বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মন্থন

গভীর ভাল না বাসলে এত এত দূর্লভ অনুভুতির গান বছরের পর বছর ধরে লিখতে পারা কী আদপে সম্ভব ছিল ? রবীন্দ্রনাথের প্রাণের সবচেয়ে কাছের বন্ধু কে ছিলেন ? কে ছিলেন তার প্রিয়তম প্রেমিকা,

যাকে পেতে বারবারই তাকে পালিয়ে যেতে হতো নির্জনের নিশ্চিত আড়ালে ? তিনি সেই সুন্দরতর-কে পেতেন বুঝি একমাত্র সেখানে, নিবিড়তম পরশে ।

 রবীন্দ্রনাথ নিজেকে বলতেন "কাছের আমি" আর আপন অতৃপ্ত সৌন্দর্যবোধের অবিশ্বাস্য আকুতিতে যাকে সৃষ্টি করতেন, নব নব রূপে, বারংবার, তিনি তার একান্ত সহযোগী "দূরের আমি" । 

"কাছের আমি" যখন পুরুষ, "দূরের আমি" তখন নারী, আবার "দূরের আমি" যখন পুরুষ-রূপী, "কাছের আমি"-টি তখন অবধারিত পাল্টে গেছে বাধ্য, বিনীত, নারী-তে । কে যে কখন মন্থন শুরু করে আর কে যে সহযোগের বিরল সুযোগ পেয়ে, পরমানন্দে মথিত হতে পারে - তার কি কোনও বাঁধাধরা নিয়ম রইতে পারে ?

নিছক কারুবাসনায়, আপন জীবনকে সুন্দরের নিকটে নিঃশর্ত সমর্পণের মরীয়া তাগিদে, 'যাপনে - 'একাকীত্বের আশীর্বাদী সুযোগ' রবীন্দ্রনাথের মত নিয়েছেন আর কী কখনো, কেউ, এমন বিপুল ক'রে ?

মন্থন

ভাল না বাসলে এত এত দূর্লভ অনুভুতির গান বছরের পর বছর ধরে লেখা কী আদপে সম্ভব ? রবীন্দ্রনাথের প্রাণের সবচেয়ে কাছের বন্ধু কে ছিলেন ? কে ছিলেন তার প্রিয়তম প্রেমিকা,

যাকে পেতে বারবারই তাকে পালিয়ে যেতে হতো নির্জনের নিশ্চিত অবসরে ? একমাত্র সেখানে বুঝি পেতেন তিনি সেই সুন্দরতর-কে, নিবিড়তম পরশে ।

 রবীন্দ্রনাথ নিজেকে বলতেন "কাছের আমি" আর আপন অতৃপ্ত সৌন্দর্যবোধের অবিশ্বাস্য আকুতিতে যাকে সৃষ্টি করতেন, নব নব রূপে, বারংবার, তিনি তার একান্ত সহযোগী "দূরের আমি" । 

"কাছের আমি" যখন পুরুষ, "দূরের আমি" তখন নারী, আবার "দূরের আমি" যখন পুরুষ-রূপী, "কাছের আমি"-টি তখন অবধারিত পাল্টে গেছে বাধ্য, বিনীত, নারী-তে । কে যে কখন মন্থন শুরু করে আর কে যে সহযোগের বিরল সুযোগ পেয়ে, পরমানন্দে মথিত হতে পারে - তার কি কোনও বাঁধাধরা নিয়ম রইতে পারে ?

আপন জীবনকে সুন্দরের নিকটে নিঃশর্ত সমর্পণের তাগিদে, 'যাপনে - 'একাকীত্বের আশীর্বাদী সুযোগ' রবীন্দ্রনাথের মত নিয়েছেন আর কী কখনো কেউ এমন ক'রে ?

বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ছেদ

বারো বছর পূর্ণ হ'লেই 
তাকে দীর্ঘ এক যুগ বলে ।
অথচ, একটি সুসজ্জিত ফ্ল্যাটে
দীর্ঘ পনেরো বছর বাস করার পরেও
বাসস্থানটিকে কোনও মানুষের
ক্রমশঃ "নিজের ঘর" মনে না হতে পারে ।

আসলে, যাদের সাথে বাস এযাবৎ,
সেই মানুষগুলির মধ্যে ধূর্ত অসহযোগ
ও সস্তা বাংলা সিরিয়ালে দেখা মানবেতর রুচির 
ক্রমাগত কুটিল ও কোপন চর্চা,
পনেরো বছর পরেও, হঠাৎ কাউকে,
প্রবল পরাক্রমে, অন্যত্র বাস ও অন্য সহযোগী, 
খুঁজে নিতে বাধ্য করতে পারে, 
বিবাহ-জাতীয় বন্ধনকে 
এক মুহূর্তের আপোষহীনতার সিদ্ধান্তে 
চিরতরের জন্য অতিক্রম ক'রে ।

স্বভাবে সহানুভূতি-প্রবণ, সহনশীল 
ও সংবেদনশীল মানুষেরও
ধৈর্যের বাঁধ একবারটি উপচে গেলে
সে অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন 
ও অনমনীয় হতে পারে
তেমন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে ।

সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

চাহিদা

"মোহের আচমকা শরে বিদ্ধ হয়ে
পড়ে গেছ মধুর অথৈ ভাণ্ডারে আর
তোমার মধ্যে
সহসা জেগে উঠেছে তাথৈ-হাবুডুবু আবেগ,
যে ভাবেই হোক, তাই
দ্রুত আপন অভীষ্টকে মুঠোয় পুরে 

ভোগের আদিম কর্ষণ চাই-ই-চাই !"

আরে ভাই
এমনতর ছেলেখেলা নিছক কামনা হতে পারে,
তবে, আর যাই হোক, মহৎ বা শিক্ষণীয় প্রেম নয় ।

পৃথিবীর মা-দের দেখে অবিচল সত্যকে চেনো,
পাওয়ার লোভ পেরিয়ে শুদ্ধ দেওয়ার পরীক্ষায় ।
স্বার্থ-ত্যাগ বিনে ভালবাসাকে সার্থক করা যায়?

শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

THE VICTORIOUS

শিখতে চাওয়া

নিয়ত উত্তরণ-ক্ষম 
এক অফুরাণ সম্ভাবনার নাম - মানুষ ।

এ কোনও মুঠোয় পোরার নাম নয় ।
ভালবাসলে, ভালবাসার মানুষটির জগৎকে
নিষ্ঠা-ভরে, ক্রমশঃ আরও শিখতে হয় 
নিজের সাথে নিজের 
বিরামহীন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

তা না হ'লে, 
অন্তরের ভাব বেখেয়ালে পাল্টে গিয়ে
মোহের বেলুন একদিন 
আপনা-আপনি ফেঁসে যায় ।

বাসন্তী সুর

তোমার ভালবাসা আমার ঘর ।
পথে - সাথে খেয়ালি অবসর ।
পর্দা সরিয়ে টুক করে
ঢুকলে বীণার টংকারে,
আছে - ক্লান্তি-মোচন আগ্রহে
রাত-জাগা শব্দের আদর ।

এসে যে ছিল, সে ভবঘুরে । 
অনুসরণে বেরোলে ঘর ছেড়ে !
বুঝলে - খোলা হাওয়া কীভাবে মেশে
বুক-ভরা সহজ শ্বাসে,
আলোর চাষ যেই পাল্টে নেয়
ভুলের - 'আপন-পর' ।

মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

Pure Power

Dignity claims extreme choosiness.
Anything and everything is never acceptable.

A powerful mind knows how to remain vacant. 
A vacant mind is never idle. 
It rather remains busy 
in mercilessly rejecting 
each and every thought-garbage 
and silently grow and enlarge 
it's reserve of mental energy, 
such that, it can bulldoze, any moment,
any amount of obstruction 
between it and it's principal purpose. 

রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সীমায়িত

রবীন্দ্রনাথের পারা ঋষিতুল্য-রা 
অবধারিত ব্যতিক্রম ।

যে কোন একজন সাহিত্যকর্মীর লেখা
বেশ কিছুদিন ধরে অনুসরণ করলে
বেশ বোঝা যায়
কোন কূপে অসহায়-রূপে আটকে পড়ে 
চক্রাকার আবর্তে
ঘুরপাক খেয়ে চলেছে চিন্তা তার বারংবার ।

কোনওমতে, একটিবার বাইরে বেরিয়ে,
নদী বেয়ে এগিয়ে গিয়ে
সাগরের সন্ধান সে কিছুতেই পাচ্ছে না ।
তার মানে, তার 
এ জনমের সুন্দর-সৃজনের কাজে
হতাশাজনক ইতি এখানেই ।

অভ্যাস-জনিত "আসক্তির বন্ধন কাকে বলে"
"আপন গতানুগতিকতাকে কিরূপে ভাঙতে হয়"
সে বোধ কেবল ঋষিদের সহজিয়া শ্বাস ।
শিল্পীদের, অবশ্য, বিষাদকে মহৎ করলেই চলে ।
প্রতি পরবর্তী বাধায় 
উদ্ধারের সম্পূর্ণ নতুন দিগন্তটি খুঁজে নিতে
গীতায় অর্জ্জুনকে কেন যুদ্ধের আগে
নির্লিপ্তির শিক্ষা গ্রহণ করতেই হয়,
বিদ্বান কবিদের সেকথা বোঝানো চলে না ।

বিপ্লব সার্থক একমাত্র আপন উত্তোরণে

বিপ্লব একাকী অপেক্ষায় থাকে 
মানুষের ব্যক্তিগত উত্তরণের দুয়ারে ।

আপন আসক্তি
আর সুবিধাবাদী স্বার্থদের হারাতে না পেলে
তাকে শিকারীর মত ওৎ পাততে হয় ।
সে খোঁজে পরের প্রতি দোষারোপের
সুচতুর সুযোগ আর
ধূর্ততম গন-শোষণের আবশ্যিক হাতিয়ার রূপে
সাজানো মিছিল আর ফাঁপা জিন্দাবাদ ।
ক্ষমতার রাজনীতি উপকারে লাগেনি কখনো
আন্তর প্রগতিতে তোমার ।

বিপ্লব একাকী অপেক্ষায় থাকে 
মানুষের ব্যক্তিগত উত্তরণের দুয়ারে ।

মধুরিমা

যেভাবে কল-কল ক'রে বয়ে চলে জল
পাহাড়ি ঝর্ণার
ঠিক তেমন ক'রে কথা বলতে শুনেছিলাম
প্রাণোচ্ছল তোমাকে, অন্য কারও সাথে ।

ভাগ্যিস আমার সাথে নয়,
একাগ্র মনযোগের হাতে হাত রেখে
নিখুঁত রেকর্ডিং করতে পেরেছিল তাই
স্মৃতির আগ্রহী নন্দনকানন ।

আজ কখনো তেমন গলা শুনতে পেলে
চমকে তাকাই আর খুঁজি সেই তোমাকে ।
কিছু না পাওয়া, অদ্ভুতভাবে,
বিরলতম সংগ্রহ হয়ে রয়ে যায় মানবজীবনে ।

ভাগ্যিস বলতে আসো না 
"সে তো বহুকাল আগের কথা,
এখন বয়স ছিনিয়ে নিয়েছে অনেকটাই,
যথানিয়মে ।"

শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আশ্রয়

পাওয়ার লোভ ধার ধারে নি 
কদাপি কৃতজ্ঞতার ।
মূল্যবোধের নান্দনিকে পিছিয়ে যারা
তারা বড় বেশি অভাগা এ পৃথিবীতে ।

