শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১

Learn Before You Earn

Man often doesn't know how to love himself. Well its quite simple.


Who is the Lover ? 

Its the conscious will.


Who is the Object ? 

Its his ever distractive instincts 

lying hidden 

under the massive subconscious.


What's the purpose ?

Absolute control for obedient executions.


Well, first of all, 

you have to have sheer passion to possess, 

such that, your passionate will can project

a powerfully hypnotising call for your instincts, 

to let the latter helplessly respond 

and surrender unconditionally, 

almost as a prey, 

towards accepting precise discipline

and remain ever-ready to obey, 

before you start the power game of life 

at a much superior level of perfection.


Its a possible game of love between the two brain components of the same persons provided the passion is enough intense .


The conscious will, 

at the pick of the brain,

that retains fixity of purpose,

as MALE


And the voluminous subconscious,

acquired so far as habit force, 

that creates massive momentum,

as FEMALE


The clue is "If you once reach the bitch as an epitome of force and power, it will instantly fall in love and being mad to respond in the same vibe, will start licking the male to convey its ready obedience to receive inside whatever thrusted"


What yet awaits is to commence celebration !

Cheers !

.

https://youtu.be/VID289p3GTc

.

;)

.

শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১

পরবাস

নারী হোক অথবা পুরুষ

এ জগতে প্রতিটি মানুষ 

অবারিত আনন্দের সন্তান

পাখির মত 

স্বাধীন জীবন আহরণে ৷


প্রতিটি দুঃখের কারণ 

সে একা নিজে,

সুখের লোভে প্রবৃত্তির স্বতঃ-দাসত্বে

কর্মফলের নিয়তঃ অভিশাপে

আসক্তির একক অপরাধে, প্রক্ষিপ্ত পরবাসে ৷

.

বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১

কথা দেওয়া

কথা দিলেই কথা থাকে,

না দিলে আর কিচ্ছুটি নয়,

এমনটাই 

সর্বদা বুঝি হয় ?


কোনও কথা না দিয়েও

সম্পর্ক কি করে গড়ে ওঠে,

একটা মানুষের সাথে

আর একটা মানুষের সুর

যখন আপনিই মিলে যেতে চায় ?


যখন মন বলতে থাকে -

পরাণের অবাক গানে 

সুরের সাথে সুর মিলে গেলে

আলাদা করে 

মুখের কথা দেওয়ার 

কথা ছিল কি কোনও

এমন অপার নির্ভরতায় ?


কথা দেওয়ার 

আদপে দরকারই বা কি,

মানুষ যদি 

স্বেচ্ছায় স্বচ্ছতা ধরে রাখে

আপন বিবেকে,

ভালবেসে মেনে নেয়,

না বলা কথাদের প্রতি 

নিবিড় শ্রদ্ধায়,

একটিও কথার কথা 

নিজের মুখে না দিলেও 

অক্ষরে অক্ষরে কথা রাখার দায় ?

বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

Choice

 Man has a single life

That has only two options

To adopt anyone.

Either evolution or revolution.


Whenever you are not aware,

You helplessly surrender your life

Almost fully to your subconscious.

Your instincts readily take over

To pull you along the old, beaten track

According to the principle of

"Enjoy first to suffer at last".

You undergo your evolution

Along a circular path,

Pulling yourself round and round

Which you term 'your so-called destiny'.


If you volitionally prefer your conscious

To take charge

Of your days' minutes and hours,

You have to exert a bit harder.

Your fixity of purpose

Permits only those actions

That may reach you closer to your goal.

Your path of life becomes straight-lined

Just automatically

And you needn't repeat any same blunder twice.

You thereby deny the destiny

Ascribed by your sub-conscious

And redefine it by earned command

On higher freedom and ecstasy.

This is how you choose your revolution.


( Incidentally,

Do you know why the so-called

Revolution by Communism failed?


Well, it silently skipped the inner responsibly

Of self-transformation based on

Pure self-love.


