শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৮

ভরন্ত

নিজেকে ভাগ করে করে মানুষ
অবিরাম আরও ছোট হয়েই গেছে !

নিজেকে ছোট ছোট হাতে
প্রথম থেকে নতুন করে জোড়ো !
জুড়তে যোগ্য সময় দিয়ে
অভঙ্গুরে গড়ো !

গড়তে চেয়ে খোঁজো
খুঁজতে চেয়ে ছোটো !
ছুটতে ছুটতে প্রাণের আনন্দে
দুহাত তুলে নাচো !

বাঁচো, ও মানুষ, দ্বিধাশূন্যে
উজ্জীবনকে জীবনে ভরে বাঁচো !

অতৃপ্তা চিরন্তনী

বাস্তবের নারীটি
ঠিক - কি, কেমন ক'রে চায়
সেদিকে আগ্রহের সীমা অদূর,
হে সুদূর পৌরুষ, বোধের বিষম পরিসরে
ভালবাসার তর্জমায়
নিছক কল্পনা আর
আবেগের ডানায় ভর করে
নারীর জন্য
স্বর্গের পারিজাত আনতে যাও ?
একটু দাঁড়াও ! অযাচিত করুণা ফেরাও !
কল্পনা-জনিত আবেগে ক্ষান্ত দাও !
.
নারী - বিফল প্রেমে আগ্রহ হারালে, তাকে
কুহকিনী, ছলনাময়ী, এইসব নামই তো দাও !
'অনুভব' - তোমার প্রবৃত্তির সীমায় নয়
ভিন্ন মাত্রায় একই গ্রহে পাশাপাশি বাস করে !
আপন উত্তেজনাটি একতরফা মুখ্য করে
মূর্খ, হেঁটে যত গেছ,
বেঁটেও তত হতে থেকেই যাও !
নিষিদ্ধ ছিল না বিনিময়, অথচ,
শেখোনি আজো দীর্ঘ সন্তরণ তাও !
.
কে তার ইচ্ছার পথটি চিনে -
তাকে ছুঁতে পারে উদ্দীপন-দক্ষতায় -
দেরী হয় না তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ে কখনো
সে বার্তা ধরা পড়াও !


এর পরে একদিন অবশেষে
বিশ্বাস, - সিঁড়িতে উঠে এলে নির্ভরের বেশে
ভালবাসার শেষ কথাটি, তাই, ফেলেও ব'লে -
"সীতার গণ্ডী ভুলে

সহানুভবের গীতায় উদ্ধার হ'লে
তোমার গাণ্ডীবে আমাকে লব আর কুশ পেতে দাও !"