শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২

ছেলের মা

সেই মা-দের 
জেলে পাঠানোর মত আইনের বড়ই প্রয়োজন, 
যারা নিজের পুরুষ সন্তানটিকে, 
কৈশোরে, 

ঝাড়ু দেওয়া, বাসন মাজা, 
প্রতিদিনের ঘর গোছানো, 
বাজার করা, 
অন্ততঃ, ভাত, ডাল, ভাজা, মাছের ঝোল 
রাঁধতে শেখা 
আর টবে বা বাগানে ফুল ফোটাতে শেখার নিয়মিত ট্রেনিং থেকে বঞ্চিত করে ।

অর্থ রোজগার ও যৌনতা - 
একমাত্র যোগ্যতা 
হতে পারে না পুরুষের ক্ষেত্রে ।
নারী, ঘরে ঘরে, যে গৃহস্থলির দায়িত্ব নেয়,
তাকে নিজের হাতে বাস্তবে করতে গেলে,
গিয়ে, পদে পদে 
আপন উৎকর্ষহীনতার সম্মুখীন হলে,
একমাত্র তবেই পুরুষের অন্তরে
নারীজাতির প্রতি শ্রদ্ধা আসা সম্ভবপর, 
নচেৎ, কোনমতে নয় 

আর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা বিনা 
সহমর্মী সহযোগিতায়
সুন্দর হতে পারে না একটিও দাম্পত্য
অপর আর কোনও উপায়ে ।
 
এই মায়েরা সেই চিরকালীন কালপ্রিট, 
যারা পুরুষকে মানুষ না হতে দিয়ে, 
বরং একটি অপদার্থ জড়দগব তৈরী ক'রে,
একদিন তাকে টোপর পরিয়ে
অপর একটি নারীর ভবিষ্যত সুখকে 
চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়
এবং সমাজের সর্ববৃহৎ ক্ষতিসাধন করে । 

পুরুষ সন্তানটি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে,নিজেকে
নিতান্ত পঙ্গু আবিস্কার করার পরে, 
এই প্রবঞ্চনার উত্তরে
একদিন যদি মাতৃহন্তা হয়,
অথবা, বাকি জীবনের জন্য
তেমন মায়ের মুখদর্শন আর না করে,
তাহলে, তার তদৃশ কাজ 
কতটা অপরাধ ব'লে পরিগনিত হবে  ? 

খুব জানতে ইচ্ছে করে ।

আহা রে, মায়ের মন

সেই মা-দের 
জেলে পাঠানোর মত আইনের বড়ই প্রয়োজন, 
যারা নিজের পুরুষ সন্তানটিকে, 
কৈশোরে, 

ঝাড়ু দেওয়া, বাসন মাজা, 
প্রতিদিনের ঘর গোছানো, 
বাজার করা, 
অন্ততঃ, ভাত, ডাল, ভাজা, মাছের ঝোল 
রাঁধতে শেখা 
আর টবে বা বাগানে ফুল ফোটাতে শেখার নিয়মিত ট্রেনিং থেকে বঞ্চিত করে ।

অর্থ রোজগার ও যৌনতা - 
একমাত্র যোগ্যতা 
হতে পারে না পুরুষের ক্ষেত্রে ।
নারী, ঘরে ঘরে, যে গৃহস্থলির দায়িত্ব নেয়,
তাকে নিজের হাতে বাস্তবে করতে গেলে,
গিয়ে, পদে পদে 
আপন উৎকর্ষহীনতার সম্মুখীন হলে,
একমাত্র তবেই 
নারীজাতির প্রতি শ্রদ্ধা আসা সম্ভবপর, 
নচেৎ, কোনমতে নয় 

আর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা বিনা 
সুন্দর হতে পারে না 
একটিও দাম্পত্য অপর কোনও উপায়ে ।
 
এই মায়েরা সেই চিরকালীন কালপ্রিট, 
যারা পুরুষকে মানুষ না হতে দিয়ে, 
বরং একটি অপদার্থ জড়দগব তৈরী ক'রে,
অপর একটি নারীর ভবিষ্যত সুখকে 
চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়
এবং সমাজের সর্ববৃহৎ ক্ষতিসাধন করে । 

পুরুষ সন্তানটি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে,নিজেকে
নিতান্ত পঙ্গু আবিস্কার করার পরে, 
এই প্রবঞ্চনার উত্তরে
একদিন যদি মাতৃহন্তা হয়,
অথবা, বাকি জীবনের জন্য
মায়ের মুখদর্শন আর না করে,
তাহলে, তার তেমন কাজ 
কতটা অপরাধ ব'লে পরিগনিত হবে  ? 