ভালবাসার সাথে কৃতজ্ঞতার 
সার্থক মিলনে জন্ম নেয় 
দুর্লভ শ্রদ্ধাবোধ আর অপার শান্তি ।

এরা হলো সেই অপরাজেয় কবচ
যারা অনুভবকে করে যথার্থ কন্দর্পকান্তি,
সম্পর্কের অপার্থিব অবয়বটি 
মাঝ-বরাবরে থেকে 
উজ্জ্বল আর দীর্ঘদেহী হয়ে ওঠে
মানুষদুটির বাস্তব উচ্চতাকে ছাড়িয়ে ।

অতঃপর, তেমন সম্পর্কের 
ছায়া-শীতল নিবিড় আশ্রয় 
দুটি পরাণের অবিরাম মন্থনের জন্য 
নিরাপদ ঘর গ'ড়ে নিয়ে,
চারপাশে দুর্ভেদ্য দেওয়াল তুলে দিয়ে,
মানুষদুটিকে বাঁচাতে পারে
মোহের প্রলোভন-জনিত 
বহুবিধ দোলাচলের সর্বনাশ ও অবক্ষয় হতে ।

বিবাহ যে ভালবাসার কবচ আদপেই নয়
একথা প্রতিটি মানুষকে একদিন বুঝতেই হয়
দুর্ভাগ্যক্রমে ।

শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

X-Ray Vision

একটু বেশি জীবনের গভীরে গিয়ে
উত্তর খুঁজে দেখো একটি প্রশ্নের ।
অস্বস্তিরা সহসা কমে যাবে ।

"যারা তোমাকে তীব্র-রূপে অপছন্দ করে,
হিংসা অথবা ঘৃণা অধিক যাদের,
নিজেদের তারা 
কোন অবধি ভালবেসেছে এযাবৎ ?"
পরিমাপটি 
তাদের আপন অর্জনে চিনতে হবে ।

দেখবে, রাগ হবে না আর তোমার !
মনে পড়লে কেবল হাসি পাবে ।

রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিজয়া

আচমকা অবসর, জীবনে কখনো 
শর হয়ে ধেয়ে আসে ।
বুক হতে ছলকে ওঠা রক্তকে 
প্রতিস্থাপিত করতে থাকে 
ক্রমাগত অশ্রুধারা ।

বেজে চলে একটানা মিষ্টি সুর, অথচ
কেউ তখন আর নেই পাশে 
শুদ্ধ পরাজয় ছাড়া ।

চাঁদ-সদাগরের মত 
ধরা পড়ে মুখ ফেরাতে হতেই
রজনীগন্ধারা তার করতলে, আনমনে,
একে-একে হাতে-হাত-ধরে 
কখন যে বরণ-মালা হয়ে গেছে,
হেরেছে সে যখন গোহারা
কোনও প্রকার প্রতিরোধের সুযোগ ছাড়া
এবং তিক্ত অনভ্যাসে ।

একদিন ভাসা-ভাসা আত্মবিশ্বাসে 
পিছনে ছেড়ে ফেলে রেখে 
সামনে এগোনোর অবৈধ তাড়া,
অবধারিত করেছে 
আজকে বাধ্য নিজের মুখোমুখি হারা
পরমার একনিষ্ঠ ভালবাসার কাছে ।

মানুষ কি সখ ক'রে হেরে যেতে ভালবাসে ?

নীচেরওয়ালা

শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

হতভাগা

- "বাঙালি কী করে ?"

