সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

মগন

দহন জাগে দূরত্বের স্বেচ্ছা চাষে !
কষ্ট কেষ্টকে পায় আপন পরাণে
নির্ভরতার বাসে ।


নিকট - বহনমাত্র হতে হয়
মোহের মায়ার খেলায় ।
চাহিদা আর যোগানে ফারাক
একদা দুঃখে বর্তায় !


গহন নীরবে সুদূর হতে হাসে !
.

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

Revolution

Man evolved
And we learnt the grammer of
Languages.
Man evolved further
And we learnt the grammer of
Science and Commerce.

Man tried to glorify the positive prospect
Of brain by absolute rationalism
But we yet couldn't control
Inhuman evils
That misuse brains to 
Wider and meaner extent
And keep exploiting goodnesses
At their free will.
We, thus, couldn't arrest human sufferings.

It is only conscience
A faculty of heart-driven perception
That can restrain the evil application 
Of brain.
It is the only one-way ticket
For human civilization
To the haven, that it dreamt all along
To reach some day.

We are still far away of 
Conscious exercise of conscience
As the first principle.
We are still deprived of the best benefit
Of being a human being.
We can not yet replace animosity
By sheer love.

A brave Indian taught us once
How to become truly radical inside.
We are yet too far from
Learning the grammer of thinking.




শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

The Call


Man often visualized revolution
As an external purpose only.
Fools toiled a lot, couldn't sustain
And finally, let go.

Life claims -
"You lose freedom of choice for consumption
If you don't earn and store beforehand."
Do we still have to confuse priorities ?
What should be
The primary purpose of human life ?
Creation first or consumption ?

If it is consumption, then
We are no better than any animal.
If it is creation,
Then we are, at least, wiser than, but
Is it possible without love ?

We earn capabilities
Whenever we create ourselves and grow.
The objects of our love may vary
But they are still 'means' only.
The principal fuel of our self-creation
Is the honey, we miserly store
At our own fountain of love
That awaits an overflow
To flood all barriers of
Sadness driven stagnancies

Do we hear the tune of the flute ?
Can we,
That has ever been inviting us
To the paradise of revolution
Individual by individual ?
Do we ever feel due urge inside
For the bake and call and turn bright
To transform into further green
While growing gloriously in spirit
Even more tall ?

.

বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

তাপ-তাড়িত

শরীর ছোঁবো, শরীরে খাবো
বায়না বড় !
শরীর-বাজারে হাড়ে-মাংসে
কিনতে পারো !

যে মনন - পরাণের ধন ব'লে
আকুলে চাওয়া
পরাণ দিয়েই তাকে কেবল
দুইতে পাওয়া !

তেমন দুধেই সুস্থ বিকাশে
পুষ্টি জেনো ।
নিকোনো উঠানে আসন পাতা,
আসোনি তখনো !

.

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯

জানলে পরে

বাসতে জানলে পরমহংস !

না জানলে, সত্যি সত্যি না পারলে,
জেনে শুনে কৃত্রিমতার ধোঁকা দিলে 
প্রতিটি পূজা তো অং বং চং মাত্র !

যে অসুরের বিরুদ্ধে আন্দোলন
তাতে আর আমাতে তখন
তফাৎ কোথায় ?

দূরদর্শনের অংশবিশেষ দেখছিলাম ৷
মনস্তত্ত্ব আর ঈশ্বরত্বত্ত্ব
একে অপর হতে
খুব বেশি দূরে নয় - বোধহয় !

মনস্তাত্ত্বিক ও সুসঙ্গীতজ্ঞা
অতিথি বলছিলেন -
নিবেদন যখন সর্বস্ব ছুঁতে পারে
তফাৎ থাকতে পারে না তখন
পূজা আর প্রেমে !
বিরহ আর অপেক্ষার মধ্য হতে
অফুরন্ত প্রাপ্তির অভ্যূদয় হতে হয় !
পার্থিব জগতের ত্রিমাত্রিক স্পর্শসুখে
কি পেলাম আর কি পেলাম না
সেখানে তখন
কে আর আটকে রইতে পারে
অথবা চায় ?
.
.

শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯

অযাচক

সত্যি - তা সে কঠোর যতই হোক
মেনে নেওয়ার জন্য ন্যূনতম সাহসটি দাবীত চায় ।

তুমি লক্ষ্য ছিলে না কোনদিন,
তবে, উপলক্ষ আদিগন্তকাল ধরে ছিলে ।
লক্ষ্য ছিল একান্তে নিরলস উত্তরণ
আপন ভালবাসার দিগন্ত-প্রসারী দক্ষতায় ।

টেনে নেওয়া তাই তোমাকেই বারবার
আমার গভীরতর অনুভবের সোহাগী আদরে
তোমার মুকুলগুলি কোন দিশায় ফুটতে চায়
তাকে আরও স্বচ্ছ ভাবে বুঝে নিতে নিতে ।

স্বার্থটি যেহেতু
ব্যক্তিগত তাগিদে একান্তই আমার
তাই মূল্য দাবী করা ছিল না কোন
তোমার বিনিময়ী লাভের কারণে,
হোক না বাস্তবে তদজনিতে !

স্রষ্টা পরম করুণাময় ব'লেই,
চলৎ-শক্তি বিরূপ
করুণা-আশ্রিত ভিক্ষুকের পথ এ নয় ।
আপন উত্তরণের দাম
কেবল নিজেকেই অর্জন হতে দিতে হয় ।
তোমাকেও দিতে হবে জানি
ভালবাসার চিরন্তন দ্বন্দ্বে - মধুমন্থনে
নিছকই আপন মঙ্গলকামনায় !

জীবন তো থাকতে জানে, তুমিও জানো,
- অফুরন্ত অপেক্ষায়, আজও ঠায় !
.

.

সকাল

সুন্দরের প্রাথমিক শর্ত হলো
মাত্রাবোধে দায়বদ্ধতা !
সুরের প্রাথমিক শর্তও তাই !

সুখে, দুঃখে, আনন্দে, বিপদে,
সুন্দরের সুরটি 
আজীবন প্রতিটি ক্ষণে ধরে রাখা
সহজসাধ্য নয় !
জীবনের প্রতি একমাত্র
আপোষহীন শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা
মানুষকে তেমন মহৎ করতে পারে ৷

সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে
এই কাজটি সর্বশ্রেষ্ঠ রূপে
ধরে রেখে গেছেন একজন
সৃষ্টির মানবোত্তর সাক্ষ্যে 
সুগভীর মগ্নতায় !

তার নাম রবীন্দ্রনাথ !
আর আমাদের নাম একই কারণে
রাম, শ্যাম, যদু, মধু ৷
.

.

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

স্লো পয়জন

"ফ্যাসিবাদ কোন ভাল করে নি কোনদিন
পৃথিবীর ইতিহাসে ৷"
এটুকু বলে ফেলেই
পরম নিশ্চিন্তিতে গা ভাসিয়ে দেওয়া
অনেকেরই পক্ষে হয়তো অধিক আসান, 
তবে, সর্বক্ষেত্রেই 
সমস্যার সর্বশেষ সমাধান হয়তো না ৷
বয়ে যাওয়া অতীব সহজ-সাধ্য বরাবর,
বেয়ে ওঠা - আজ অবধি সহজ ছিল না ৷

যে বৃদ্ধরা দশকের পর দশক ধরে
ধর্ষিতা কন্যাকে নিজে হাতে পুড়িয়ে
অথবা ফিরে পাওয়ার আশা 
শেষ অবধি বাধ্য জলাঞ্জলি দিয়ে
স্ত্রী, পুত্রের হাত ধরে
কয়েক পুরুষের ভিটা ছেড়ে
অবশিষ্ট সঞ্চয়টুকুও বাধ্য ঠেকিয়ে 
তবে, পেরিয়ে প্রহরীর প্রহার 
শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে
পার হচ্ছে জোড়া কাঁটাতারের বিন্ধ্য-বাধা,
তার ক্ষোভের যন্ত্রণাকে বোঝা
তোমার ভূয়সী অনুভূতির দৌড়ে 
জাস্ট কুলাবে না !