খুব জানতে ইচ্ছে করে ।

বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২

প্রাপ্তি

একটা কালো কুকুর 
রাস্তার ধারের ছাইয়ের গাদায়
দিনরাত শুয়ে-বসে থাকে
আর যে যায় পাশ দিয়ে
তাকে চুপচাপ মাপতে থেকে যায় ।

একটা খয়েরি মদ্দা
একটা সাদা মাদির সাথে
অথচ, সবসময়েই খেলে আর লাফায় ।
ওরা চেনে আমাকে ।
দেখলেই উচ্ছলতায় ঘি ঢালে,
খুশি হওয়া প্রকাশ করে নানান উপায়ে ।

আমাকে বেরোতে দেখলেই উঠে পড়ে,
দুজনে লাফাতে লাফাতে, খেলতে খেলতে,
আমার সাথে মোড় অবধি যায় ।
তারপরে অপেক্ষা করে ।
ওরা জেনে গেছে ফিরবই আমি
দশ থেকে পনেরো মিনিট পরে ।
ফিরতে দেখলেই 
ফেরে ফের সাথে সাথে, গরর-গররে
প্রাণের আনন্দে লাফাতে লাফাতে ।

ওদের খেতে দিই নি কিছু কখনো ।
তবুও ওরা আমার সঙ্গ পেলে যে 
প্রভূত আনন্দ পায়,
সে কথাটি নিয়ম করে বুঝিয়েই দেয় ।
ভালবাসার সুযোগ পেয়েছে ব'লে
লাভ-লোকসানের করুণ হিসেবে 
যথারীতি আটকে পড়ার মত
কৃপণ আদপেই ওরা নয় ।

এ জগতে এখনো বহু প্রাণ বাঁচে এমনতর,
এমনকি মানুষেও মেলে,
যারা মুখ ফুটে চাইতে আসে না কিছুই,
আপন আনন্দের উৎসটি সঠিক চিনে নিয়ে
ভালবেসে, হেসে, বিরামহীন আত্ম-উদ্ভাসে 
সুখের পরকাষ্ঠা খুঁজে নিতে পায় 
অবিশ্বাস্য আত্মমুখাপেক্ষায় ।

নিরন্তর হনু

সত্য - তিক্ত শোনাতেই পারে ।
তোমার সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা
লুকিয়ে রয়েছে ক্ষুদ্র একটি বদভ্যাসে ।

যে কোনও মানুষের মধ্যে
মানবিক গুণের আকস্মিক বিকাশকে
আবশ্যিক ভাবে সুন্দর হতেই হয় ।
অথচ তোমার নজরে
তেমন আবিষ্কার ধরা পড়া মাত্রই
থমকে যাও ।
চাইলেও, দরাজ হৃদয়ে ও মুক্ত কণ্ঠে
অভিবাদন জানাতে পার না সর্বদা ।
"দেখই নি" - এমন ভাব দেখিয়ে সরে পড় ।

তোমার অহমিকা 
তাৎক্ষণিক হীনমন্যতায় আক্রান্ত হয়ে
বারংবার 
বলতে শুরু করে কানের গোড়ায় -
"তুমিই বা কম কিসে ?
কী এমন দরকার আছে তোমার 
পরকে প্রশংসা করার ?"

ফলতঃ, অপ্রত্যাশিত সুযোগ এলেও,
শিশু-সুলভ ভালবেসে ফেলার
অভ্যাসের অভাবে,
আত্মস্থই করতে পারলে না
সদ্য আবিষ্কার করা নূতন গুণটিকে
এ জীবনে আর ।

বেকুবের ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে মাকাল,
ঘাড় শক্ত করে দাঁড়িয়ে রয়ে গেলে
আরবুঝো স্থবিরের বিপরীতমুখিতায়,
যখন অন্যরা, 
তোমাকে কম গুরুত্বপূর্ণ বুঝতে পেরে,
হাসতে হাসতে পেরিয়ে গেল অবহেলায়,
তোমারই পাশ দিয়ে, একে একে, অবিরাম।

