মোটা-মাসি অনেকক্ষণ থামছে না ৷
থেবড়ে বসে মাজছে ঘেমো শরীর
রাস্তার ধারের কলতলায়
সান্ধ্য কলকাতায় ৷
ব্যাস, মূল দৃশ্যটি
এর অধিক আর কিছুই না ৷
তুমি ঝাঁজিয়ে উঠলে তখনি
"আরে থামবে ?
এটাকে মোটেই কবিতা বলবো না ৷"
লো-কাট ব্লাউজের স্বভাবসিদ্ধ কারুণ্যে
কালো পাথরের উদ্ধত বিভাজিকা বেয়ে
নামতে থাকা মসৃণ জলে
মাঝে মাঝেই কেমন ছলকে উঠছে
চতুর্দশীর চাঁদের অবাধ্য যুবতী প্রভা,
পথচলতি কারোর
চোখের লালা না ঝরা কে
সে দৃশ্য
যে একটিবারও রেয়াত করছে না,
সে কথা মাসি নিজে আদপে বুঝছে না -
তেমনটি কিন্তু ভুলেও ভেবো না ৷
নারীর কোন অবলীলার লীলা
পৌরুষের অগতিতে
কখন যে কি পরিমানে বাড়াতে পারে -
"যেমনি নধর - ওমনি গতির প্রেরণা",
মোটা-মাসির পাকা লোম বেয়ে
ভেসে যাওয়া
অতীতের প্রসন্ন শ্রাবণের কল্যানে
সে খবর
বহু আগেই শতাধিক বার কেনা ৷
শব্দের শয়তানি শেষ হলে পরে
তুমি প্রায় বাকরুদ্ধ এবার
এবং চোখে পাক্কা কবিতার মত হাসিও
কিছুতেই লুকানো গেল না !
প্রতিবাদরা প্রতিস্থাপিত,
প্রতিস্থাপক - যথারীতি প্রচ্ছন্ন ঘামে বোনা !
শ্বাসের ঘনত্বে
জ্বরের পুনরাবর্তনের পূর্বাভাস !
তার একটু পরেই অন্যমনস্ক প্রতিবেদন -
"ল্যাঠাটা চুকেছে কাল রাত থেকেই,
সর্বাঙ্গে তবুও নাছোড় ব্যথা,
একটু টিপে দিও তো জোড়া হাতে,
উপরে চড়ে, মাখো মাখো করে !
রাত হলো, চল শোবে না ?"
.