঘটবে, সে টানবেই তোমাকে তার দিকে । আর তোমার পরাণ শরীরকে বগলদাবা করে বারবার ছুটে যাবে তার পানে । তার মানে এই নয় যে, তার আপন বৃন্ত হতে উতপাটিত করে, তুমি তোমার একার ভোগে ব্যবহার করতে চেষ্টা করবে তাকে ।

একটি সত্যের নিকটে আর সব বাস্তবকে গৌণ হতে হবে তখন আর সে সত্যটি খুব সহজ । সে হলো - "তুমি সুন্দর । আমি ভালবাসি ।" তার আর পর থাকতে নেই কোনও ।

শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২

The Passing Show

Never lament and 
Make people laugh at you.
It's just silly 
And the surest sign
Of an immature or a cripple mind.

Be increasingly curious instead,
Of the opportunities of conversion
That are slipping from your grip
And vanishing permanently
Out of your life
Every minute and hour and year
In the name of time.

Be more conscious of
Identifying every bit of them,
Utilising them,
And thereby mercilessly editing yourself 
For extracting higher values,
i.e. converting time
Into pure power of worth
And into sheer command on life,
Thus, making your existence
Roaring, larger and more respectable
To yourself and from time to time.

The opportunities, missed so far,
Are already huge in number,
Came as rides at your roadside
For genuine betterment,
For creating and manifesting
A much superior version of you

And by the way, 
Ruthlessness is a genuine bliss,
Just fit and fine,
So long you use it 
Only in personal growth,
So long you never apply it on others,
It holds the capacity to introduce you
With the truly devine !

বারতা

স্রষ্টার শ্রেষ্ঠতম দান
মানুষের অন্তরের নির্জনতা ।

মানুষ তাকে খোয়াতে কেবলই আকুল ।
স্রষ্টা প্রতিবার হাসেন
যখনই জয়ী হতে চায় মানব-মূঢ়তা ।
ফিরিয়ে দেন, ফের, তাকে প্রতিটিবার
কোনও না কোনও নিরজনে,
শান্তির শান্ত-বিতানে, থামাতে অস্থিরতা ।

ভ্রমিত-ভ্রমণ প্রবণ
মোহগ্রস্ত ও বহির্মুখী মানব-মন 
পরাণের আত্মমুখিতার সুযোগকে 
বারংবার অনুবাদ ক'রে 
একাকিত্ব ও হতাশায় ।
অগত্যা, প্রাণপণে আঁকড়ে ধরে 
অযুত, অযথা কাব্যিক বিলাপ আর
অধিকারহীন অভিযোগের অগভীর বাচালতা ।

গভীরতার স্বতঃপ্রবৃত্ত ধ্যান 
নির্জনতার শ্বাসের শব্দে খুঁজে পায়
শুদ্ধ আনন্দের সহযোগ,
প্রতিবিম্ব-মুখর মৌনতার ঘাটে 
ফুলের ভারে
নুয়ে পড়া গাছের পাতায় ছাওয়া
টলটল ভালবাসার কথা ।

ভূতগ্রস্ত কি প্রকারে শুনতে পারে 
সে নিবিড় প্রেমের বারতা ?

বুধবার, ২২ জুন, ২০২২

বাস

ভালবাসা সম্ভোগ চায় ।

তাই জমে ওঠে নিবিড় প্রেম 
পরশের নিভৃত সোহাগে,
মন্থন আপন উৎসে যখন 
অনবরত খুঁজে পেতে থাকে
সৃষ্টির উৎকর্ষ ও উৎসারণ,

বরষণ-সিক্ত উন্মীলনে
সুন্দরতর
প্রকাশিত হয় দিব্য পরিনতিতে
আপন অন্তর হতে,
পরাণে গভীরতার আরাধনায়,
কাছের আমি 
কাচের দেওয়ালের ওপারে 
দূরের আমিকে 
সাক্ষাতে যখনই ছুঁতে পায় ।

