শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৯

The Surpassing


Loving means looking at life in a different way
Than you were so long used to

 

Loving means just revolting against the beaten track, while,
Changing the perspective of your vision simultaneously

 

Loving means bubbling enthusiasm, back again,
in richer form of colours and splendour

 

Loving means creating your own heaven
full of pure happiness and ecstasy

 

Loving means actively celebrating
The glory of a pure creator

 

Only if the purpose of love remains freedom
and the process becomes expansion towards above
in the realm of soul and spirit

 

And not to accept an arrest in the damn limited scope
of the lower domains
of the thicker body and the calculative mind.

 

Loving means bursting into holy liberation and
remaining no more pitiable like a sinner.
.




.

বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

Grow Man, Grow !

কোন পরিপ্রেক্ষিত হতে দেখা হচ্ছে' - তার উপরে নির্ভর করে জীবনের রূপ কার কাছে কেমন । আপন আপন দৃষ্টিকোণ হতে জীবনকে সম্পূর্ণ পৃথক দেখতে লাগে বলেই একজন ধর্ষক ও একজন সাধক পৃথিবীতে একই সময়ে বাস করতে পারে ।

এরকম দুটি পৃথক দৃষ্টি হলো সমালোচকের দৃষ্টিকোণ ও স্রষ্টার দৃষ্টিকোণ । মূলতঃ সমালোচক মানুষ প্রবৃত্ত হয় পরের দোষ ধরার স্বপক্ষে যুক্তি শানানোয় আপন জীবনটি বায় করায় । এদের সম্বল তাই পরের বিরুদ্ধে ক্রোধ ও ঘৃণার মরীয়া সঞ্চয় !

অপর পক্ষে, স্রষ্টার দৃষ্টিকোণ সম্পন্ন মানুষ নিজের প্রতি গভীর অপত্যে নিজের সীমাবদ্ধতার প্রবৃত্তিগুলি একে একে উৎপাটন পূর্বক নিজের উপযোগিতাকে ক্রমশই বাড়ানোর মাধ্যমে, তৈরি করতে থাকে নূতন নূতন অর্জন ক্ষমতা, যা পরবর্তীকালে অনুদিত হতে থাকে তার ব্যক্তিগত আর্থিক সামর্থ্যে ।

আর্থিক ক্ষেত্রে, অবশ্য, ছিনতাই তথা ঠকানোর প্রবৃত্তি হতেও মানুষ মানুষকে শোষণ করে । তবে তার পরেও, শুদ্ধ স্রষ্টারা বেঁচে থাকে পৃথিবীতে, যারা আক্ষরিক অর্থেই টাকা তৈরি করতে পারে ছিনতাই বা শোষণ না করে ! এদের কাঁধে ভর দিয়েই একটি জাতি বা দেশ ধনী হয় ।

একটি তুলনা এই বিষয়টিকে বোঝা সহজ করতে পারে । আন্তর্জাতিক সমীক্ষা হতে পাওয়া যায়, 2020 খ্রিষ্টাব্দে যেখানে অ্যামেরিকাতে 2700000 স্ব-নিযুক্ত উদ্যোক্তা বৃদ্ধির সম্ভাবনা, সেখানে ভারতবর্ষে সেই সম্ভাবনাটি মাত্র 10500 জনের ! অর্থাৎ এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে, ভারতের তুলনায় ইউ এস এ-র ধনী হতে পারার অনুপাত সরলতম দৃষ্টিতে 2700000:10500 অথবা 257 গুণ । এটিই প্রধান কারণ - টাকার তুলনায় ডলারের দাম দিনে দিনে বেড়ে যাওয়ার ।

এবার মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসা যাক । বিল গেটস এর একটি বিখ্যাত উক্তি এই প্রসঙ্গে এসেই পড়তে হয় । সেটি হলো - It is no crime to be born poor but it is certainly a crime to die poor. অর্থাৎ গরীব হিসেবে জন্ম পাপ নয়, কিন্তু গরীবের অপমৃত্যু মানবজীবনের হতাশাজনক অপব্যয় মাত্র ।

কেবলমাত্র সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি কোনও ব্যক্তিকে ধনিতম-দের মধ্যে স্থান দিতে পারে নি মানবজীবনের এযাবৎ ইতিহাসে । একটি মাত্র অতিরিক্ত টাকাও নতুন করে সৃষ্টি হলে, তা হয় - কোনও একজন স্রষ্টার দ্বারা ! কোনও অতি বিখ্যাত সমালোচক বা ঘৃণিত শোষকের দ্বারা একবারের তরেও যা সম্ভব নয় ।