উপসংহার

"সুন্দর" শব্দটি লেখা থাকে না
একটিও মানুষের গায়ে ।
অনেকেই, অবশ্য,
অনেক রঙ মেখে-টেখে
সুন্দর দেখাচ্ছে জেনে
মহানন্দে রওনা দেয় ।

আমি কিন্তু 
আসল সত্যিটি জানি ।
বেখেয়ালি মন ব'লে,
এক-একটি ক'রে
রাখেনি সে হিসেব কখনো, 
কত রকমের বিরল গুণ
সাজিয়ে বসে আছে এযাবৎ 
নির্বিবাদ নৈঃশব্দ্যে 
চরিত্রের বাগানটিতে তোমার ।

তোমাকে না ব'লে
তোমার মধ্যে 
যখন তখন ঢুকে প'ড়ে
আমি মাঝে মাঝেই
বিরল পুষ্প-সুবাসে 
বিভোর ও স্তম্ভিত হয়ে যাই ।

না ! এ পরিসংখ্যানে 
আবেগজনিত অস্বচ্ছতার 
বিন্দুমাত্র প্রবেশাধিকার নেই ।
শ্রদ্ধা তোমাকে বাধ্য করতেই হয়
আপন অর্জিত প্রাপ্যের গুণে ।
একপ্রকার অসহায় হয়ে প'ড়ে তাই 
ভালোও না বেসে পারি না ।

অবশ্য, মোহ আর ভালবাসার
পার্থক্য মাপতে পারে না যারা,
তারা আবার গম্ভীর হয়ে 
মাঝেমধ্যে বলতেই যায় -
"বেয়াদব ক্ষুধার তাড়না
আজও অবধারিত উৎস ব'লে,
ভালবাসাকে অন্ধ হতেই হয় !"

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

সাথী

ভালবাসার সাথে
সুখ-দঃখের রথে
হাতে হাত ধরে রেখে
আজীবন পথ চলতে পারা 
অথবা ঘর করার তাড়া
আদপে সহজ কথা নয় ।

পোষ্য আসক্তিরা 
উদ্ধত অশ্রদ্ধার অধিকারে
সুযোগ পাওয়া মাত্রই
সুতীক্ষ্ণ স্বরে
চাইবে পাই-পয়সায় 
রোজের হিসেব বুঝে নিতে ।

বুঝিয়ে দিতে দিতে দিতে
একদা ওষ্ঠাগত প্রাণ
পরিত্রাণ খুজে পেতে
পেরোতেই পারে শেষে
সঙ্গ পরিত্যাগের দ্বার,
যৌবনের সাময়িক ব্যবহার
বুকের যন্ত্রণায় ও উপবাসে
শেষ অবধি ঘুচেই যেতে গেলে,

কৈশোরের সরলতার সাথে
জীবনের পড়ে থাকা পাতে
পুনরায় সহমর্মী যাপন
ব্যাকুল পরাণে ফিরে পেতে ।
.

মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২

বেলাইন

একদিন সাচ্চা ভালবেসেছিল 
আর তাই নিত্য নূতন সম্প্রসারণে
নিজেকে উপভোগ করেছিল 
উদ্ভিন্ন সৃজনে,
নব কলেবরের নিরন্তর কলরবে ।
সে ছিল অঝোর বৃষ্টিতে
হাতে হাত ধরে দৌড়ে যাওয়া
উদ্দাম আনন্দের দিন ।

তবে, সে সাচ্চা প্রেমের ফাঁকে
লুকিয়ে ছিল যে না ফিরতে জানা
বেলাগাম অধিকারবোধ,
সময়েরর সাথে সাথে 
দাম্পত্যের প্রথম মাতে
শরীরের দেরাজ খুলতে শিখে গিয়ে,
তারা কালে কালে 
ব্যতিব্যস্ত ও অপ্রতিরোধ্য হলো ।

বিপরীতে যেহেতু ছিল না সাড়া 
দুনৌকা-জনিত আপোষে কোনওদিন,
ফলতঃ, একতরফা অবদমিত কামনা
উদভ্রান্ত করে তুললো আপন যাপন ।
অতৃপ্ত বাসনার মরীচিকা ভুলিয়ে নিল
অবধারিত কিংকর্তব্যবিমূঢ়তায় ।

পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে
বিচক্ষণতায় পাল্লা দিয়ে
নিজেকে বিলক্ষণ পাল্টে নিতে না পেরে,
কবি অতঃপর একটু একটু করে ডুবে গেল
ব্যর্থ কবিতার 
দ্বর্থক অনর্থের অনাবশ্যক চোরাবালিতে ।

