মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সুন্দর সততই নির্মম

সুন্দর একদিন হঠাৎই

না বলে হারিয়ে যায়।
ফিরে আসে না আর কোনদিন।
অথবা
কখনো আসে না ততটা কাছে
যতটা কাছে আসলে ধরে রাখা যায়।

সে আসে যেন এক আশ্চর্য আলোকরেখা হয়ে,
যা মুহূর্তেই মানুষকে পাগলের মতো প্রেমে ফেলে দেয়,
আর প্রেম জন্মালেই মানুষ আর আগের মতো থাকে না।

তার ভেতরে জ্বলে ওঠে
উত্তরণের প্রদীপ,
মানুষ খুলে ফেলে পুরোনো খোলস,
নিজেকে খুঁজে পেতে চায়
অপরিচিত উচ্চতায় যা সুন্দরতর।

কিন্তু সেই উচ্চতার দরজায়
পৌঁছানোর আগেই সুন্দর
গলে যায় কুয়াশার মতো,
ভেসে যায়
নদীর জলে ছুঁয়ে যাওয়া
আলোয়ের মতো।

পড়ে থাকে শুধু স্মৃতি—
দুঃখের গহ্বর থেকে ওঠা এক দীর্ঘশ্বাস,
হতাশার অন্ধকারে টিকে থাকা
এক ক্ষীণ জ্যোৎস্নার রেখা।

মানুষ তখন বেঁচে থাকে
শূন্যতার ভেতরে সুন্দরের স্মৃতিকে আঁকড়ে,
যেন হারানোই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
যে সে একদিন সত্যিই সুন্দরকে পেয়েছিল।

সুন্দর তাই একই সঙ্গে দীর্ঘশ্বাস ও মুক্তি।
সে হারিয়েই চিরন্তন,
সে না ফেরাতেই অমর।