এ জাগৃতি 
দীন কোনও মানব বা মানবীর
শরীর-সীমিত বিধান নয় ব'লে
মানবিক - অধিকতর, 
তাই, কৈফিয়ত চায় না কখনো ।
নিষ্পেষণহীন শীৎকারের পরিসরে
কেবলই ভালবেসে যায়
সেবা আর ক্ষমার পরিচর্যায় ।

এক হতে বহুর বন্ধুর পথে
মানুষকে আর বাকী জগৎকে 
পরস্মৈপদী ভালবাসতে শেখায়
সদা-প্রসন্ন সেবার তূরীয় চেতনায়,
সমূহ আত্মনেপদী ব্যাকরণে ।

ভালবাসা ইত্যবসরে
সম্ভোগকে পায় পৃর্ণমাত্রায় ।

রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২

অতৃপ্তি-জারিত

আমি জীবনকে 
আরও বেশি বাগে এনে
চেখে চেখে, তারিয়ে খেতে চাই ।
আরও আরও স্বাদ, রসের সুখ,
নিজেকে ভরপুর দিয়ে যেতে চাই ।
আমার যে সদা-প্রসারণশীল প্রবল ক্ষুধা
আমাকে নিত্য তড়পায়, 
সে পরিসরে নিবৃত্তির, তথা, পরিহারের 
কোনও উপায় আজও জানা নাই ।

কবি বা অকবি যেই হও, বিপরীত লিঙ্গে 
সুঠাম একটি শরীর হলেই,
ছলে, বলে, কৌশলে,
তোমার প্রতিটি ইচ্ছার উপরে
আমার পূর্ণ কর্তৃত্ব ও একক অধিকার চাই ।

আমার মুখোমুখি হওয়া মাত্র,
বিলকুল না বুঝতে দিয়ে, তোমার
আপন ইচ্ছা ও আবেগের স্বাধীনতাদের
হাড়-গোড় মট মট করে ভেঙে
সহজেই নুলো করে দেব ।
অতঃপর তাদের তুরন্ত বিসর্জনে, 
সে পাট চুকিয়ে দিয়ে, 
একমাত্র আমার নিগূঢ় ইচ্ছাদের 
ক্রীতদাস হতে,
আমার অভীষ্ট কামনাদের, দিনের পর দিন,
একে একে পূরণ করে যেতে,
মেনে নিতে অভ্যস্ত হবে -
এ জগতে দীন আবির্ভাব তোমার ।
আমার তৃপ্তির প্রসাদে
যে যৎসামান্য জীবিকানির্বাহ প্রাপ্য হতে হয়,
সেটুকুকেই নিয়তি মেনে নিও ।

প্রবৃত্তিদের নিয়ন্ত্রণের সুবাদে 
উন্মুক্ত হয়
যে প্রাণোদনার সৃষ্টিময় জগৎ
সে তুরীয় আনন্দের আস্বাদন হতে 
বরাবর বঞ্চিত আমি
অথবা কখনো ভুল করে স্বাদ পেলে
ফের অনায়াসেই ভুলে যাই,
কারণ, তাতে বাস্তবে ক্ষতি নাই ।

আমি মাংসাশী । 
রক্তহীন, আলুনি খাদ্য পারি না খেতে ।
মাঝেমাঝেই তোমাদের পাল্টে নেওয়া
আমাকে একঘেয়েমি থেকে মুক্ত রাখে ।
বাকি জীবনভর
আর কোনও কিছু না থাকলেও
আমার ফের এবং বারংবার
রকমারি স্বাদের উদ্দাম যৌনতা চাই ।

নিজে প্রবৃত্তির ক্রীতদাস ব'লে
কেবল ক্রীতদাসদের কৃতদার হতে চাই ।

শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২

Why dissatisfaction is so common ?