সলতে ফুরিয়ে এলো অনুভবের আলোর,
ফিরে ফিরে আসা অমাবস্যার রাতে
অক্লান্ত দীর্ঘশ্বাসে ক্লান্ত উষার
ঊষর প্রতীক্ষায় ।

প্রসারতা

'প্রেম' শব্দটির প্রচলিত অর্থের আসেপাশে 
কোথায় যেন একটা হালকা আঁশটে গন্ধ
পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েই যায় ।

'ভালবাসা' শব্দটি সে তুলনায়
বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগ ও সহমর্মিতার বেশ কাছাকাছি ।

'অনুরাগ' শব্দটির ব্যপ্তি সম্ভবতঃ অধিক ।
অনুরাগ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নাও হতে পারে ।
তবে, তেমন গভীর আগ্রহ ও আকর্ষণ
অপ্রতিরোধ্যরূপে অনুভব করা বিনা
জীবনকে 
সুন্দরতরে উন্মোচন কদাপি সম্ভব নয় ।

একমাত্র অনুরাগের তীব্রতায় মানুষ 
নিজেকে প্রয়োজনানুসারে বিনির্মাণ ক'রে
স্বতঃপ্রণোদিত নবজনমের বিকাশে
অতীতের যে কোনও অসম্ভব ও দুর্লভকে 
পরবর্তীতে, পরিবর্তিত স্তরে, একটু একটু করে 
ক্রমশঃ বাগে আনতে পেরে 
অবশেষে একদিন 
সম্ভবে পরিনত করতে সক্ষম হয় ।

এ জগতে যে কোনও মানুষ
আন্তরে বান্তর হতে চাইলে নিবিড়তরে,
একদিন বাস্তবে, অতীতের
অসহায় সীমাবদ্ধতাদের ছুঁড়ে ফেলে 
হাসতে হাসতে এক জনমে
ফিনিক্স এর মত, আপন অস্তির 
একাধিকবার
সুন্দরতর সংজ্ঞা রচনা করতে পারে ।
.

শুরুর বাঁশি

লক্ষ্য একবার স্থির তথা অবিচল হলে
অতঃপর সব বিভ্রান্তির ঘুরপথ ছেড়ে
কর্মের অভিমুখটি
সোজা এবং সরাসরি হতে হবে ।

এগোতে গেলে বাধাও থাকবেই ।
প্রতিটি বাধার উপরে রিসার্চ এর কাজ
যত দ্রুত সম্পন্ন হবে,
তত সহজে তাকে অতিক্রম করা যাবে ।

এই বোধটুকু স্বচ্ছ হলেই 
চরৈবেতি, তথা গতি, দিব্যি স্বাধীনতা পাবে ।

ওহো, ভালো কথা !
তুমি কি দম নেওয়ার জন্যে দাঁড়িয়ে পড়েছো ?
নাকি, তোমার ভোগের আর দুর্ভোগের বাকিরা
মোটেই ছাড়তে রাজি নয় তোমাকে এখনও ?

সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২

নারসিসিস্ট

ভালবাসা মানে - নাটকে
খুব কায়দা ক'রে পার্ট বলতে পারা ?
ভালবাসা মানে রঙ মেখে সং সাজা ?
ভালবাসা মানে খুশি হওয়ার 
অবিরাম অভিনয় আর 
আপন বিবেকের স্বতঃস্ফূর্ততার বিরুদ্ধে
খুব পরিপাটি করে পরকে খুশি করে,
আখেরে, আপন মোক্ষম অভিনয়ের 
গেম-প্ল্যানটি সার্থক করা ?

ভালবাসা মানে 
চমকদার নতুন স্ক্রিপ্টের খোঁজে 
হার-জিতের আসরে সূক্ষ্ম বুদ্ধির খেলা ?
খেলতে নেমে ফাঁক বুঝে,
ফলতঃ, অবধারিত শুয়ে পড়া ?
ভালবাসা মানে - জমিয়ে বসেছে আবার
কুটিলতার মেলা ?
সুতরাং চলতেই হবে
সরলতাকে যত উপায়ে সম্ভব
কৃত্রিমতা দিয়ে ঢেকে ফেলা ?

