রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪

নাছোড়

তুমি ছাড়ো না আমাকে এক মুহূর্তও।

ছেড়ে যায় না নজর তোমার আমাকে

একটিও ঘাত-প্রতিঘাতে।


তোমার পরাণের অলি-গলিরা

হাতছানি দিয়ে ডেকেই চলে আমাকে

অফুরাণ আগ্রহে

আর আমি দৌড়াতে থাকি

জীবনের প্রতিটি কাজে

তোমার অবিরাম গোলকধাঁধার 

সুতীব্র আমন্ত্রণকে 

সরাসরি সামনে দেখতে পেয়ে।


তোমাকে ভালবাসি?

বাসলে কতটা, 

সেটা মাপার মত অবসর 

পাইনি আজও।

তবে, এটা বেশ ভালো বুঝি -

তোমার এই পাগলের মত 

একবগগা ভালবাসা ছাড়া 

বাঁচার কথা

আমি আর ভাবতে পারি না। 


বিরামহীন খুশির স্রোতে

অতঃপর সম্মোহিত আমি

ভাবতে চাই নি এমন কথা স্বেচ্ছায় 

প্রথম দেখার সেই সেদিনের পর থেকে

আজ অবধি আর কখনো।

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪

Quality Of Life

Never ask a communist

"Who is more respectable?"

Type 1: Takes actions first and talks later.

Type 2: Speaks a lot about taking action but never actually does it.

Type 1: Talks about higher visions.

Type 2: Gossips about minace of people.

Type 1: Compulsorily proactive.

Type 2: Only reactive.

Type 1: Sell service to themselves only.

Type 2: Sell service to others at a lower price.

Type 1: Saves a lot for future and reinveststs.

Type 2: Spends and spends to repent later.

PS: Type 2 represents the general poor and mediocre, while, Type 1 represents the opposite class of a society.

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪

The Entrepreneur

কবে

মোরগটা বেসুরে গান শোনাবে।

ভোর পরাণে মোর দোল জাগাবে

তুমি আসবে যবে।


বৃষ্টির ফোঁটারা পাতা দোলাবে।

ফুল ফুটবে প্রথম একা বাচ্চা টবে

তুমি আসবে যবে।


আলোর বারতা ছড়িয়ে যাবে।

পাখি-রা খেলার নেশায় পাগল হবে

তুমি আসবে যবে।


বিন্তি ফস ক'রে আগুন জ্বালাবে।

চায়ের জল উনুনে চড়তে হবে

তুমি আসবে যবে।


খুড়ো তড়িঘড়ি বৃষ্টি পেরোবে।

বাউলানী হেসে ছাতা বাড়াবে

তুমি আসবে যবে।


বল, আসবে তবে।

বল, আসবে কবে?

আবদার

"আমি একটু তোমার কাছে যাব।"

দিনে অন্ততঃ এক থেকে দুইবার

এই কথা বলেই

ঢুঁসিয়ে বুকের মধ্যে ঢুকে এসে,

বেড়ালের মত নীরবে 

একপশলা আদর খেয়ে নেওয়া

যাদের জীবনে নাই,


তাদের দাম্পত্য - সার্থক, না ছাই।

রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪

শর্ত

আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।

নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই । 

হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।

আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"

আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"

ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5

যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"

সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে। 

আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে। 

আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "

আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।


নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই । 


হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।

আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"

আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"

ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5

যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"

সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে। 

আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে। 


আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "

আমার নিত্যদিনের সঙ্গত ও নয়। ওকে আমার পাওয়ার সুযোগ আসে মাসে বড়জোর এক থেকে দুইবার, গানের প্রোগ্রামের ফাঁকে ফাঁকে, উইকএণ্ডে বেড়াতে যাওয়ার অজুহাতে। আজ সারাদিন বোটিং আর ঘোড়ায় চড়ে পাহাড় ভ্রমণের পরে, একটু আগে হোটেলে এসে শেষ হয়েছে স্নান আর জামা কাপড় পাল্টে নেওয়া। এরপরে ওর যথারীতি দুটো পেগ আর স্ন্যাক্স সাজানো। অতঃপর, দুষ্টুহাসি সহযোগে, বুভুক্ষুর মত কব্জা করা একে অপরকে।

নিরাভরণ হলে, ও প্রতিবারই অনেকটা সময় নেয় আশ মিটিয়ে প্রাথমিক আদরে। এবারও ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল সবকিছু। তথাগতও, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, আপন দৃপ্ত তেজে, অনুপ্রবিষ্ট হয়েছেন তথায়, কিঞ্চিৎ আগেই । 