1. Because, satisfaction is no birth right.

2. Because, satisfactions are achievements and there's no short cut for a permanent achievement.

3. Because, one has to work hard to earn due worth

4. Because, one has to reproduce one's earned worth in reality.

5. Because, worth has no path of compromise.

6. Because, every huge reproduction requires persistence for a long term systematic exercise.

7. Because, every long term exercise needs an immaculate inception.

8. Because, a holy purpose must remain free from distractions by short term pleasures.

9. Because, everybody is not capable of a long term purity.

10. Because, everybody is not courageous and  ambitious enough of attaining godly freedom, at least up to certain extent.

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২

অভাব

পূর্ণিমা চলে গেছে কয়েকদিন আগে ।
রাত একটু গভীর হলে
পৃথিবীর ক্লান্তিকে নিদ্রার বুকে ডেকে নিতে
পুবাকাশ হতে হাতছানি দিতে
সদ্য মুখ বাড়িয়েছে ঘোলাটে চাঁদ ।

নমিতা মাসি 
রোলের দোকানের অবশিষ্ট গুছিয়ে
শেষ তালা বন্ধ করছিল দরজার ।
পিছন থেকে এমন সময়ে "ফিক" করে হাসি ।
মাসি চমকে ফিরে তাকাতেই
হাবু-পাগলা স্পষ্ট উচ্চারণে বলে গেল -

"ওরা চলনে বলনে
এমনিতে প্রায় আগের মতই আছে । 

তবে, ভিনদেশী ঝড়ে, কয়েকদিন হলো,
ওদের শীৎকার থেকে
শোক 
চিরতরে চুরি হয়ে গেছে ।

ওরা আজও পাশাপাশি গান শোনে
আর অনবরত কাল গোনে, 
দূরত্ব ঘোচাতে, একে অপরের কাছে,
আপন ভুল-কে 
মূল থেকে খুলতে হয় যদি পাছে ।"

মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২

Karmayogi's Remote Domain

Man is born to be Happy.
Not to be happy in illusion,
But to be happy in real world,
Man, if manly, must deserve Happiness,
Happiness demands Strength,

Strength of Irresistible Will and Energy,
Breathing Pure Force every moment,
Force of Withdrawal and Indifference,
Force of The Distant Purpose,
Force of The Distinct Purpose,
Force of The Single, Central Purpose,
Force of Execution Power,

Power of Disciplined Persuasion,
Power for enduring Pain of Rising,
Power for Breaking Through Stagnations,
Power for Surpassing Altitudes,
Power for Changing 
Long-endured Silly Realities,
Capacity for Writing One's Own Fortune,
Capacity of Indelible Sanguinity,

Resulting in -
Right to Joy of Freedom,
Right to Peace of Mind,
Right to manifest Powerful Existence,
Right to celebrate Extraordinary Worth,
Right to live a Superman's Life,
The Superman
Who always has the courage 
To deny and annihilate
Every existence of the term IMPOSSIBLE
On his road to control and authority.

A Katmayogi has the right 
To constantly enjoy 
One's own Exulted Existence
In Royal Abundance.

সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২

Lost Fortunes

We, most often, don't know everyday
How many born fortunes silently die
Before smiling at us - "Hi !".

Impulsive judgements, 
Obsessive compulsions from instinct,
Addictions to wistful imagination
And ego-driven stubbornnesses
Never lead us
To true growth of this awareness.

For every situation of our past life
May be, we unconsciously buried
A thousand of possible judgements
That we failed to make,
Cause, our attitudes didn't care of
Cause, we didn't imagine of, at all,
That could have been materialized,
While, quite a few of them could lead
To a different level of solutions,
And to the desired satisfactions 
Producing rarely brighter smile.

Here comes the need of
Pondering over alternatives 
And to carefully appraise,
Even through trial and error
To make us more brilliantly survive.

We need to give 
Every single judgement of our life
Enough patience, compassion and time
Like a mother does
To her precious-most only child.