পরাণ বেচারা যেন 
সহজিয়া মুক্তির নিতান্ত অভাবে
একতরফা অবসন্ন রয়ে যেতে পারে
পরিকল্পিত প্রবঞ্চনার নিঃসঙ্গতায়, 
আপন চাতুরীর কর্তৃত্বের কাছে 
বারংবার বাধ্য পরাজয়ে, আজীবন 
এবং সারাবেলা ?

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

তারপরেও

হয়তো অপেক্ষায় থাকবে না 
কোনও রাজকীয় অভিসারের রথ !
হয়তো অপেক্ষাদের বিকেল গড়িয়ে 
সন্ধ্যে নামা
হতে হবে প্রাত্যহিক এবং অবধারিত ।

তারপরেও যদি কোনওরকমে
বেঁচে থাকে সুন্দর - ইচ্ছার নমনীয় শ্বাসে,
তাহলে, অপ্রত্যাশিত অবসর 
না চাইতেই জুটেও যায়
দূরদর্শী পরাণের কপালে একদিন ।

তেমন হলে, নিশ্চিন্তে, 
পায়ে পায়ে, নিকটে এগিয়ে এসো ।
পাশাপাশি হেঁটে যাব কিছু পথ
মৌন আস্থাটুকুকে
সন্তানের মত মাঝখানে আগলে রেখে ।

চার পা, নাহয়, সাতপাকের নিয়মে 
পথ চলতে চলতে, মাখবে একসাথে, 
অনুরাগে ভিজে ওঠা সহমর্মী ধুলো,
অস্তগামী অরুণের আবীরে
কপাল আমাদের হয়ে উঠবে 
অবশ্যম্ভাবী লালে-লাল যখন,
অযতনে ফুটে থাকা 
শত-পুষ্পের উজ্জ্বল হাসিকে
রাস্তার ধারে নির্ভীক সাক্ষী রেখে ।

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২

The Turn

At a certain point of life 
you may irresistibly feel 
that the time has finally come 
for a rapid change of your old regime. 

A conversion becomes mandatory,
when, after years of walking strides,
you ultimately decide to henceforth fly.

To silently welcome 
a thoroughly new YOU inside, 
you may leave 
your so far lingering habits 
and practices, whatever old, 
of mundane comforts and complacencies, far behind, 
to trace a fresher path of life 
of adapting 
more dedicated replacement of habits, 
only when you hear 
the clear phoenix-alarm deeper inside. 

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

অপারগ

চাইলেও, তোমাকে যা দিতে পারি না
সে আমার একান্ত স্বাধীনতা এযাবৎ ।

যেমন ধর,
তোমার অগোচরে
তোমার গভীরে হাঁটতে হাঁটতে
অনায়াসে যত দূর চলে যাই হামেশাই,
যেভাবে জেনে, বুঝে নিতে পারি
অন্দরমহলের 
পরতে পরতে সযতনে লুকিয়ে রাখা 
এক একটি রহস্যের সঙ্গোপন,
তা তোমাকে হুবহু দেখাতে পেলে
সে অবধি রক্তিম হয়ে উঠতে লজ্জায়
যতদূর হতে পারনি সজ্জায় এ জীবনে কখনো ।

অবশ্য বলাও যায় না,
দেখিয়ে ফেললে একবার
আরও মায়াবী হয়ে উঠতে পারে হয়তো
দৃষ্টি তোমার 
গভীরতর পিয়াসের মরীয়া উদ্ভাসে
অচেনা ডাহুক-ডাকের অবলা ফাঁকে 
আশাতীত দিব্যি তখনো ।

শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২

রিএকশন

যে কাজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়
কিন্তু, যে পরিস্থিতির শিকার
আমাদের বাধ্য হয়ে হতেই হয়,
সেখানেও 
একটি স্বাধীনতা থেকেই যায় আমাদের,
সে হলো প্রতিক্রিয়ার স্বাধীনতা,
কারণ, তালিটি বাজতে হলে
ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার দুটি হাতই লাগে ।
অর্থাৎ, আমি কি ভাবে সাড়া দেব
আর কখন, কত কম বা বেশি সাড়া দেব,
সে পছন্দ তখনো একা আমার ।

তবে সাড়া একবার দিয়ে ফেলার পরে
ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় 
অধিকতম ক্ষেত্রেই আর থাকে না  ।
সুতরাং কোন আবেদনে সাড়া কিভাবে দেব
এই সিদ্ধান্ত গভীর দায়িত্ববোধ দাবী করে ।
কেবল আপন সাড়াদের 
ক্রমশঃ সুরুচিসম্পন্ন ও উন্নত করার মাধ্যমে
জীবনকে অধিকতর সুন্দর করতে পারা
মানবজীবনে প্রকৃত বিচক্ষণতার পাঠ ।