বামপন্থীদের, তথ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানের দ্বারা, মূলত ঘৃণার মাধ্যমে, জনগনের মধ্যে প্রতিশোধ-প্রবণতায় ইন্ধন যোগানো আমাদের অতীব সুপরিচিত ! অথচ, আত্মশ্রদ্ধাবোধের অপ্রতিহত দীপ্তিতে আপন সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে ওঠার মাধ্যমে কি ভাবে প্রকৃত অর্থেই প্রতিশোধ নেওয়া সম্ভব, - সে পথ বাস্তবের ইতিহাসে খোদাই করে গেছেন একজন শ্রদ্ধেয়তম ভারতীয়, যা আমাদের পরানুকরণপ্রিয়তা বাস্তবায়িত করতে ভুলে যায় আপন জীবনে ।
Link - https://www.youtube.com/watch?v=3dOaQlo9S98

ধনীরা আমাদের বঞ্চনা করে চলেছে - এ ই কি আমাদের দুঃখ ও হতাশার কারণ হওয়া উচিত ? নাকি আমাদের মানসিকতা আরও দশটি মাত্র এমন মহান মানুষের জন্ম দিতে সক্ষম নয় - এটি ?
Link : https://www.youtube.com/watch?v=L0Nj5qNxPsw

অতঃপর পাঠকদের নিকটে জীবনের আবশ্যিক-তম মূল প্রশ্নটি রাখা যেতেই পারে -

পরমুখাপেক্ষী নিরাপত্তার লক্ষ্যে শোষক হতে ছিনতাইয়ের অভিসারে আন্দোলন, জিন্দাবাদ, দলবাজি ইত্যাদির মাধ্যমে ঘৃণা, ঈর্ষা, ক্রোধ, আর ক্ষোভের নিয়মিত অভ্যাসে মেকী বিপ্লবের দ্বারা,

নাকি

পূর্ণ আত্ম-মুখাপেক্ষিতায়, ভালবাসার সু-সাহচর্যে, আত্ম-সৃজন তথা আত্ম-বিপ্লবের চির-স্বাধীনতায় মানুষের জীবনের মূল সাফল্য ও শ্রেষ্ঠ উৎকর্ষ-সাধন সম্ভব ?


শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৯

প্রথম জন্ম

সেদিন নগ্নিকা থাকা ধরিত্রী,

অপাপবিদ্ধা,

অবিকল তার সন্তানমানুষেরই মতো,


- যেদিন মানুষও ছিল

সর্বসাকুল্যে দুই জন,

যে ঊষর অবশেষের কালে

আপোষহীন শ্রাবণের ধারা

অঝোরে ভিজিয়েছিল তাদের

প্রতিটি বর্ষায়, এমনকি অনিচ্ছায়,

একটি যৎসামান্য ছাদের

নিছক অভাবে !


সে সিক্ততার নগ্ন উষ্ণায়ন

বারংবার বাধ্য যুঝেছিল তারা

উপর্যুপরি একে অপরকে

সামলে নিতে

একমাত্র অবশিষ্ট, আপন

শরীরী অভ্যর্থনার ভরসায় !


ভালবাসার

কোনও সোনালী সংজ্ঞা রচিত হতে

পরেনি সেদিন তখনও !
নিরুপায় প্রতিটি অভিসার,

অথচ অবাক

উপহারে পাল্টে যেতে পেরেছিল

হৃদয়ের

অভিক্ষু সরলতার মাঝে

খুঁজে পাওয়া প্রতিটি

স্বতঃস্ফূর্ত ছাদের তুমুল উদযাপনে 
- যৌথ-মগ্নতার

হাজার-দুয়ারী ভাস্কর্যে

সৃজন উৎকর্ষের প্রতিফলিত বিস্ময়ে !


মানুষ মানুষই ছিল !

সরলতা কেবল

বিশ্বাসের যোগ্যতায়

যুক্তির কপটতাকে পেরিয়ে

সৃষ্টির সোপানটি চিনেছিল

এ প্রকৃতিরই

আশীর্বাদী চতুর্থ মাত্রায় !.

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

আসক্তি-৩

পালাবার পথ রইবে না শেষ অবধি কোনও !


হবেই পোড়াতে তোমাকে

স্বার্থের জান্তব প্রতিযোগিতা সম্বলে

অভ্যস্ত দীন পরমুখাপেক্ষা - আপনে !


ভাগ্যের দয়াকে অন্ত চেনাতে

বাইরে তাকানোর অপেক্ষার মুখে অগ্নি-শলাকা ধর,

অনন্ত-বলাকার ডানা

স্বয়ম্ভূ স্বাধীনতার সুগমে মেলে দিতে ।


.

আসক্তি-২

হে যুক্তির বেনিয়া বস্তুবাদ !


আপন স্বার্থান্ধ সীমিতের অদূরে

তোমার জানা হবে না কোনদিন

মনুষ্যেতর হতে এ অবধি

মানুষের যতদূর মনুষ্যতর হতে পারা,

তার অব্যবহিত পরে - একটিই পথ ।


রবির অপার আলোকের দিশায়

শুকনো যুক্তিকে পেরিয়ে

অনুভূতি-রসের অপরিসীম উৎকর্ষে

মানবতার স্বতঃস্ফূর্ত উৎসারণই

শেষ অবধি

জান্তব-শত্রুতা-বোধ হতে

পরবর্তী মুক্তির লক্ষ্যে, এ পৃথিবীর

অনাগত অবশ্যম্ভাবী ভবিষ্যৎ !

