শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৮

অনলীক


দৃষ্টিভেদে ভেদ শ্রেষ্ঠ পরিলক্ষিত হয়

মানুষে মানুষে !

সুন্দরের সংজ্ঞা পাল্টে পাল্টে যায়

সৃষ্টির হরসে !

.

এক এক জন এক এক উত্তরণে

অনাবিলকে খুঁজে পায় !

ভিন্ন চারা, ভিন্ন রূপের ফুলে ফুটে

মনলোভা খবর পাঠায় !

.

যে গাছ যে ছন্দে বাড়তে চায়, তাকে

সেভাবেই ফলতেও দিও !

কল্পনার মত করে নয়, কবি, নিগূঢ় 

চাহিদা চিনে বাস্তবে ভালবাসিও !

.

বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮

আপাতঃ ও প্রকৃত

নিঃশব্দে জানো - অর্থবল

উদারতম পরিসরে

একা তোমার নির্দেশে নতজানু আছে


আর ভিক্ষুক মানসিকতা

বন্ধক দিতে রাজি আপন হৃদয়

আগবাড়িয়ে, অনুদানের কাছে !


তুমি তাই সশব্দে পয়সা ছড়াও 

আর মানুষ তোমার মহত্ত্বের ছায়ায়

কৃতজ্ঞ উলুধ্বনির যৌথতায় বাঁচে


জমতে থাকা তোমার গুদামঘরে

একটিমাত্র অঙ্গুলিহেলনের অপেক্ষায় -

বিবেকে ক্রীতদাস তারা - অজস্র হারে


সরাসরি বাজারে বেচতে নিজেকে,

ক্ষমতার হাতকে শক্ত করতে আরও,

করে যেতে, বিনীত চিত্তে, বারে বারে


নিয়ম করে, নতুন হারে, উৎপন্ন হতে 

তোমার মালিকানায় অধিকৃত

অদৃশ্য কারখানার বেদরদী আঁচে !

.

শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮

পাখি ও পেখম


মজুতে 

গোলাভরা, সুবাসিত, রাশি রাশি ধান !


মানুষ তবু ঘর ছাড়ে পায়ে পায়ে ৷

অজানার অন্বেষণ যেই

সুদূরে ডেকে নিয়ে যায় তাকে

বহতা নদীজলে


একবার ভুস করে ডুবটি দিয়ে

স্বচ্ছতার বরে

স্নিগ্ধতায় ভিন্ন প্রসন্নতা পেলে,

ফিরে যেতে ফের, সময় হলে,

বুকে ভরে পরাণের একান্ত অনুপান !


সব ঘরেরই - কালে কালে

বাপের বাড়ির দায়ে পরিনতি-অভিযান  !

মাতার বিবশতা জানে 

পিতার ঠিকানা আদি নাও হতে পারে,

সন্তানসমের অঞ্জলিতে, গ্রহণের নিমিত্তিতে,

যদিও জমার কথা - বায়নায়

আহরণ নিবারণী সুগভীর অভিমান !.

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮

বিজয়া

কি পাই, কি পাই, - অপেক্ষারা

ভিখারি করেছে শুধু - আমাদের 

অবিরত অভাববোধের ভারে !

তোমাকে বসিয়ে রেখেছে পথের ধারে

আমারও তৎসম শূন্যতা, বক্ষে,

উদর-প্রান্তে, অধর-প্রান্তরে !


পরকে দোষী করে

বৃথাই পার পেতে চাওয়া বারেবার

ব্যর্থ অভিনয়ের দ্বারে !

পৃথিবীতে দুর্বলই নিয়মানুসারে হারে !


ভরসা যদি পারো, তবে হাত ধর !