একজন সুন্দর অথচ উপযোগী মানুষ 
হয়ে উঠতে পারা
কখনোই খুব সহজ কথা নয় ।

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

ঋত্বিক

বিশ্বাস দুর্বল হলে
আজও মনে হয় পরমাদ, 
বলেছিলে যবে -

"পৌষের লেপের প্রলেপে
জেগে ওঠা সাময়িক পৌরুষে 
তলে তলে তুলে দিয়ে বাঁধ
হাত ধরে ডেকে নিই তোমায়
অধিকতর উষ্ণতায় ?

চলে এসো তবে একছুটে এইবেলা
ভিন্ন নিয়মের খেলায় ।
চাবি খুলে, দরজা হাট করে মেলে দিতেই
পেয়ে যাবে অপ্রতিরোধ্যের স্বাদ ।
চেনাবো পায়ে পায়ে অভিসারে
আমারই হৃদয়কাননে 
মোম-গলানো মেদুর উষ্ণতায়
আগুন-রঙা ফুলে ভরা
আলোকিত অবারিত ছাদ ।"

নির্ভয়

যে ধরায় তিন ভাগই সুনীল জল,
একটু দূর থেকে দেখলে
অনেকটা আকাশেরই মত,
সেখানে চিন্তা কেন আর বল ?

প্রতিটি দেশ, 
তা সে বড় হোক না যত
আর যার যত কাছাকছিই থাকুক,
শেষমেষ আর একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ,
অবিকল ঠিক মানুষেরই মত ।

প্রয়োজন
উভয়েরই খুব বেশি কিছু নাকো,
বাইরে আয়োজনহীন আর
বিশ্বস্ত অন্তরে 
শক্তপোক্ত ভালবাসার সাঁকো ।
.

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২

চিরসবুজ

অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন করি একটা ?
মেঘের আড়ালে আড়ালে 
বেলা কত গড়ালো এ অবধি ?
মৌন রয়ে যাও যৎসামান্য হেসে,
উত্তর দিতে ইচ্ছা একদমই করে না ।

তাহলে অন্য প্রশ্ন করি, কেমন !
ভালবাসার বয়স কত হলো তোমার ?
এবারে সত্যিই মুখ হাঁ ।
উত্তর জোগাবে কি করে ?
দশ থেকে একশো, যাই হোক সংখ্যায়
ভালবাসার যে
শরীরের কোনও বয়সেই বয়স বাড়ে না !

তাহলে, দিল খুলে 
একচোট খেলা হয়েই যাক, নাকি ?
খুল্লম-খুল্লা খেলতে বলিনি তাবলে ।
হাঁপানোর অবসর 
যদিও জুটেই যাবে শেষমেষ ।
হয়ে গেলে, চোখ তুলে 
পারবে না, জেনো, বলতে আবার -
"লজ্জা করে না ?"

হাঃ হাঃ হাঃ !

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

পলাতক

একের পিঠে এক অভ্যাসের ইঁট 
আসক্তির আঠা দিয়ে জুড়ে জুড়ে
ক্রমশঃ ঘর বানায় মানুষ
আজন্ম নিরাপত্তার চাহিদায়
কখনো কখনো বহু বছর ধরে ।

অথচ, তেমন যতনে গড়া 
সোহাগের আবাসনখানি
এক ঝটকায় ছুঁড়ে ফেলে
সম্পূর্ণ অনিশ্চিতের তাগিদে
সহসা বেরিয়ে পড়ে - সেই একই মানুষ,
বুকের গভীরে একবারটি তার
ভালবাসার বেসামাল সুরটি 
আকুল হয়ে ডাক দিলে ।

চেতনার নিগূঢ়ে লুকিয়ে থাকে
সুপ্ত কারুবাসনা প্রতিটি মানুষের ।
সহসা ঘুম ভেঙে 
নিজেকে তখনো অতীতে দেখতে পেলে,
প্রতিবেশ পাল্টাতে চায় তার ।
অদূরে বাঁশির আবাহনও প্রকট হতে হয়
ফের তাকে 
টাটকা ও নতুন সবুজে গড়ার 
চৌম্বক মরীয়ায় ।

অলখে সাড়ার তাড়া 
বাধ্য হয়ে, শিকল অবধারিত ছেঁড়ে,
প্রেমাস্পদের হাতটিতে 
অধিকতর নির্ভরতা খুঁজে পেলে ।
.

শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২

The Racing Car Driver

During scheduled executions of the purposes of life, whatever, it requires every time a commitment for maintaing an irresistible toughness. 

It has to have an element of ruthlessness, purely masculine in nature. 

This particular side of one's strength of character is applicable to convincingly discipline and raise one's own competence only and is never applicable upon somebody else, whoever. The latter propensity is purely accident prone and disastrous. 

On the other hand, no transformation in real life is a game of soft toyes, i.e. those who, before duties, can't arrest their habit of extending compassion to themselves, can never attain required agility and perfection to defeat time and become a master executive of serial successes.

Self indulgence delivers imbeciles only, at the maximum, while toughness is seriously needed in life, purely for internal applications and nothing else.

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

সখের প্রলাপ

এধরার ধারায়
যে কোনও দুটি মানুষের দিশা
কদাপি হুবহু এক হওয়ার নয় ।

ভালবাসা তবু না বলে জন্ম নেয় 
একের তরে অপরের পরাণের ঘরে,
প্রতিটি জীবনকে আপন সাধনে 
সুগত করার মঙ্গল কামনায় ।

তৃষ্ণা 
আহরণে ব্যস্ত থাকে ।
আহরণ মানে বরণ হতেও পারে 
তবে, হরণ সর্বদা নয় ।
রাধার যাপন-অভিধানে
সংবেদনের তলে তলে 
অচিন রহস্য-যোগে
জল কেবল
গভীরতায় বাড়তে থেকে
ক্রমশঃ কৃষ্ণ-অতলকে খুঁজে পায় ।

কৃষ্ণ তখন কি অন্যমনে
আর সুনিধি তার
স্মিতহাস্য সহযোগে 
অতীব ব্যস্ত
করজোরে দয়া ভিক্ষায় ?

বিদ্বানে ফেটে পড়তে শুধু বাকি 
দরিদ্র পৃথিবীর ।
সত্য চিনতে কয়জনা পায় ?

বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২

Enlightenment

LOVE is the most magical device
For growth
That provides you
With two inevitable options.
The choice is, of course, only yours.

Either #get_wounded
Or #become_wise.
Over.

( By the enlightenment from Sadguru's wisdom )

লাভ

সুখের বাস পরের ঘরে ?
চোরের পারা, অতি সন্তর্পণে, 
প্রত্যাশা পূরণের অভিসারে ?

স্থায়িত্ব-জনিত শান্তি
আদৌ জোটে না যে অধিকারে,
প্রকারান্তরে, অনিশ্চয়তার প্রাবল্যে,
কেবল উৎকণ্ঠা যখন 
একতরফা জ্বালিয়ে মারে,
তেমন কুহকিনী আশাকেও
অতীব লোভনীয় দেখাতেই পারে ।

যাপনের অপর পারে
যতক্ষণ
কল্পনার জগতে, 
বিশ্বাসের জগতে,
চিন্তা-ভাবনার জগতে
আবেগের বেগে
অনুভবের পরিসরে
সুন্দরকে, মরীয়া হয়ে,
অধিকতর খুঁজে পাওয়ার তাগিদে
মানুষ নিজেকে
আপ্রাণ কর্ষণ করতে পারে
একনিষ্ঠ সমর্পণের পরিসরে,

ততক্ষণই বাঁচার মত বাঁচে 
আপন অন্তর হতে 
সুখের পরশ-যোগ্য উৎসারণে
সতত খুশি মানুষ
শুদ্ধ সৃজনশীলতায় প্রাপ্য অধিকারে ।

আপন সৃষ্টিরা, অতঃপর,
প্রকাশ্যে মেডেল হয়ে দোলে 
স্রষ্টার গলার হারে
আর জীবন হতে, দেখ-না-দেখ 
প্রভূত হাসি কাড়তে পারে ।

Human BEING

What is the basic difference between man and animal ? 

Animals can react only, they are thus driven mostly by first reactions, but only man knows how to control first reactions and convert a tendency of mere reaction into a positive and useful response that may push him forward in life in attaining higher power and control.

Animals have no idea of growth through self transformation, but man, by his ability of ceaselessly BEING and BECOMING, keeps on transforming himself through generations and grows into a worthier species on earth . 

