বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অসম্পূর্ণ

ভরে আছে ঘর

থরে থরে জমিয়ে রাখা

টুকরো কাগজে ৷

প্রতিটিতে

অংশতঃ কবিতা লেখা !


অসম্পূর্ণের আড়ৎ !

শুরু হয়েছিল প্রবল আগ্রহভরে !

মাঝপথে শুকিয়ে গেছে কলমের কালি !


শুষ্কতা ছুঁতে পারে না যাকে

তার জন্য অধীর

প্রতিটি বধির অসমাপ্তি !


সে এসেছিল, থেমেছিল,

তাকিয়ে দেখেছিল,

তারপর ধীর পায়ে চলে গেছে ৷


কাঁচা পাণ্ডুলিপিদের তাই

সার্থক-জনম পরিগ্রহণ

রয়ে গেছে আজও অপেক্ষায় !

চাহিদা

তুমি চাও কেউ তোমাকে

ঠিকঠাক বুঝুক !
বুঝুক তোমার না বলা
ইচ্ছা আর অনিচ্ছাদের,
জীবন যেন সহজেই গতি পায় !

এই বোঝা
বুদ্ধি-বিচারের কাছে
অনন্ত বোঝা ৷

অনুভব প্রাণের পরশ,
মাতৃত্বের সহজাত ৷
যুক্তি-সর্বস্ব মনের লভ্য নয় ৷

তফাৎ বোঝ না আজও, তাই
বারেবার হারাও উপেক্ষায় ৷

আকাশ

নিজে থেকে, কাছে ডেকে,

পাত পেতে বেড়ে দিতে পারো 

সপ্ত ব্যাঞ্জন !


গ্রহণ তৃপ্তি দিলে - স্বীকৃত চমৎকার !

তারপরে উঠে পড়তেও

সামান্যই সময় লাগে !

যাকে যখন যেটুকু ভালবেসেছো

তার থেকে বড় সত্য

সৃজিত-সুন্দরে

সে মুহূর্তে কিছুই ছিল না আর ৷


সময় হাসিমুখে চলে গেছে এগিয়ে 

স্বাধীনতার অবিরত মহোৎসবে !

সেদিনের সেই গানটি অলখে

একটু একটু করে পুরানো হলেও

রয়েও গেছে স্মৃতির ইউ-টিউবে  

তোমার অন্তরে আদিগন্তকাল ৷


সত্যকে সহজিয়া মেনে নিলে,

বুঝতে পেলে -

ইচ্ছারা বাঁধা ছিল না যেমন

তোমার প্রকাশে সেদিন,

সে ও ঠিক তেমনই সুরে, 

মোহটুকু টুটে গেলে,

পায়ে পায়ে ফিরে যাবে ফের

স্বাধীনতার অবাধ মুক্তির দিশায় !


প্রতিটি ভালবাসা তাৎক্ষণিক সত্য !

মোহের লেজটি, অবশ্য, দীর্ঘকাল !

না হলে যে, 

হাঁপিয়ে উঠবেই ক্লান্ত জীবন ৷


উল্লাসের অনন্ত হাতছানি এড়িয়ে

পোষা ছাগলের মত

বাঁধা থাকতে আসেনি এ পৃথিবীতে 

কেউ চিরতরে কারও একার !