হঠাৎই, এক ঝটকায় ঘুরে গিয়ে, ওই অবস্থায়, নীচ থেকে আমার শরীরটাকে তুলে নিল ও নিজের বুকের উপরে। নাছোড় তথাগত কিন্তু তখনো, আগের মতই, তথায় অবস্থিত অবিচলরূপে। ও তারপরে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার চোখের দিকে।

আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছুঁড়ে দিতেই বললো - "একটা দাবী আছে। একটা গান গাইতে হবে এই অবস্থানে।"

আমি বললাম "পাগল নাকি? সবসময়ে সবকিছু হতে পারে?" ওর দৃষ্টি ক্রমশঃ উজ্জ্বলতর তখন অপ্রতিরোধ্য দুষ্টুমিতে। বললো "ইচ্ছা থাকলে উপায়ের অভাব পারে না টিকতে।"

ভোলানো যে অসম্ভব, তা বুঝতে দেরী হলো না। একটু সময় গেল বাছতে। তারপরে ঐ অবস্থাতেই, যথেষ্ট অস্বস্তি সহকারে, শুরু করলাম - https://youtu.be/R_nSCJwoI0A?si=jOP8gE0MArN-6qE5

যতক্ষণ গাইছিলাম, ওর আঙুলগুলো শিহরণ জাগাতে ব্যস্ত ছিল আমার পশ্চাতে, হালকা ছোট ছোট পরশে। শেষ হলে, আমার দুই কাঁধ শক্ত হাতে ধরে, তুলতে তুলতে, ক্রমশঃ বসিয়ে দিল আমাকে ওর কোমরের উপরে আর বললো - "স্বাধীন নারী তুমি। যেভাবে যতক্ষণ চাও, ভোগ কর পুরুষের-পৌরুষ নারীত্বের সহজাত অধিকারে। এ তোমার গানের পুরস্কারে যোগ্য সুবিচার।"

সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হওয়ার পরে, নেমে পড়েছি পাশে, একটু আগে। আমার পুরোনো অভ্যাসে, এসময়ে, ওর পৌরুষকে হালকা আদরের স্নান দিই দীর্ঘক্ষণ ধরে। হঠাৎ নৈঃশব্দ্য ভেদ করে জেগে উঠলো ওর গম্ভীর কন্ঠস্বর "আমার সারাটা দিন......" । কী আশ্চর্য, পুরো গানটা গাইলো, নিখুঁত সুরে, একটিবারও না থেমে। 

আমার কৈশোরে রয়েছে দীর্ঘ বারো বছরের সঙ্গীত শিক্ষার ইতিহাস। আমার পক্ষে তাই নূতন কোনও গান তোলা সুকঠিন নয়। কিন্তু তাব'লে, মাত্র একবার শুনে, এভাবে পুরোটা? ওর তো কোনো তালিমও ছিল না কোনকালে। প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে, তারপরে পাগলের মত ভরিয়ে দিতে হলো চুমুতে চুমুতে। 

আমার পাগলামো শেষ হলে, বললো "আমাকে যদি সত্যিই ভালো ছাত্র মনে হয়, তবে, তুমি চাইলে, এখন থেকে প্রতিবার, আমাকে একটা করে নূতন গান শেখাতে পারো, একমাত্র যদি এভাবে। "

খেয়াল থাকেনি তখন, অন্তরের স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি কিভাবে মৌনতার সাথে চুক্তিভঙ্গ করে।

কতটা ভালবাসলে পরে







বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৪

ফেরা

নিহিত রয়েছে অনন্ত পথ

আপন অন্তরে।


সর্বপ্রথমে বাছ-বিচার আসতে হবে।

যত বাছবে, বিকল্প কমতে হবে তত।

অবশেষে লক্ষ্য যেদিন 

নিঃসংশয়ে একটিমাত্র হবে,

সেদিন এসেছে - পথে নামার দিন ।


অবিচল আত্ম-নিষ্কাশনের পরিসরে

এবার আপন অক্ষমতাদের 

একে একে উপড়ে ফেলার পালা।

অদম্য জেদ লক্ষ্যের অর্জনে

নিজেকে ছাপিয়ে যেতে যেতে

অবশেষে একদিন

সাফল্যের জয়গানের মাঝে

'স্বীকৃত-সুদক্ষ' - ব'লে পরিগণিত হবে।


যাপনকাব্য 

বন্ধ্যাত্ব ঘোচাবে তবে।

মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪

Bold

I being shy

Never asked anyone for this.

To be frank,

I don't know the exact price.


But, suppose we meet in dusk,

Suddenly,

While climbing down

A rocky hill,

Will you give me this permission?


Will you let us smile together

And for sometime?

Will you let me look at you

In naked eye

And from then on

Hold telling "good-bye"?