রবিবার, ১২ জুন, ২০২২

উপায়

নৃশংসতা বেড়েছে যে বিপুলহারে,
অবশিষ্ট নেই আর কিছু, এই যুগে,
বিবেকের গুরুত্ব - সংবেদনের দরবারে ।
প্রতিবাদরা প্রতিটি পদে 
এমনই বিপর্যস্ত বিচারের দ্বারে,
যেন তুচ্ছ নেড়ি, 
চিল্লিয়ে যাচ্ছে প্রতিকারহীন, রাস্তার ধারে ।

পুরোনো অভ্যাস বশতঃ, 
মানুষ বুঝতে চাইছে না নূতন ক'রে - 
পাল্টে গেছে যুগ, সেই কবেই,
সময়ের সাথে 
অমানবিক স্বার্থদের অতিলোভী হাত ধরে ।
দিন শেষ হয়ে গেছে সমবেত প্রতিবাদের,
ও ভোঁতা অস্ত্রে 
এ জনমে কাজ হবে না আর ওরে ।

এর পরেও উপায় যা আছে পড়ে
সে হলো একমাত্র আপোষহীন প্রতিরোধ ।
অন্ধ দাসত্বকে না কেড়ে নিতে দিলে 
নিজের ভাল নিজে বোঝার সুস্থ বোধ,
আইন মেনে, শাসকের শক্তির উৎসমুখ চিনে,
আকাঙ্খিত সহযোগ বিনে,
দুর্নীতিকে দিতে হবেই শেষ অবধি ক'রে 
একে একে সব ধার শোধ ।

শনিবার, ১১ জুন, ২০২২

The Phoenix

So long your mind
Arrests your soul
By old and silly habits
Your perceptions fail to grow.

The art of life lies in 
Learning at deeper core.
The path of human growth
And prosperity
Lies only in learning yourself
At the innermost mysteries
Of your mind, your soul and spirit.

To learn yourself, 
You need to unlearn them first, 
That occupied you, so far,
And deprived you
Of the higher opportunities of life,
That were far costlier,
Without which
You have been eventually
Equating your life
With mere wastage and injustice.

Who occupied you so far ?
Its a few habitual tendencies
You kept indulging consciously
Or unconsciously.
The were preset programs inside you
That automatically started
Whenever you woke up everyday
Or slept every night.

They still lie in your subconscious
And silently wait as a routine
To overrule 
Your independence to grow.

You, thus, have to reformat 
Your subconscious volitionally
And once its over,
You get back desired freedom
For permanent peace of mind.

Your subconscious functions
As a virus program
And is your worst enemy,
So long, you don't rewrite it
In the language of joyous growth,
Replacing the old language
Of ever-insatiable temporary consumptions.

The replacement is possible,
Though, not that easy.
Its a psychological surgery
Through habitual detachment
That requires your conscious action
For a continuous span
Of at least sixty-six days
To reach you the higher domain of achievers
That, eventualy, leads you 
To the realm of distinguished fame.

This virus program is your own instinct
That brought you, so far, 
Only handicaps and pitiable shame.

সুবিধাবাদ

কোথা দিয়ে যে কেটে গেল এতগুলো বছর
ভীষণ তাড়ায়, যত বেশি পারা,
জীবনকে লুটেপুটে নেওয়ার লোভনীয় ডাকে ।

কার কত মরমী সহযোগে, ব্যস্ততার ফাঁকে
দেওয়া হলো না বিশ্বস্ত সাড়া !
উদ্দাম যৌবনে কে আর তখন মনে রাখে ?

অবসর একদিন যৌবনকে কেড়ে নিয়ে
ফিরিয়ে দেবে অবসাদের পরিসর ।
স্মৃতিরা নেবে না শোধ প্রতারণার পরিতাপে ?

নিয়ন্ত্রণ

উপযোগিতা সময়োপযোগী যতনে বাঁচে ।
উত্তাপ-বিনা সম্পর্ক সুসিদ্ধ হতে আছে ?