And instead

To grab state power and then try to retain it

Its principal mission was

To make fool of the mass

By shrewdly preaching sheer hatred,

Hatred for individual self-interest

And development whatever,

As well as, hatred for the worthy class

Whoever had the capacity for

Creating wealth

By means of

Visualization and wiser translation of time

Into wealth.

The true creators of fortune for man

Were termed as snatchers.


They tried to hypnotize only,

Through lousy debates, full of dubious phrases,

That may successfully camouflage

The invitation of

The era of the worst kind of slavery,


Thus Communism was

A fragile structure of External Revolution

Based on a hollow foundation

In absence of any 

Concrete internal transformation

Of individuals

Who chiefly constituted the society and nation.)



মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১

তুরীয়

কেবল Wish টুকু নিয়ে 

মানুষ দিনের পর দিন দিব্যি বাঁচে ৷

মানুষের সাথে একটু একটু করে

Wish ও সমানতালে বুড়ো হতে হতে 

মরে যায় একদিন ৷

মানুষ সে অবধি বাঁচতে ভালবাসে 

হতাশা আর দীর্ঘশ্বাসের প্রসব যন্ত্রনায়

বাঙ্ময় কাব্যের অফুরন্ত সান্ত্বনার পরিসরে ৷


অতি সামান্য সংখ্যক মানুষে ইচ্ছাশক্তি বেড়ে

Wish পরিনত হয় Want এ,

যার পরে Want হতে পারে Need ৷

তারপরেও অবশ্য একটি threshold থাকে 

অবচেতন হতে উদ্ভূত বাধার ৷


ইচ্ছাশক্তি সেই শেষ বাধাকেও 

অতিক্রম করে যখন,

তারপর থেকে অলঙ্ঘ্য চেতনা 

অবচেতন-উদ্ভূত আসক্তিদের অকেজো রেখে

ইচ্ছাকে অধিকার দেয় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে

অবিরত কর্মে রূপান্তরিত হতে ৷


মানুষ যতবার পড়ে ততবার উঠে দাঁড়ায়

নতুন উদ্যমে, 

আর ক্রমাগত পায়ে পায়ে যাত্রা করে

ইশ্বরের ঐশ্বর্য্য অর্জনের দিশায়

উত্তরোত্তর স্বাধীনতা ও মুক্তির পথে ৷

দেবত্ব

কেবল Wish টুকু নিয়ে 

মানুষ দিনের পর দিন দিব্যি বাঁচে ৷

মানুষের সাথে একটু একটু করে

Wish ও সমানতালে বুড়ো হতে হতে 

মরে যায় একদিন ৷

মানুষ সে অবধি বাঁচতে ভালবাসে 

হতাশা আর দীর্ঘশ্বাসের প্রসব যন্ত্রনায়

বাঙ্ময় কাব্যের অফুরন্ত সান্ত্বনার পরিসরে ৷


খূব সামান্য মানুষে ইচ্ছাশক্তি বেড়ে

Wish পরিনত হয় Want এ,

যার পরে Want হতে পারে Need ৷

তারপরেও অবশ্য একটি threshold থাকে 

অবচেতন হতে উদ্ভূত বাধার ৷


ইচ্ছাশক্তি সেই শেষ বাধাকেও 

অতিক্রম করে যখন,

তারপর থেকে অলঙ্ঘ্য চেতনা 

ইচ্ছাকে অধিকার দেয়

অবিরত কর্মে রূপান্তরিত হতে ৷


মানুষ যতবার পড়ে ততবার উঠে দাঁড়ায়

নতুন উদ্যমে, 

আর ক্রমাগত পায়ে পায়ে যাত্রা করে

ইশ্বরের ঐশ্বর্য্য অর্জনের দিশায়

উত্তরোত্তর স্বাধীনতা ও মুক্তির পথে ৷

শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১

নিবিড় ইচ্ছা

মানুষ চাইলে, শক্তি ও সৌন্দর্যকে

সমন্বিত করতে পারে না 

আপন অস্তিত্বে, অবধারিত উন্নয়নে ?


