বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯

উত্তরসুরী

সীমায় পুষ্টি রইতেই পারে !

সীমার অধিকে
যে কোনও সম্ভোগের গতি
একতরফা নিম্নপানে !
মেদবৃদ্ধি-জনিত জড়ত্বে ক্ষয় !

সৃষ্টি একা ঊর্ধ্বপানে চায়
কাঠিন্যের স্থিরতায় !

নারী, পুরুষ অপেক্ষা তরলতর !
তারল্য-ধর্মে সে
যথারীতি ভোগস্পৃহায়
সুযোগ পেলে
পুরুষের বাঁধ ছাপিয়ে যেতেই চায় !

পুরুষ তাই চিরকাল
অমানবিকতার আতিশায্যে
"নরকের দ্বার, বেশ্যা"
ইত্যাদি শত-ভূষণ ছুঁড়ে মেরে
অযুতবার
একতরফা অপমান করে গেছে নারীকে !

অথচ
নিজেরই অসংযমের অভিশাপে
অশিবের প্রাত্যহিক দৈন্যতায়
বোঝেওনি - নারীকে একবারটি
আদরে বুকে টেনে নিলে,
সোহাগের উষ্ণতাটুকু সে পেলে,
সেই একই নদীর জল
হালকা হওয়ার পথে
উল্টোরথে সহজে ফেরে !
ক্রমশ বাষ্পীয়-নিদানে ভেসে
কৈলাসশৃঙ্গে
পার্বতীরা পুনরাগমনে যায় !

সোহাগ হতে মৈথুনের
কোমলতম দূরত্ব,
সে দূরত্বের সার্থক উপযোগ,
সে দ্বান্দ্বিক অবসরে সৃষ্টির দুন্দুভি
চেনেনি পুরুষ - আদিগন্তকাল !

অবুঝ সখার অসামর্থ্য-কারণে
তাড়ার বীর্য্যহীন তারণে
নির্মম একাকিত্বের যাতনা
সখিতে
নিরন্তর আজও তড়পায় !
.