খাস কলকাতার বুকে
যে বালকটি স্কুল হতে ফেরার
পথে 
জানলা, দরজায় অপেক্ষমান
মাসিমা কাকিমাদের কাছ থেকে
রোজ কুড়িয়ে আনতো 
বিশুদ্ধ আনন্দের স্মৃতিতে
হাসির নিত্য নতুন আল্পনা,
বিকেলে, ব্রীজের রেলিং ঘেঁসে
জমে উঠতো যার
বন্ধুদের সাথে হৈ হৈ আড্ডা
প্রতিদিন অন্ততঃ দুই ঘন্টা করে

সে, কুড়ি বছর পরে
ঘটনাচক্রে
সেখানে ফিরে যেতে পেয়ে যদি দেখে
পাড়া দখল হয়ে গেছে - টুপি দাড়িতে,

হ্যাঁ, খাস কলকাতার বুকে,

যাদের দৃষ্টিতে অবাঞ্ছিতের জন্য
জমা আছে একতরফা অযাচিত ঘৃণা,
বাড়িগুলো একই আছে, কিন্তু,
একটাও তেমন সামাজিক মুখ 
আবার চোখে পড়ছে রাস্তায়, দোকানে,
অথবা 
উঁকি দিচ্ছে কোন না কোন জানলায় -
তেমনটি আর দৈবক্রমেও ঘটছে না,
বরং বদলে জাগছে 
কেবল অজানা আতঙ্কে আর অস্বস্তিতে
শ্বাপদসংকুল এক ভিনদেশী গা শিরশির,
তখন
তার বুকের যে সহসা হিমে ছেয়ে যাওয়া,
তাকে - যতই বড় কাব্য-বিধায়কই হও না কেন
মানবিকতা আর সম্প্রীতির 
ধুন্ধুমার বুলি অনবরত আকাশে উড়িয়ে,
এ জীবনের অভিজ্ঞতার দৌড়ে
কোনওমতে কল্পনাও করতে পারবে না !

সব ছেড়ে আজকের কথাও ভাবতে পারো !
বৃদ্ধ পিতা কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি !
দুই অবিবাহিতা কন্যার বড়টি
সাতদিন হলো মুর্শিদাবাদ থেকে
পাঁচ ঘন্টার পথে ফিরতেই পারছে না ব'লে
চিকিৎসা স্তব্ধ হয়ে আছে !
বড় হওয়ার পথে চোখের সামনে
তার সাতপুরুষের ধর্ম সংখ্যালঘু হয়ে গেছে
পাশাপাশি একাধিক জেলায় !
সে আর আদৌ নিশ্চিন্ত নয় আজ
একবার বের হলে
তার বিশ্বস্ত পশ্চিমবাংলা, চোখের নিমেষে,
অবিকল বাংলাদেশে পাল্টে যাবে না ৷

"মানবিক-প্রমাণিত মানুষজন
আপন কর্মের নিরন্তর অবদানে
প্রতিটি ধর্মে কম-বেশি চিরকাল থাকেই !
সুস্থ মানসিকতার মানুষের কাছে
তারা কোনদিন অশ্রদ্ধার পাত্র হতে পারে না"
- একথা নতুন করে শোনার প্রয়োজন নেই!

তবে কি জানো

উচ্চশিক্ষিতের সমাজে নিরাপত্তার বলয় 
পরম আদরে মণ্ডূক পুষতে জানে 
মার্বেল-বসানো চকচকে কূপে !
সেখানের আরামে গা এলিয়ে বসে 
বড্ড বেশি 'জানি জানি' মনে হওয়ার 
এক মানসিক চর্মরোগ 
অজান্তে বেড়ে উঠতেই পারে ৷
আখেরে, বিপ্রতীপে 
যে রূঢ় বাস্তবের আয়োজন ইতিমধ্য,
তার সামগ্রিকতাকে
আপন ইতিহাসের পাতায় পাতায়
জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসে না চিনলে
ফাটা ঢোলই বাজিয়ে যাবে অলীক-যাপনে,
গল্প লিখবে একশো দুশো -
অচিরে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে হারিয়ে যেতে,
সত্যির ছেঁকায় কেমন ফোস্কা পড়ে,
কতটা জল জমে ব্যথার গলায় গলায়,
সে হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার ভার
সামান্যতম আঁচও করতে পারবে না !