তবে, তাপ লাগামহীন হলে অপচয় হবে ।
অধিকাংশটাই উথলে বাইরে পড়ে যাবে ।

দুম ক'রে প্রেমে পড়ে গেলে ?
ঢিমে আঁচে টানা জ্বাল দিলে,
পরিচয়, মজতে মজতে, গাঢ় হয়ে এলে,
আগ্রহ, ঘুম ভেঙে উঠে, ইপ্সিত সহযোগ 
পরিণামে পরিমানমত খুঁজে পেলে,
সমর্পণ - অপেক্ষাকে আর না যুঝতে পেরে
অন্তিম উন্মোচনের অভিসারে
স্বেচ্ছায় একান্ত চিনিয়ে দিলে,

রাবড়ি - আঙুল চেটে চেটে খাবে ।

বুধবার, ৮ জুন, ২০২২

কথারা

বসলে এসে চুপটি করে পাশে
একটু পরে বললে হেসে "আজ 
দেখবে কেমন কল্পতরু হব ।
যা যা চাইবে উজাড় করে দেব ।
সর্ব-বাসনা পূরণ হলে তোমার
তারপরেতে হবও নিরুদ্দেশ ।

আমার চাহিদা ছিল অতীব বড় ।
বলি 
"দেশটা আমার মাথার উপরে ধর ।
এ পাতাল থেকে যাত্রা করি শুরু,
দেখতে হবেই কোথায় দুখের শেষ।"

চমকে গেলে আমার কথা শুনে ।
হাসি অথচ অটুট ! বললে "বেশ" ।

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২

প্রতিবেশ

দগ্ধ দিন, 
স্লথ শয্যা - লজ্জা নিশিভোর,
শ্রাবণহীন 
শ্রবণ ক্রমশঃ দীনতা-বিবর
যে রাত 
মোটে কাটে না আজ তোর
সময় একা 
আমূল পাল্টে দেবে সে গড়

Sadhu

As per mandate of mother nature, every creature on earth has to earn its daily food by individual toil.

Enough is enough. A SADHU needn't mean a begger and a parasite anymore. 

A sadhu, on the contrary, means a person who has the minimum self respect for and honesty of earning his daily bread and having the capacity to feed another handicapped creature whenever necessary.

The most respectable SADHUs are Karmayogis, waiting for any damn right opportunity makes no sense for whom.

Because he desperately creates the opportunity first and then converts it into an enviable fortune by means of his irresistible actions towards accumulating optimum pressure until 'annihilating denial of the impossible' becomes a undeniable reality. 

Only a karmayogi, on earth, almost like God, enjoys the freedom of unstoppably rewriting his fate, one after another, in realistic plane and form. 

All other type of yogis, unfortunately, reached Mother India to the present pitiable state and thus are simply surpluses in relation to the current requirements of national growth.

সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

The Balance

Fall madly in love 
Thousand and one times
Even without regret.
Love is always divine.

But never give up
Loving yourself
At the same time.

If you fail to balance
Nature will punish 
And your life
Will no more remain 
Workable and fine.

For heaven's sake
Never commit
That treacherous crime.

রবিবার, ৫ জুন, ২০২২

হে মোর দুর্ভাগা দেশ

শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে 
মুখোশ রূপে ব্যবহার করে
আদপে আমাদের মধ্যে
৯৯% এর অধিক দেশের নাগরিক
মূলতঃ, দিবারাত্র সুযোগ খুঁজে চলেছি
নতুন নতুন মুখরোচক খাওয়া এবং
নুতন নূতন যৌনতৃপ্তিদায়ক শোওয়ার ।

কৈশোর হতে 
পাশবিক প্রবৃত্তি প্রশমনের 
সঠিক শিক্ষাটি দেওয়ার যোগ্য
না আছে মাতা-পিতা একটিও ঘরে,
না আছে শিক্ষক, পুস্তক - বিদ্যালয়ে ।

