জীবনকে অবলোকনের ভঙ্গিমা
ও পরিপ্রেক্ষিত
এতকাল প্রায় একইরকম ছিল,
যখন দেখতে চাইতিস সবকিছু
মানবিকতার আর যুক্তিবিচারের
নিছকই তার্কিক পরিসরে ।
যে বয়সে শ্রমিকরা রিটায়ার করে,
তার থেকে মাত্র মাস-দুই আগে
নিজেকে একশো আশি ডিগ্রী ঘুরিয়ে নিয়ে
চিনতে চাইলি জীবনকে, নতুন করে,
অহমিকাহীন ও প্রমাণ-বিমুখ
সংবেদনশীলতার পরিসরে ।
অনুভব তীব্রতর হ'লে
পার্থিব লাভ কিছু হোক বা না হোক
চরিত্রে গভীরতা বাড়ে ।
সুরের নিবিড় মন্থন, তখন
দরদের পূঙ্খানুপুঙ্খ অভিসারে
অবিকল জীবন্তের ছাঁচে
প্রকৃষ্টতর শিল্প রচনা করতে পারে ।
অথচ, দ্যাখ, জানিসই না
আরও কত-শত সৃষ্টির বাকি এখনো,
আকস্মিকরূপে ফিরে আসা
প্রণয় ও সমর্পণের
এ ভিন্ন সংবেদের উপচারে ।
ভালবাসা
নতুন সুরে লিখতে হতেই পারে ।
হয়তো বা,
যে বিরলতর পুরস্কার ও অভিবাদন-রা
না-ছোঁয়ার দেশে রয়ে গেছে, এ অবধি,
তারা এবার
যোগ্যতর আর তেমন না খুঁজে পেয়ে
একে একে বাধ্য ঠাঁই নেবে
তোরই করকমলে ।
কার নিয়তি, কখন যে বাঁক নেয় কোনদিকে,
কে আর বলতে পারে ?
প্রাপ্যের অপ্রতিরোধ্যতার কাছে
জীবনের কার্পণ্য, অবশ্য,
একদিন না একদিন অবশ্যই হারে ।