.


আসক্তি

কি আছে ভাগ্যের দানের ওপারে
একার নিষ্ঠায় অর্জন-গত ?
খুঁজে চলি আর মেলে হাহাকার !

সবখানে শুধু অভিমানী 'নেই' আর 'নেই' !

কত না সম্ভাবনা এ সুন্দরের উৎসবে
রচেছে কেবলই অপচয়ের পারাবার
সংবদ্ধতার সকরুণ অভাবে !

কত না কুসুম ছিটকে পড়ে লুটিয়েছে পথে !
তাকানোরও সময় হয়নি ফিরে ।
পূজার লগ্ন পেরিয়েই গেছে, একে একে ।

আমার আমি একলা কাঁদে সেখানেই ।
.

 

মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯

ভাই ভাই

প্রচণ্ড শব্দ হচ্ছে সদরে ! আব্বা একদিন অনেক খরচা করে দামী সেগুণে বানিয়েছিল দরজা ! তার উপর পড়ছে শাবল, বাঁশ বল্লমের কোপ ! দরজাটা আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে আব্বার পরম আদরের মিনুকে বাঁচাতে ! তবে ওকে আজ হেরে যেতে হবে !


আমি তসমিন, এগারো বছর ধরে লুকিয়ে লুকিয়ে ভালবাসার পর আজ সকালে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেছি সোহম চ্যাটার্জিকে !


আমার যে চিরকালের আদর্শ ফিরোজদা, যে জ্ঞানতঃ কমিউনিষ্ট বলে নামাজে যায় না, যে বিয়ে করেছে আমাদের কলেজেরই অধ্যাপিকা লিপিকাদিকে, যে লিপিকা কর্মকারের চিকেনপক্সে আমি প্রায় একমাস, দুবেলা ওদের বাড়ির রান্নাবান্না আর রুগীর সেবা একা হাতে সামলেছিলাম, আমরা নিশ্চিন্ত ছিলাম - সেই ফিরোজদা আমাদের বিয়ের পরে তার ফাঁকা গেস্টরুমটিতে অন্তত সাতদিন থাকতে দেবে !


সোহম যে বাড়িটা ঠিক করে এসেছিল সেটা ভাড়া পাওয়া যেত সাতদিন পরে, সোহমের কাজের জায়গায়, এখান থেকে দেড়শো কিমি দূরে !
সোহমের বাবা নেই ! মা, - কাকার ভয়ে বাড়িতে তুলতে রাজি নন !


অথচ ফিরোজদার বাড়িতে দুজনে মিলে গিয়ে থাকার কথাটা পাড়তেই, ফিরোজদা প্রথমে লিপিকাদি আর সোহমকে পাশের ঘরে পাঠালেন ! তারপর, আমার কখোনো না জানা, শীতল নিস্পৃহতা দিয়ে ফিসফিস করে বললেন "জানিস না নাজায়েজ কাকে বলে ? সোহমকে নিয়ে ঘরের বাইরে যা ৷"


সোহম তারপরে আর উপায়ান্তর না পেয়ে বললো বাড়ি ফিরে যেতে ! কিন্তু আমি জানতাম খবর ওরা পাবেই আর আমার এতদিনের পাড়াটা সাথে সাথে পাল্টে যাবে হায়নার গুহায় !


এখানের সবাইকে খুব ভালবাসতাম আমি ! কিন্তু আর সময় নাই ! ওই এলো দরজা ভেঙে পড়ার আওয়াজ ! যে শাবল, বল্লম, দরজা ভাঙছিল এতক্ষণ, এবার তাদের সময় হয়ে এলো আমার রক্তে স্নান করার !


নূতন করে আর একবার ভালবেসে সুখী হয়ো জীবনে, সোহম ! বিদায় হে সুন্দর পৃথিবী ! খুউব ভালবাসতাম তোমায় ৷.

মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯

বিশ্বাসযোগ্যতা


প্রতিটি মানব-বিবেক কে
হাজার চেষ্টা করেও
ক্রিতদাসবৎ শৃঙ্খলিত করতে
যায় না পারা, ধর্মের
অন্ধ বিশ্বাসজনিত ভয়ের বিনিময়ে !

যাদের পারা, তারা
আস্তিনে এগারো মাস
লুকিয়ে রাখে যে চাপাতি
মীরজাফর-শার্দূলে
রাঙাতে কাফেরের রক্তের উল্লাসে,
ক্ষমা ও করুণা, হোক রমজান,
নিছক অভিনয় তাদের কাছে !

এবার 
আপন রাজনৈতিক সুবিধাবাদকে মাপো !
মহানুভবতার নামে - তাদের
ভেদাভেদশূন্য বুকে জড়ানোর অভিনয়ে
ধূর্ত আপোষের খিলখিলে
ভিন্নমতাবলম্বি বাহানায়
আপন ভ্রাতার আকুল নির্ভরকে

কতই না অনায়াসে ত্যেজেছিলে ৷