বাস্তবে তাই
প্রবৃত্তিই প্রধান শিক্ষক আমাদের জীবনে।
আমরা তার কাছে শুধু শিখেছি
আমাদের প্রত্যেকেরই বহুবিধ ভোগের 
আশু এবং অতীব প্রয়োজন,
অথচ যোগ্যতা অর্জনটি গৌণ ।
ফলতঃ চৌর্যবৃত্তি ও ছিনতাই সম্বল ।
এই কুশিক্ষার সুদীর্ঘ তাড়না থেকে 
আমরা গড়ে তুলেছি আমাদের দেশ
বীর্যহীন পুরুষকুল 
ও অতৃপ্ত নারী-জগতের নিখুঁত সমন্বয়ে ।

প্রবল বিষাদে ও হতাশায়
বিবেকানন্দ একদা বলেছিলেন -
"দশজন প্রকৃত ব্রহ্মচারী পেলে
আমি ভারতবর্ষকে পাল্টে দিতে পারতাম ।"
তিনি মিথ্যা বলেননি ।
ভারতবর্ষে নিযুত সংখ্যক সাধু লভ্য, 
অথচ, দশজন প্রকৃত ব্রহ্মচারী বীর 
যে বাস্তবে জোটে না, এ সকরুণ সত্য 
তিনি  অনুধাবন করেছিলেন 
আপন ব্রহ্মচর্যের অনমনীয় দৃঢ়তার সাথে 
এ যুগের যুবসম্প্রদায়ের সামনাসামনি তুলনায় ।

বীর্যহীন সাধু ও দারিদ্র-সর্বস্ব ভিক্ষুকে 
তফাৎ থাকতে পারে না বাস্তবে কোনও ।
কাপুরুষের দেশ ভারতবর্ষ
তাই ক্রমাগত ধর্ষিত ও লুন্ঠিত হয়ে চলেছে
রাজনীতি ও ধর্মের দ্বারা
শুধুমাত্র 
বীর্যবান প্রতিরোধের নিদারুণ অভাবে ।

ভারতবর্ষ আজ কানায় কানায় ভরে গেছে
বীর্যহীন ভণ্ড-পৌরুষে
আর ধর্মজ্ঞানের অহমিকাটি 
পরিপাটি বজায়ে রেখে
অপদার্থ ও অর্ধশিক্ষিত আমরা 
আজও ক্রমাগত প্রচার করে চলেছি
কর্মযোগ-বিরোধী ধর্মীয় সহবত,
যা তৈরী করে চলেছে
আমাদের মত উদ্ভট প্রাণীকুল
যার পা আছে, মাথা আছে
কিন্তু মাঝে প্রয়োজনীয় অংশটি নেই
যা ক্ষাত্রতেজ-কে 
বীরদর্পে ধারণ করতে পারে ।

আমরা অথচ, আশা করে চলেছি
কোনও মহামানব, সহসা আবির্ভূত হয়ে,
অবশেষে পরিত্রাণ ঘটাবেন আমাদের 
এ করুণাকর জাতীয় দৈন্য হতে ।
সেদিন নিশ্চয় আনন্দের নহবত বসবে
ভারতবর্ষের ঘরে ঘরে ।

ব্যতিচার

তুমি যাদের অপছন্দ করো,
যাদের চিরশত্রু ভাবো,
তারা প্রকৃতপক্ষে
তোমার আপন সীমাবদ্ধতার প্রতিচ্ছবি ।

শুধুমাত্র ভালবাসার পাঠ
তোমাকে চেনাতে পারে অন্তর্নিহিত সত্য,
আপন অপূর্ণতা ও অভাবের বিজ্ঞান,
যার কারণে তোমার এই বিশেষ বিকর্ষণ ।

ভালবাসলে আকর্ষিত হতেই হবে ।
তখন অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করবে
যে গুণগুলির প্রভূত অভাব তোমাতে,
সেই বিশেষ দক্ষতাদেরই কিছু কিছু
সম্যকরূপে উপস্থিত ছিল - তাদের চরিত্রে,
যাদের অবলীলায় 
ঘৃণা ও বর্জন করে এসেছ এযাবৎ ।