শীর্ষসুখ

দৃষ্টি আটকে পড়ে শরীরের ঢেউয়ে 

কারও কারও।

সে চমক বাধ্য পাগল করতে থাকে 

হিসেবী মনকে ক্রমশঃ আরও। 

লক্ষ্য একটিই - 

"মন্থনকালে 

আহা,  কী তীব্র সুখটাই না পাব!"


কেউ কেউ আবার খুঁজে যায় ভিন্ন মাত্রা

জীবনভর।

"পরাণ-উদ্যানে শুধু একটিবার 

পায়ে পায়ে ঢুকে এলে,

নিবিড় পরশে ছুঁতে পেলে,

জীবনকে আশ মিটিয়ে চমকাবো।

ইত্যবসরে, নিত্য-কর্ম-পদ্ধতি মেনে,

হৃদয়ে হৃদয় বিছিয়ে যাচিত সঙ্কুলান কিনে, 

ফুলেল সুগন্ধে, পরম নিশ্চিন্তে

উত্যু্ঙ্গ অবগাহনে যাব।"

রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪

Extraction

সখ্য

অনবরত একা হতে, হতে,

তিক্ততার স্বাদ রোজ পেতে-পেতে,

শেষে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে,

একদিন আচমকা জেনে গেলাম

আমাকে একা ক'রে দেওয়া

এ জগতে অতটাও সহজ না।


আমার ভিতরে 

নিঃশব্দ অপেক্ষায় থাকে

মাতৃ-আপত্যে

আর একটা 'হার-না-মানা' আমি,

সবাই ছেড়ে গেলে 

বিষাদ পেরিয়ে আলোর ভুবনে

আমাকে হাত ধরে টেনে তুলতে

পরোক্ষহীন স্মিতহাস্যে

নিজেই উঠে দাঁড়াবে ব'লে।

Direction

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪

প্রবাহমান

ঈশ্বর আছে, না নেই,

এটা সর্বক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নয় ।


তোমার ব্যক্তিগত ধারণে

যদি ভগবান, গড, আল্লা, বুদ্ধ

অথবা কার্ল মার্কস-গোছের 

কেউ থেকে থাকেন,

তবে, তিনি ব্যক্তি-নির্বিশেষে

প্রতিটি মানুষের ভালো চান,

এটা মেনে নেওয়ার সাহস রেখো

এবং চাইলেও, করতে যে পারেন না-

এটাকে তখন বাস্তব হতে হয়।


এবার বল, মানুষের আপন-অর্জিত

আসক্তি-শৃঙ্খলের কারণে

তাঁর এই যে অপারগতা,

অসহায় তাকে কি কাঁদায় না ?

কাঁদালে, তোমার থেকে বুঝি কম ? 

কতটা কাঁদায় ?


চেতনা জাগৃতি পেলে বোঝা যায় -

মানুষের জীবনেও তেমন অসম্পূর্ণতা

কখনো কখনো অবধারিত হতে হয়,

যে দোষ মানুষটির স্বভাবজাত

নিষ্ঠুরতার কারণে আদপে নয় ।

ওঠো

আসক্তির পথ-রা অভ্যাসে চেনা ।
ফলে সবচেয়ে দ্রুত পুরোনো হয়ে যায়
আর 
কিছুদিনের মধ্যে আকর্ষণ হারনোর
আশঙ্কা চেপে বসতে হয় বর্তমান প্রেমে ।
আগ্রহ বেশি দিন সজীব থাকে না।

কোনও দিন আকর্ষণ কমে না শুধু
পথটি যদি হয় প্রতিটি বাঁকে অচেনা ।

তেমন পথ কোথায় এ জগতে আর
উত্তরণের কষ্ট স্বেচ্ছায় মেনে নেওয়া বিনা ?

জাগৃতি

ঈশ্বর আছে, না নেই,

এটা সর্বক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নয় ।


তোমার ব্যক্তিগত ধারণে

যদি ভগবান, গড, আল্লা, বুদ্ধ

অথবা কার্ল মার্কস-গোছের 

কেউ থেকে থাকেন,

তবে, তিনি ব্যক্তি-নির্বিশেষে

প্রতিটি মানুষের ভালো চান,

এটা মেনে নেওয়ার সাহস রেখো

এবং চাইলেও, করতে যে পারেন না-

এটাকে তখন বাস্তব হতে হয়।


এবার বল, মানুষের আপন-অর্জিত

আসক্তি-শৃঙ্খলের কারণে

তাঁর এই যে অপারগতা,

অসহায় তাকে কি কাঁদায় না ?

কাঁদালে, তোমার থেকে বুঝি কম ? 

কতটা কাঁদায় ?


চেতনা জাগৃতি পেলে বোঝা যায় -

মানুষের জীবনেও তেমন অসম্পূর্ণতা

কখনো কখনো অবধারিত হতে হয়,

যে দোষ মানুষটির স্বভাবজাত

নিষ্ঠুরতার কারণে আদপে নয় ।