লোকে বলে -

তুমি যদি আজ থেকে জিমে যেতে শুরু কর,


ত্রিশ দিনের মাথায়, পার্থক্যের সম্মন্ধে, 

আর কোনও সংশয় রইবে না তোমার ৷


ষাট দিনের মাথায় পরিবর্তনটির সম্মন্ধে

নিশ্চিত হবে তোমার প্রিয়তম জন ৷


নব্বই দিনের মাথায় সশব্দে মেনে নেবে

বাড়ির সকলে ৷


একশো আশি দিনের মাথায় তোমাকে

আলাদা পরিচয়ে চিনবে সারা পাড়া ৷

Certainty

Those who finally brought themselves

To the top of the world, 

Whatever the stream may be,

Attained almost heavenly freedom on earth..

"They made it possible only through hard work"

Is merely half of the truth.


The rest half of the story is that

1. They transformed every challenge of tough toil into sheer jubilance by much higher spirit. 

2.  They were aware of the utility of taking wise breaks before getting fully exhausted. 

3.  They retained bliss of mind all along the journey by never losing patience and never becoming a victim of fear. 

4.  They rewarded every of their days' toil with personal celebration, however small it may be.


The Power of Today

They say

"Yesterday is history

Tomorrow is mistry

But today is a gift

That's why it is called the PRESENT".


Unwrap the gift very carefully

Layer by layer

To reveal the novelty inside.

Everyday gifts, once accumulated,

Turns into The Lifetime Reward

To establish you as an achiever in reality.


Whatever purpose you undertake

Pursue it for at least first six months

And by then, you will certainly start

Experiencing the miracle 

Of the six pack muscles 

Of earned Habit Force.


You will start inventing

The_more_condensed_you,

The_more_bright_you,

The_more_spirited_you,

The_more_powerful_you,

Through the proper use of 

Today, the Present,

To celebrate your existence to the brim.

Just no hurry or drifting please.

"Today" is the "one step at a time" foot-rest

That will reach you at the top of the ladder

Just in time.


শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১

Kindness


 

Sacrifice


 

Pain


 

নির্মেদ


 

ভালবাসার সংজ্ঞা


 

বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১

মান ও হুঁশ

একই মানুষের মন, সময়ের ফেরে,

কখনো সবল, আবার কখনো দুর্বল হতে পারে ৷


সবল মন সচেতনের নিয়ন্ত্রণে থাকে ৷

সচেতন মন, মানুষকে ঢেলে সাজাতে পেরে,

পাল্টে পাল্টে যাওয়া উন্নত রূপে গড়ে ৷

সবল মনের প্রতিটি আত্মমুখাপেক্ষী কর্ম

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে 

নিরন্তর সরলরেখায় ধাবিত হয় ৷

সময়, কর্মের মাধ্যমে, রূপান্তরিত হতে থাকে

যোগ্যতাতে ও বস্তু-প্রকৃতির ধনে ৷

মানুষ, ক্রমশঃ, বয়স বাড়ার সাথে সাথে

আক্ষরিক অর্থে ধনী হতে থাকে 

আর সৃষ্টির প্রাপ্য বরে আনন্দে ভরে ৷


দুর্বল মন আসক্তি তথা অবচেতন নিয়ন্ত্রিত

ও মূলতঃ ভোগ-সর্বস্ব ৷

আসক্তি, নিয়ত পরিবর্তনশীল ও বক্র-গতি

পরমুখাপেক্ষী সাময়িক সম্ভোগ-লক্ষ্যের মোহে

সময়কে কেবলই অপচয় করে চলে ৷

প্রতিটি ভোগের পরে

পড়ে থাকে না সঞ্চয় কিছুই,

বরং, ভোগাকাঙ্খা 

যত অধিক ও বহুমুখী হতে থাকে

দুর্ভোগ সেই হারে জীবনে বাড়ে ৷

প্রাণ তার ইঁদুরের মত

প্রবৃত্তির জাঁতাকলে পড়ে, দমবন্ধ হতে হতে,

ছটফট ও অবিরত বিলাপ করে ৷


বিস্মরণ

কবিতার মেঘ ভেঙে 

ভালবাসা অঝোরে ঝরে পড়লেই,

ভেজাবে বলে -

বলা নেই, কওয়া নেই, আমাকে 

হিড়হিড়িয়ে রাস্তায় টেনে নিলে !