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

আসক্তি

"কোন সময়টি
কোন স্বর্ণালী সম্ভাবনাকে
উৎকর্ষের শিখরে পেতে
মানুষ ভেদে সাজিয়ে রেখেছিল ?

কোন নিত্য অবৈধাচারে
মানুষ তাকে হেলায় হারায় ?" -
ততদূর ভাবার গরজ থাকে না
আমাদের কখনো !

মানুষ স্বপ্নকে 
একতরফা হুতাশনে অনুবাদ-দক্ষ
অভ্যাসের দড়ির সীমায়
প্রাকৃত কলুর বলদ ! 
মনেও পড়ে না অচিরে তার
মুক্তি - কাকে যথার্থে বলে !

ইচ্ছাশক্তির সচেতনায়
অপেক্ষমান পৌরুষকে 
নিয়মিত নিদ্রার অভিশাপে
পরপুরুষবৎ এড়িয়ে যেতে যেতে
সরলরৈখিক দিশাকে
চিরস্থায়ী না খুঁজে পাওয়ায়
বেচারা অপারগতা
প্রবৃত্তির দাসত্ব মাথায় করে
বৃত্তপথে ঘুরেই যায়, ঘুরেই যায় ৷
~~~~~~~~~~~~~~~
.
"উত্তিষ্ঠত জাগ্রত ! প্রাপ্য বরাণ নিবোধত ৷" - স্বামী বিবেকানন্দ
.



মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯

অনুনয়

এমন করে ভালবেসো না
যা তোমার হয়ে ওঠাতে
আরও একবার ছেদ ঘটাতে পারে !

খোলসের মধ্যে কাটতে থাকা জীবন
ছিটকে বেরিয়ে আসা কে
সাহসে খুজে পেয়ে, চিনে নিয়ে,
গতিতে ছন্দ মিলালে
তারপরও
আবারো ভোকাট্টা হারিয়ে যেতে পারে !

যে ভালবাসা তোমার বড্ডই নিজের
আপন গভীর উৎস হতে
উৎসারণের স্বতঃস্ফূর্তে
তোমাকে আমূল পাল্টে দিতে চায়
অসীমের সম্ভাবনায়,
খুব ছোট ঘড়ায় নাইবা ভরতে গেলে তাকে !
মেঘ হয়ে বারবার ভিজাতে আসবে সে
আসক্তিকে ফের ঢেকে নিতে না দিলে ।

শাম্ভবীতে নিবিষ্ট অমৃতমন্থন
প্রতিটি মানুষে ইচ্ছাটুকু মাত্র দাবী করে ।
সে সাগরে বার বার ফিরে এসো ।
বাকি জীবন
নিজেতে অফুরাণ বিশ্বাসে নাইতে চেও !
.

.
.

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

অনুযোগ

এটা কি প্রকৃত বিচার হলো ? ধর্মাবতার !

জন্মাবধি, এযাবৎ প্রতিটি আড়াই প্যাঁচের দিব্বি,
মানবতার মাথায় চড়ে
নৃশংসতার যে নিত্য অব্যাহত জয়জয়কার, -
ধর্মের মহানুভবতায়, শোণিতের পরম্পরায়,
ত্রুটিমুক্ত আত্তীকরণে,
আমরা যে তারই আকাঙ্ক্ষিত ও
অতি-স্বাভাবিক পরিণত অবতার !

নারী যারই গৃহপালিত পোষ্য হোক,
খাদ্যোৎকর্ষে -
সে তো সেই একই রকম সুস্বাদু চিকেন !

খাওয়া আগে হোক অথবা পরে
বার-বি-কিউ -
কিছু না কিছু তো প্রাপ্যই তাহার !