একদিন সাচ্চা ভালবেসেছিল
আর তাই নিত্য নূতন সম্প্রসারণে
নিজেকে উপভোগ করেছিল
উদ্ভিন্ন সৃজনে,
নব কলেবরের নিরন্তর কলরবে ।
সে ছিল অঝোর বৃষ্টিতে
হাতে হাত ধরে দৌড়ে যাওয়া
উদ্দাম আনন্দের দিন ।
তবে, সে সাচ্চা প্রেমের ফাঁকে
লুকিয়ে ছিল যে না ফিরতে জানা
বেলাগাম অধিকারবোধ,
সময়েরর সাথে সাথে
দাম্পত্যের প্রথম মাতে
শরীরের দেরাজ খুলতে শিখে গিয়ে,
তারা কালে কালে
ব্যতিব্যস্ত ও অপ্রতিরোধ্য হলো ।
বিপরীতে যেহেতু ছিল না সাড়া
দুনৌকা-জনিত আপোষে কোনওদিন,
ফলতঃ, একতরফা অবদমিত কামনা
উদভ্রান্ত করে তুললো আপন যাপন ।
অতৃপ্ত বাসনার মরীচিকা ভুলিয়ে নিল
অবধারিত কিংকর্তব্যবিমূঢ়তায় ।
পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে
বিচক্ষণতায় পাল্লা দিয়ে
নিজেকে বিলক্ষণ পাল্টে নিতে না পেরে,
কবি অতঃপর একটু একটু করে ডুবে গেল
ব্যর্থ কবিতার
দ্বর্থক অনর্থের অনাবশ্যক চোরাবালিতে ।
সলতে ফুরিয়ে এলো অনুভবের আলোর,
ফিরে ফিরে আসা অমাবস্যার রাতে
অক্লান্ত দীর্ঘশ্বাসে ক্লান্ত উষার
ঊষর প্রতীক্ষায় ।