29.09.2015
.
সেদিন নারী ও সুরা,
বলতে আজ কোনও বাধা নেই,
ছিল প্রিয়তর !
.
কঠিন, আসক্ত মোহে, ভেসে
নিজে যথেচ্ছ যেতে যেতে, তোমায়
ভেবেছিলাম, সিঁদুরের বাধ্য বেহালে
বন্দী করে রেখেছি বেশ জড় !
.
কোনও তর্কে না গিয়ে,
খোকনের ছোট্ট হাতটুকু হাতে নিয়ে,
বিশ্বাসী পা যেদিন বাড়ালে, - একা হতে,
অবাঞ্ছিত প্রশ্ন করেছিলাম
- " যাচ্ছ আমার খোকন কে নিয়ে, কেন ? "
.
ক্ষণিকের তরে থেমেছিলে,
অতি সামান্য হেসে,
প্রায় হিস্ হিস্ স্বরে, বলেছিলে
- " ও তোমার ! - এমনটাই এতদিন জানো ? "
.
বোকাই তখন, আবার প্রশ্ন করেছি - " কেন ? "
শীতল, এক ঝলক চাহনি কেবল
জানিয়েছিল - " প্রেমকে আরও অধিক চেনো !
- যা সমানে সমানে জমে ভালো ! হায়,
- এ সত্য, অতঃপর যেন
ঠকেও - বিশ্বাসে চেনা যায় ! "
.
হয়তো জানোওনি কোনও দিন,
- একলা যে পিছনে পড়ে থাকে,
দুঃস্বপ্ন আর সুতীব্র অভিমান
কতটা তাড়া করে
নিজগৃহে পরবাসী তাকে,
অসহায় একাকীত্বের
সর্পিল
জড়িয়ে নেওয়ার ডাকে !
.
তুমি তেমন পাল্টাওনি অবশ্য
দু দশকে,
চাকরি কেবল
পাল্টে গেছে থেকে থেকে ।
হাড় মাস একলা কালি করে
জোয়ালে টেনেছ বাকি জীবনের গৎ,
আর তাই,
সুপুরুষ সন্তান - পেয়েছে তোমার ছায়ায়,
স্বাবলম্বী আদর্শে,
সোনালী সুখের ভবিষ্যৎ !
.
বড় কি আমিও হই নি কিছু,
পরে ?
ইচ্ছার অশালীন ভাষা,
( যেন ছিলামই এক অবিকল চাষা, )
সেই তারপর থেকে,
চিরতরে পাল্টে নেওয়ার হাত ধরে ?
.
তোমাকে আজকাল
ক্লান্ত দেখায়, বুঝি, প্রতি ভোরে !
'ভালোই তো বাসতে চেয়েছিলে'
- সে সত্য ভুলতে না পেরে,
আমাকেও
আত্মগ্লানি তাড়িয়ে বেড়ায় অবিরত !
এ ভরা বিকেলে সাধ হয়
অনেকটা সাহস বুকে ভরে
আরও একটিবার সামনে পৌঁছে যাই !
তোমার পুরানো দুহাতে
মেহেন্দির নতুন গয়না পরিয়ে দিতে
নতুন করে আর একবার হাত বাড়াই !
.
যদি সুযোগ, ভুল করেও, আবার দাও,
বিশ্বাস - নতুন করে যদি করো,
ক্ষমা - অক্ষমকে করে দিতে
লাল টিপ - কপালে যদি তখন ফের পরো,
দেখবে,
বলতে তোমাকে হবেই শেষে, হেসে,
.
- " খোকন !
কাকুটাকে - দ্যাখ, আজও পাগল কেমনতর !
গায়ের জোরে,
সেই - আমাদের হারিয়ে দিয়ে,
বাবা তোর হতেই হলো, শেষে আবারও ! "
.
https://youtu.be/z3UHfi9vpbc
.
.________________________
.
.