সদরের সিংহদুয়ারটি পেরিয়ে
পায়ে পায়ে ঢুকে এলে ভিতর-ঘরে,
সে অভিযানে না আছে প্রতিহারীর বাধা
না আছে তারপরে দেওয়াল কোনও !
আছে ফুলের বাগানের পাশে
সমানতালে বনজ সুঘ্রাণ !
আছে বিশাল পিপুলের তলে
নদীর বিরামহীন হাওয়া
যেখানে ক্লান্ত পান্থ
তৃপ্তির দীর্ঘ "আহ্ কে দীর্ঘায়িত করতেই পারে ৷
আছে পাতা-ঝরা অপেক্ষায় স্খলিত বিতান
পরতে পরতে উন্মোচিত হতে
পরাণের নিভৃতি-অবগাহন
স্বেচ্ছায় সুলগন এগিয়ে দিলে ৷
আছে সুদূরের-সৌরভ আলোকিত দিশা
উন্মোচন, জলের অতলে,
কাম্য স্বচ্ছতাটি খুঁজে পেলে ৷
আচ্ছা বলতে পারো
অনাবিল স্বেচ্ছা কেন এ হেন অনুদার তোমার ?
আতিথি-সৎকার ও উন্মুখ প্রতি-প্রবেশ
দাবী করে অভিন্ন রূপকথা ?
ফটকের বাইরে একটানা দাঁড়িয়ে থেকে,
অচেনা স্বৈরিণীর সুরে
শরীরের একঘেয়ে নাম ধরে হেঁকে হেঁকে,
সাড়া না পেয়ে
রাত্রি-শেষের ওকাম্পোর মত
ঘাম মুছতে মুছতে, হেঁটমুণ্ড অশ্রুভারে
অবশেষে নিশ্চুপ হয়ে গেলে !