- " বাস্তবে আত্মোন্নতির জন্য নিয়ম করে খুব কিছু করতে পারে না ।

অল্প বয়সে চায়ের দোকানে আড্ডা মারে আর রাজনীতি করে । নেতার কথায় পাড়ার ভাইকে বোম মেরে ভাবে দারুণ বিপ্লব করছে । প্রতিবাদের নামে জিন্দাবাদ আর মিছিল করে ।
তবে প্রতিরোধ করতে পারে না খুব একটা । মাঝে মাঝে অল্প মাইনের চাকরি করে ভাবে জিতে নিয়েছে জীবন । কেউ কেউ 'একদিন খুব বড় সাহিত্যিক হবে' এই স্বপ্ন বুকে নিয়ে ঘোরে সাহিত্যের খাতা হাতে ক'রে, প্রকাশকদের দ্বারে দ্বারে ।

জীবনে দ্রুত উন্নতি করতে হলে যে কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন, স্থিরলক্ষ্যে, তার ধারপাশ দিয়েও যায় না । নিজের ভাগ্যের জন্য বিরুদ্ধ রাজনীতিকে নির্দ্বিধায় সব দোষ দিতে পারে নিয়ম ক'রে ।

রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের "কাছের-লোক" হওয়ার মরীয়া চেষ্টা করে । হ'তে পারলে দুনম্বরী কামাই ক'রে কিছুটা বড়লোক হতে পারে ।"

বাঙালির গর্ভেই জন্ম নিয়েছিলেন রামমোহন, রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, নেতাজীর মত মানুষ, এসব ভুলে, আত্মবিস্মৃত, হতভাগ্য, বাঙালি জাতি এখন বিদেশী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদর্শকে খুঁজে পায় ।

উত্তরণ

সাফল্য আর ঘোড়ায় চড়ায় বিস্তর ফারাক ।

এক লাফে ঘোড়ায় চড়া যায় ।
সাফল্যের চূড়ায় এক লাফে উঠে পড়া
কিন্তু কদাপি সম্ভব নয় ।

নিছক ট্রেকিং এ 
পাহাড়ের আশেপাশে দিব্যি ঘোরা যেতেই পারে,
তবে, শীর্ষে উঠতে চাইলে
একমাত্র বিশেষ প্রশিক্ষণের পরেই
ক্লাইম্ব করার মত 
হাজারো দুর্গম সিঁড়ি পেরোনো যায় ।
আত্মবিশ্বাসের অনমনীয় পরীক্ষায়
লক্ষ্যটি আদপেই সহজ নয় ।

মানুষ যেহেতু ভ্রান্তি-বশতঃ ভেবে নেয় যে
সাফল্য - অনায়াসে
এক লাফে ঘোড়ায় চড়ার মত কিছু,
তাই প্রতিটি সিঁড়ি পেরোনোকে
সে বারংবার বিফলতা ভাবতে শুরু করে
আর বিফলতা ভাবে ব'লে
সে বেচারা ঘন ঘন হতোদ্যম হয়ে পড়ে 
সাফল্যে উত্তীর্ণ হওয়ার বেশ আগেই ।
ফলতঃ, জীবনকে সুকঠিন ভেবে 
অধিকতম ক্ষেত্রেই মাঝপথে হাল ছেড়ে দেয় ।

পাহাড়ের চূড়ায় আরোহন, অথচ,
একটি উপভোগ্য অভিযান হতে পারে,
মানুষ, আকাশকুসুম কল্পনা না ক'রে, 
যদি, আপোষহীন-রূপে 
পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল আর বাস্তববাদী হয় ।

শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

Love-Meditation

Flirting is useless, because -
Only a serious relationship
With a 'one-and-only someone'
Confirms the beauty of
Love-meditation
That originates self-surpassing change
Towards confirmed growth to superiority.

To divulge a permanent bloom
Into a higher reality from within,
One can never allow
One's instinctive whims
To mock and casually flirt
With one's own life.

SERIOUSNESS

Flirting is useless, because -
Only a serious relationship
With a 'one-and-only someone'
Confirms the beauty of
Love-meditation
That originates self-surpassing change
Towards confirmed growth 

To superiority.

To divulge a permanent bloom
Into a higher reality from within,
One can never allow
One's instinctive whims
To mock and casually flirt
With one's own life.