শনিবার, ৪ জুন, ২০২২

আশ্রয়

জীবনকে অবলোকনের ভঙ্গিমা
ও পরিপ্রেক্ষিত
এতকাল প্রায় একইরকম ছিল,
যখন দেখতে চাইতিস সবকিছু 
মানবিকতার আর যুক্তিবিচারের
নিছকই তার্কিক পরিসরে ।

যে বয়সে শ্রমিকরা রিটায়ার করে,
তার থেকে মাত্র মাস-দুই আগে
নিজেকে একশো আশি ডিগ্রী ঘুরিয়ে নিয়ে
চিনতে চাইলি জীবনকে, নতুন করে,
অহমিকাহীন ও প্রমাণ-বিমুখ
সংবেদনশীলতার পরিসরে ।

অনুভব তীব্রতর হ'লে 
পার্থিব লাভ কিছু হোক বা না হোক
চরিত্রে গভীরতা বাড়ে ।
সুরের নিবিড় মন্থন, তখন
দরদের পূঙ্খানুপুঙ্খ অভিসারে
অবিকল জীবন্তের ছাঁচে
প্রকৃষ্টতর শিল্প রচনা করতে পারে ।
অথচ, দ্যাখ, জানিসই না 
আরও কত-শত সৃষ্টির বাকি এখনো,
আকস্মিকরূপে ফিরে আসা 
প্রণয় ও সমর্পণের
এ ভিন্ন সংবেদের উপচারে ।
ভালবাসা 
নতুন সুরে লিখতে হতেই পারে ।

হয়তো বা,
যে বিরলতর পুরস্কার ও অভিবাদন-রা
না-ছোঁয়ার দেশে রয়ে গেছে, এ অবধি,
তারা এবার 
যোগ্যতর আর তেমন না খুঁজে পেয়ে
একে একে বাধ্য ঠাঁই নেবে 
তোরই করকমলে ।
কার নিয়তি, কখন যে বাঁক নেয় কোনদিকে,
কে আর বলতে পারে ?

প্রাপ্যের অপ্রতিরোধ্যতার কাছে 
জীবনের কার্পণ্য, অবশ্য, 
একদিন না একদিন অবশ্যই হারে ।

বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২

প্রবাহমান

"জীবনকে 
অভিনয় ছুঁতে পারবে না কখনো"
এমন ধনুকভাঙ্গা পণের মধ্যে
লুকিয়ে থাকতে পারে আত্মসম্ভ্রমের 
এক অভিমানী আভিজাত্য,
ব্যক্তি-বিশেষে 
রুচিতে স্বাতন্ত্রের অধিকারে ।

তাব'লে, 
সে কোনও অহমিকা নাও হতে পারে

আর অহমিকা সত্যিই যদি না হয়,
যে মানুষটি হুবহু তারই মত নয়,
তেমন কারও 
অপরাপর গুণকে শ্রদ্ধা করে
তাকে ভালবাসতে না পারার
যথোচিত কারণ থাকে না কোনো ।

ভালবাসার 
শক্তপোক্ত বাসাটি লুকিয়ে থাকে
প্রতিবার বাঁধ ভেঙে ভাসিয়ে নেওয়ায় ।
বাধাতে আটকে পড়ায় ভালবাসার সায় ?
তেমন কি কোনও মতে হয় ?
হয়েছে কখনো ?
.
https://youtu.be/pQnUQnrbjsI
.

বুধবার, ১ জুন, ২০২২

Perspective-Disorder


Never weep like a sick person for not getting enough attention or love. Be enough adult to become a source of attraction instead. 

Learn how to generate and overflow love from inside, without any immediate expectation of return.

Learn how to read the growth-requirements of others and how to fill their souls up in a short period of time by providing required emotional food, almost like from mother's intuition.

Learn how to enjoy the growth of someone, you love, towards higher maturity.

Learn how to flower a human being through attentive feeding. The flowers will smile at you gradually and you will find your best utility on earth, 

when attentions on you, on the other hand, have to become abundant and enough satisfactory.