চল, আমরা উঠে দাঁড়াই আবার 

আপনহিতকরে, ভিক্ষুক চাহিদাদের 

অদূর সীমাটি পার করে

অর্জনের নিষ্ঠাশীল দ্যোতনায়

কষ্টকে স্বেচ্ছার আমন্ত্রণ-ঔদ্ধত্ব্যে,

পাওয়াকে নিশ্চিত করার দুর্লভ নিয়ন্ত্রণ

সার্থক শিকারে,

সুন্দরকে 

নিরন্তর করার অকৃত্রিম শপথে,

ঊর্ধ্বচেতার আত্মবিশ্বাসী অট্টহাস্যে

আজন্ম অধিকারে !


বন্ধ্যা সৌজন্য-মাত্র ছেড়ে

চল, ভালকে প্রবলতর ভালবাসতে 

নূতন করে শিখি - পরাণ ভরে !

.

রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮

মুখোমুখি

যুক্তি-বুদ্ধির প্রমাণ-প্রমুখ সব মাপজোকদের
পোঁটলায় শক্ত-মত বেঁধে
মাঝে মাঝে সটান ছুঁড়ে যেই দিই
যাবতীয় লাভ-লোকসান সহ
জীবনের গণ্ডি হতে
ন্যূনতম বিরাশি ক্রোশ দূরে

তখন মুক্ত আমি ! মস্তিষ্ক-সর্বস্ব
সৃষ্টি হোক অথবা সমালোচনা,
কারোরই আর বিশেষ দাপট অবশিষ্ট নয় !

ট্রেনের সিঙ্গেল সিটে পা ছড়িয়ে
একার প্রসন্ন ভরসায় জানলার এপারে বসে
আর ওপারেতে ক্রমাগত
পাল্টে পাল্টে যেতে থাকা বর্ণালী -

আমারই অতি প্রিয় মানুষগুলোর
নিবিড় নিষ্ঠায় সৃজিত
বিরামহীন অজন্তা ইলোরার স্থাপত্যে,
দেওয়াল পেরিয়ে দেওয়াল পরিক্রমায়,
দরদী অনুভবের শিল্পিত চালচিত্রে
প্রতিবিম্বিত হতে থাকা
পরাণানুপানের মেদুর অব্যয় !

নিছকই ভ্রমণরত
মুক্তির সে অবাধ অবাধ্যতায়
হারিয়ে যেতে যেতে
ভাললাগারা তখন
বিনা দ্বিধায় ঘনীভূত হতে পারে
পরতে পরতে
ভালবাসার ছাঁচে তুলতে থাকা
ক্যাডবেরি ক্যারামেলের বৈধতায়,

তেমন অবসরে - যেথা
প্রতিক্রিয়াদেরও নেই তাৎক্ষণিকের বেগতিক দায় !
.

 

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮

বিপন্ন শর্বরী

আটকে পড়ে থাকা অসহায়তায়
প্রকৃতির নিষ্করুণ জালে !
কবে কি পেয়েছ কোন কালে
হিসেবও নেই তার !
শুধু জানো - ফেলেছ ভালবেসে ।
সুতরাং উপায় নেই আর
তোমার আবশ্যিকের অনুসরণে
সে সত্য কোনও মতে এড়াবার !

বাধা আরও আছে
রয়ে আংশিকের অনধিকারে !
পারো না বাহির হতে
হাতের চূড়টি কেবল খুলে দিতে
অথবা গলার সাতনরী হার !
তোমার দিতে হলে
প্রবেশ-পত্র শুধু দিতে হবে
অন্তরে, অকাতর জোয়ারে
সুখের সখ্য-বিবশে
পূর্ণ অধিকৃত হওয়ার অধিকার !

কালের কল অযাচককে টানে
চরৈবেতি নিয়মে !
তুমি হাঁসফাঁস কর জালের বিষময় তলে
আর
সকরুণ বেণু বেজে ওঠে বার বার -

"হে অনাগত ! নও যে এ পরাণে বহিরাগত
সেটুকু যদি না বোঝো
মেনে নিতে হবে শুধুমাত্র বাঁচতে চাওয়াকে
নিঃসম্বলের হার ।

বাঁচিয়ে রাখা আজও উপহার !