পরাণের ট্রামলাইন ধরে 

হাত ধরাধরি হাঁটতে শুরু করলে

টুং-টাং বেজে ওঠে 

পাতা-ঝরার ঝরণা চেনানো 

অপার্থিব সেতার !

সুর চিনে নেয় কোমল ঋষভ,

প্রতিবার, অন্তরের অবধারিত মিলে ৷


চাষের বেগারে বেমানান যুগল

ধান ভাঙতে হয়তো ভাঙা কুলো ৷

জীবন তবু জোয়ারে টইটুম্বুর

দৃষ্টিকে দৃষ্টি ছুঁলেই

দুষ্টুমির অবধারিত খিলখিলে !


তালে থাক সকলের ভাঁড়ার ঠাসা ৷

বুঝি না কি ভাবে 

এত খুশি জোটায় সামান্য তিলে ৷


হিসেব রেখো না শুধু

কি চেয়েছিলে, কি পেলে,

বরণডালাকে থরে থরে 

কেমন যতনে সাজিয়েছিলে

আর না চাইতেই, হালকা ঢলে,

আপন প্রস্রবণ হতে, ঘন মধু,

কখন, কোন অবধি ঢেলে দিলে ৷

বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১

আকাঙ্খা

তার অধিক আর কিচ্ছুটি নয় ৷

সর্ব রোমাঞ্চের সন্নিধানে

হ্যাঁ, হ্যাঁ, ওইটুকুই শেষ অবধি চাওয়া !


আমি প্রতিবার খুন হতে চেয়েছি প্রেমিকের হাতে ৷

আমি চেয়েছি অস্ত্রের কষ বেয়ে

টপ টপ করে গড়িয়ে পড়ুক টাটকা রক্ত 

আর ঘর ভরে যাক আঁশটে গন্ধে ৷

আমি চেয়েছি -

তার পরে স্থানুর মত পড়ে থাকুক নগ্ন শরীর ৷


আমার বলতে কোনও বাধা নেই -

প্রতিটি প্রেমের স্বপ্নের শেষে

আমি খুন হয়ে যেতে চাই

ফালা ফালা করে দেওয়া নির্মমতম ধর্ষণে ! 

আমুল বিদ্ধ হতে চাই 

ক্ষিপ্রতার অপ্রতিরোধ্য বশীকরণে

মাংসল দৃঢ়তার অবর্ণনীয় ধারে ৷


মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১

ছোটগল্প - "প্রত্যয়"

রমিতা পা বাড়ানোর আগে শেষ বার পূর্ণদৃষ্টিতে তাকালো শমিতের দিকে ৷ 


অভিজ্ঞ দৃষ্টি আর আটকে গেল না চামড়ার স্তরে ৷ মানুষটার ভিতরকে স্পষ্ট দেখতে পেল রমিতা ! 


সেখানে খাপছাড়া কাঁচা পাকা দাড়ি ৷ অবিন্যস্ত উস্কোখুস্কো চুল ৷ কোঁচকানো নোংরা জামা পরিধানে ৷ সে জামা কিছুটা শুকনো, বাকিটা ভুল চারণ থেকে ছিটকে আসা কাদা লেগে ভেজা ৷ সে কাদায় হালকা দুর্গন্ধ পাঁকের ৷


শমিত অথচ বাইরে ফুলবাবু সেজে থেকে, তখনো ভেবে চলেছে যে সবাই তাকে দেখছে - সে যেমন দেখাতে চাইছে সবাইকে, অবিকল তেমন ৷ রমিতা নিশ্চিন্ত হলো - তার সিদ্ধান্তে ভুল নেই আর কোনও ৷ অন্তরের পরিচ্ছন্নতা যার কাছে বাতুলতা, তাকে কোনও নিকট সম্পর্কে রাখতে চাওয়া একমাত্র আপন হীনমন্যতারই উদযাপন হতে পারে ৷


