আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।
নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই ।
হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।
আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"
আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"
ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5
যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"
সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে।
আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে।
আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "
আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।
নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই ।
হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।
আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"
আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"
ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5
যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"
সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে।
আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে।
আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "
আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।
নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই ।
হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।
আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"
আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"
ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5
যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"
সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে।
আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে।
আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "
খেয়াল থাকেনি তখন, অন্তরের স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি কিভাবে মৌনতার সাথে চুক্তিভঙ্গ করে।