ফেরো সহাস্যে, হে,
এ সবরমতী তীরে, নির্জন কুটিরে
বৃতি-আবৃত সুবাসে
নিঃসংশয়ে  - একটিমাত্র বার !"
.



বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮

চম্পক তীব্রতা

নারীজনম হলে - স্বভাবে সংযম !

পুরুষের প্রবণতা হতে পার্থক্যে অবস্থিতা !


তবে

ভাল একবার বেসে ফেললেই

ওমনি ফুঁসে উঠলো নদী,

ছিঁড়ে গেল এযাবৎ ঘাটের সাথে

প্রতিটি বাঁধন,

ভেসে চলার নিয়ন্ত্রণ-হীনতায়

সে তখন নিবিড় উন্মাদ

রহস্যময়ী, চির-অপরিচিতা !


বৃক্ষ তাই হতে পারেনি সে -

তার শিকড় - গভীরকে

স্থিরতার মুষ্টিতে কখনো

আঁকড়ে রাখতে পারেনি ব'লে ।


অবশ্য, চায়নিও

সুন্দরতরে সমর্পণ-তৃষায়

স্রষ্টার অলঙ্ঘ্যের বিনীত অনুসরণে

অনাদি অপেক্ষার গর্ভ-কারণে

 

- যেমনটি লতা !

.

মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৮

দীক্ষা

পেলে কি হতে পারতো
সে কথা খুব ঘন ঘন আর ভাবি না এখন !
.
না পাওয়াদের পরতে পরতে বরং
অভিমানদের আহ্লাদিপনাকে প্রশ্রয় দিই আর
দীর্ঘশ্বাসদের থরে থরে সাজাই !
তোমার করুণা আমাকে ভাবতে পারে - বড় একা !
অথচ, আসলে, আমি আদৌ আর একা নই
আমি যে ভালবাসার সোহাগে পদে পদে পাশে রই !
.
অবসাদ আমার উত্তেজনাদের শান্ত করে !
উপরতলের সাময়িক বুদবুদের
ফেনিল অস্বচ্ছতাকে পেরিয়ে
বিরহ
দৃষ্টিকে জীবনের গভীরে নিয়ে যায় !
.
সে এক ভীষণই অন্য জগৎ, জানো !
শেখার কত যে নূতন,
যদিও তারা জলের অনেকটা তলায় !
.
সেখানে স্থিরতার নিয়মাবলী লেখা আছে !
লেখা আছে - সরলরৈখিক হলেও
কোথাও তীক্ষ্ণ বাঁক থাকতে নাই !
.
জীবন - গভীরকে ভালই বাসে বরাবর !
বুঝিনি আগে,
অথচ পরাণটি মেলতে পারলে - আমাকেও
অনেকটা মায়ের মত
কোমল নমনীয়তায় দুহাত ব্যকুল বাড়ায় !

তুমি তো তখন অনেকই দূরে
তাই জানতেও পারো না
ভালোবাসায় তখনো আগুণ যথেষ্টই রয় বেঁচে
তোমার সোহাগিনীকে কষ্টের পরীক্ষায়
পুড়িয়ে পুড়িয়ে
কি ভাবে আরও শুদ্ধতায় নিখাদকে ছুঁতে দেয় !
.

রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

কৈফিয়ৎ নাই


অর্কেস্ট্রা_________রণদেব দাসগুপ্ত


আমাদের একটা অর্কেস্ট্রা চাই


যারা একা একা গান গাইতে চায়

যারা একা একা ছবি আঁকতে পারে 

একা একা কবিতা সাজাতে জানে যারা তাদের সেলাম _ 

কিন্তু আমাদের একটা অর্কেস্ট্রা চাই


মধ্যরাতে ফুটপাথে পুলিশ যাদের লাথি মারে  

উড়ালপুলের নিচে 

যাদের গ্রাম ফ্যালফ্যালে চোখ  

যাদের অবোধ হাসি দা ভিঞ্চি আঁকেননি কখনো 

তাদের জন্য একটা অর্কেস্ট্রা চাই আমাদের 


নরম শিউলির গন্ধে সবার ভোর লিখতে চায় যারা 

আরতি আজান আর ক্যারল ডিঙিয়ে  

যারা শুধু ভাত গাইতে চায়

গরম রুটির বুকে লিখতে চায় পৃথিবীর নাম

 
তাদের জন্য একটা অর্কেস্ট্রা চাই 


ছেলেটির ঘুমচোখে দিগন্ত জাগুক

মেয়েটির এলোচুল আগুন জ্বালাক 

স্ফটিকের মতো দিন ডেকে নিক বৃন্দগান 

সমস্ত বাদ্যযন্ত্রে ছুঁয়ে যাক যৌথ স্বরলিপি 
আমাদের আশ্চর্য অর্কেস্ট্রায় বেজে উঠুক প্রেম ও পতাকা 
তুলি ও কলম আছে কন্ঠ আছে ক্যানভাসও আছে  

মঞ্চ আছে , যন্ত্রণাও আছে 

 
শুধু একটা অর্কেস্ট্রা চাই আমাদের ।~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~.


কৈফিয়ৎ নাই_____Arup Sarkar


অর্কেষ্ট্রা ছিল না কোনদিন

এমন তো নয় ! ছিল ! 

 

সাড়া - বিবেকে বিবেকে জেগেছিল ! 

স্লোগানে স্লোগানে প্লাবনের তোড়ে 

সর্বহারার জয়গান 

একদিন বাঙালির সর্বাঙ্গে বেজেছিল !

 

কত কত তরুণ, যুবক,

তাদের ঘাম, রক্ত, প্রেম আর 

জীবনের অমূল্য সময়

বিনা দ্বিধায় উৎসর্গ করে গেছে 

বছরের পর বছর ধরে 

অকপট বিশ্বাসে !


তাদের প্রৌঢ়ত্বে আজ

দশকের পর দশক ধরে 

বাড়তে থাকা প্রবঞ্চনা - সঞ্চয়ে শুধু,


অর্কেষ্টার 

অভিযোগের অজুহাত-তীর 

একতরফা  

অপরে তাক করে রাখার চতুর অভীপ্সায়


সুদূর কারণের অস্বচ্ছতার কারণসুধায় 

জনগনকে মাতালে-বেতাল রাখতে পারার  

নিগূঢ় অভিসন্ধিতে


আপন অকর্মন্যতা আড়াল করে,

ধূর্তের যেনতেন প্রকারেণ  

গদিটি কেবল দখলে রাখার নীতিতে

 
সাধারণ মানুষের 

চৌঁত্রিশ বছরের বিশ্বাস উজাড় করে দেওয়া  

নেতৃত্বের সুযোগ দুহাত ভরে পেয়েও 

প্রকৃত বিপ্লবে

ফলহীনতার চরম শঠতায়,


যুগের পরাবর্তে

ইতিহাস হতে বাস্তবের শিক্ষায় 

একালের জনমানসে

মুখোশ-সর্বস্ব মাকালের 

ক্ষমতালোভী বাতেলার প্রতি 

অতি স্বাভাবিক আগ্রহশূন্যতায়


কালের করালে 

অসৎ এর অসত্যের পরম্পরায়

হে বন্ধু, বিবেকের নিরুপায়ে 

দীর্ঘশ্বাসের নির্লিপ্তি শুধু ছায় !.

শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৮

হে মানবজীবন

আমি তো বলিনি
ভাল না বেসেও
পরাণাবাসকে
আলো-সুবাসিত রাখা যায় !
.
আমি কি ঠেলেছি
অন্তর্যামীর পারা
তোমাকে
হামি দিতে নিরুপায় ?
.
আমি তো বলেছি
যত খুশি, যত ভাবে খুশি, ছুঁতেই পারো
শুধু যদি চাওয়া বিকাশের
যৎসামান্য ঊর্ধ্বলোকে, সুন্দরতর !
.

মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১৮

প্রীতিস্পর্ধ

হে চিরপরিচিতা, হে সমর্পিতা,

তোমাকে যে কথা আজও হলো না বলা,

প্রথমে জানতে হয় - কেমনে কাছে

আর কোন প্রবীণ দীনে - আরও দূরে !

 

বোধকে বোঝের ভ্রমে

মানব জনমের দোষ ভেবে নিও না সহসা !

প্রকৃতি হতে পুরুষেই বিবর্তন-দিশা !

বিপরীতে, ক্ষয়ে কোন ক্ষেত্রে নয়,

সৃষ্টি হতে একমাত্র মহাশূন্যে

শক্তিতে পরিণত হয় যে মেশা !

 

তাই তোমার শ্বাস দীর্ঘতর যুগে যুগে

মাটির মূলকে খুঁজে না পেয়ে স্থূলে!

সে রাখেনি আসক্তি-শিকড়,

আসেনি সেখানে চিরস্থায়ী

রয়ে যেতে মেতে ভুলে !

 

যাকে পেয়ে দোঁহে

পাওয়ার সুখ পারেনি অনন্ত হতে

তাকে খুঁজেছিলে হয়তো সাময়িক মোহে !

 

আর যাকে আকুল নিবিড়ে -

সে অস্তিত্ব - মাংসল পারে নি হতে !

তার নিবাস সূক্ষ্মতরে, হে প্রিয়া, তাই

অধোগতি মতি হলে - নিরুপায় মানা ছুঁতে !

 

অবিরত সূর্যালোক বরষে

আত্মবিশ্বাসের সুকোমল হরষে

একার একাকিত্ব-হরণী প্লাবন যে সে

সমকালীন চন্দ্র-দোষে দুলে

অনুভবের বরে

স্বরচিত অক্ষয় বিরামাগারে

তোমারই

চিরস্বাধীনতা-বিলাসী অন্তঃপুরে !

.


অথঃ মানবিকতা-কথা

প্রতিটি আঘাত - অতি আবশ্যিক ভাবে

প্রত্যাঘাতের বীজটিও বোনে,

জমিয়ে রাখে সময়ের করালে,

ফিরে পেতে - পূর্ণতর শক্তিতে

একদিন হেরে যেতে - আবার

নিয়তির

দাবার গুঁটি পাল্টে দেওয়ার কালে !

.

অথচ মার খেয়ে,

দীর্ঘদিন যাবৎ মার খেতে খেতে

সহনশীলতার ব্যায়ামে

সহ্যকে শক্তিতে পাল্টে নেওয়ার সকালে -

.

"তোমার মারে

নতুন কিছু আর হওয়ার নেই - আমার"

.

সেকথা

পাল্টা প্রত্যয়ে ঘুরিয়ে ফেরত দিলে

হীনমন্যতা আরোপে

তার আত্মবিশ্বাসকে অবধারিত পতনের দিশায়

ঠেলে দেওয়া যে যায়

- সেকথা ইতিহাস ঘেঁটে সুযোগ-মত জেনো !

.

এরপরে, খুব বেশি কিছু করার থাকে না আর !

একবার চোখ পাকিয়ে "চোপ" বলে বকে দিলে

যত বড় নামডাক থাক তার বোকার বাজারে,

তোমার বাঁশে

আপনে ডুবন্ত আবিলে - সে

ল্যাজটি গুটিয়ে কেটে পড়ে অন্য বিলে !

.

তার তূণের সব অস্ত্র ফুরিয়ে দিলে

তোমার হাতের একটি মাত্র ঘাসের টুকরোও

ব্রহ্মাস্ত্র হতে হয় - রাজার বাধ্য মাতে

বোড়ের অতি সামান্য সে চালে !

.

মানুষ, সেই কবে থেকে

কত কত বড় বড় ভাষণ রচনা করে !

বোঝে না - এ সামান্য সূত্র

দোসরা অক্টোবরের সকালে !