পায়ের পাতায় দৃঢ়তা অনুভব করলো রমিতা ৷ নাঃ ৷ আর যাই হোক, হীনমন্যতা যায় না তার স্বতঃস্ফূর্ত আত্মশ্রদ্ধার সাথে ৷ পথের বাড়ানো আকুল দুই হাত চাইছে তার সাড়া ৷ 


যাত্রা শুরু করলো বিশুদ্ধ আত্মবিশ্বাস, নিরাপত্তার মোহ ছেড়ে, আরও একবার, সম্পূর্ণ অজানার জগৎ হতে, সুন্দরতরকে দৃঢ়-নিশ্চিত লক্ষ্যে অধিকতর আপন করে নিতে ৷

বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১

অতল

খুব দ্রুত মেরে ফেলতে চাইলে

প্রেমের কৌমার্য 

যত দ্রুত সম্ভব হরণ ক'রে

সর্বাগ্রে নির্বিকল্প খাদক হতে হয়,


খেতে, খেতে, খেতে, যতক্ষণ না 

খাওয়ার ন্যূনতম আগ্রহটুকুও

বেমালুম হারিয়ে যেতে পারে ৷

"বিলক্ষণ বিচক্ষণ প্রেম" -

আর বলে কারে !


ভালবাসা দীর্ঘতম হয় শুধু-মাত্র বন্ধনহীনের ৷

জানলাটি সামান্য ফাঁক করে রাখতে হয়,

যেন, সে ঠিক সময়মত চমকে দিয়ে

শিরশিরানো ফিসফিসিয়ে

প্রতিটিবার বলতে পারে -


"আগলদের এবার

পরতে পরতে ঢিলে করে দিলেই,

দূরত্ব যত, পড়তে হবে - খসে !

ঝোড়ো বাদল ওমনি ঝাঁপাতে পারে 

এক্কেবারে ভিতর-ঘরে ৷"

মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১

অভিসনদ

সদরের সিংহদুয়ারটি পেরিয়ে

পায়ে পায়ে ঢুকে এলে ভিতর-ঘরে,

সে অভিযানে না আছে প্রতিহারীর বাধা 

না আছে তারপরে দেওয়াল কোনও !


আছে ফুলের বাগানের পাশে 

সমানতালে বনজ সুঘ্রাণ !


আছে বিশাল পিপুলের তলে 

নদীর বিরামহীন হাওয়া

যেখানে ক্লান্ত পান্থ

তৃপ্তির দীর্ঘ "আহ্ কে দীর্ঘায়িত করতেই পারে ৷


আছে পাতা-ঝরা অপেক্ষায় স্খলিত বিতান

পরতে পরতে উন্মোচিত হতে

পরাণের নিভৃতি-অবগাহন 

স্বেচ্ছায় সুলগন এগিয়ে দিলে ৷


আছে সুদূরের-সৌরভ আলোকিত দিশা

উন্মোচন, জলের অতলে, 

কাম্য স্বচ্ছতাটি খুঁজে পেলে ৷


আচ্ছা বলতে পারো

অনাবিল স্বেচ্ছা কেন এ হেন অনুদার তোমার ?

আতিথি-সৎকার ও উন্মুখ প্রতি-প্রবেশ 

দাবী করে অভিন্ন রূপকথা ?


ফটকের বাইরে একটানা দাঁড়িয়ে থেকে, 

অচেনা স্বৈরিণীর সুরে

শরীরের একঘেয়ে নাম ধরে হেঁকে হেঁকে,

সাড়া না পেয়ে

রাত্রি-শেষের ওকাম্পোর মত 

ঘাম মুছতে মুছতে, হেঁটমুণ্ড অশ্রুভারে

অবশেষে নিশ্চুপ হয়ে গেলে !