That's precisely why, not like rest of the animal world, a man is called a human-BEING and thus, only man knows how to be judicious, the art of being RESPONSIBLY RESPONSIVE. 

Do you remain aware of this subtle trait of yourself too, every now and then and always ? If yes, keep confidently smiling. Being more conscious implies being more spirited and alive. Cheers !

( In light of Sadguru's wisdom )

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২

সংকীর্ণ

"কেবলই নিজেকে নিয়ে 
এবং অযথা ইনিয়ে-বিনিয়ে" !

আটকে আছে বৃহত্তম ব্যস্ততার জগৎ
কুয়োর ব্যাঙের অপার মহিমায়
"আমি ও আমার"
এই তুচ্ছাতিতুচ্ছ মূর্খামীটুকুতে
নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিয়ে ।

শ্শ্লা ! কানার জিন ।
এত্ত বড় দুনিয়া 
আর তার সুন্দরের 
এত এত রূপে নিয়তঃ উদ্ভাস
আর তার প্রভূত সম্ভাবনা
ধরাই পড়ে না পোড়াচোখে ।

দৃষ্টি গভীরে না মেলে,
জীবনে 
আপন বিবর্তনের দায়
সামান্যতমও না নিতে চেয়ে,
এসেছে জগতে শুধু
আত্মরতিকে 
দুর্লভতম অভীষ্ট জেনে,
খাড়া-বড়ি-থোর 
আর থোর-বড়ি-খাড়ার
অবশ্যম্ভাবী একঘেয়েমি
উদযাপন করতে করতে,
নিজেকে অনুপযোগী প্রমাণ
নিঃসন্দেহে সার্থক হলে, অবশেষে
বিস্মৃতির অতলে যেতে হারিয়ে 
কিছুমাত্র নিষ্কর্মা পরিসর পার করে ।
.

সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২

খেলতে খেলতে

কাজটা যে বিশাল কঠিন - এমন নয় ।
আসক্তির উপরে 
ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণ থাকলেই হবে ।

অন্য একটা মানুষের ভিতরে ঢুকে
হুবহু তারই মত করে
তাকে বুঝতে পারা কে 'অনুভব' বলে ।
মায়ের প্রাণ হামেশা পারে 
আর পারে বিরল শিল্পীরা,
নিজেরই আঁকার ছবি 
আঁকতে আঁকতে,
অথবা অভিনীত চরিত্রের মধ্যে
নিজে বার বার ঢুকে পড়ে ।

ধরে নাও - এমন মানুষ তুমি নিজে,
যার জীবনে কষ্ট অনেকই আছে,
কেবল যা নেই, আসক্তি-বিনে,
সে হলো দুঃখের দীর্ঘশ্বাস এবং ফলতঃ,
পরের প্রতি অভিযোগের পাহাড় ।

তুমি তারপরও যা পারো, সে হলো -
মনে মনে, কারণ সহযোগে
নিজের একটি দুঃখের ছবি এঁকে
তার মধ্যে ঢুকে পড়ে
তাকে অবিকল বাস্তবে অনুভব করতে 
আর তেমনটা সত্যি পারলে, দেখবে - 
না বলে হঠাৎই বন্যা ধেয়ে এল নয়নে,
ঠিক যেভাবে মঞ্চে কেঁদে ফেলেন শিল্পী
অবিকল ঝর ঝর ক'রে !
তফাৎ পাবে না তখন খুব একটা বড়
অন্যদের দুঃখের অভিজ্ঞতার সাথে ।
মানুষ ভাবতেই পারে, "আহা রে, না জানি
কোন অভিশাপ নেমে এল জীবনে ।"

পরে যদিও, ফের অতীতেরই মত
সুখী হয়ে শুতে যেতে পার রোজ রাতে ।

অপনোদন

নারীর পারা পুরুষও প্রেমে পড়ে ।

যে কোনও প্রকার প্রেমে পড়ার কালে
কোনও না কোনও ভাবে
অসহায়রূপে, বাধ্য পরিবাহিত হতেই হয়
পরিস্হিতির 
অথবা অপর মানুষটির ইচ্ছানুসারে ।

তুমিও প্রেমে পড়তে চেষ্টা করতেই পারো ।
তবে, দৃষ্টি স্বচ্ছতর হলে
আপন নিয়ন্ত্রণটি এতকাল পরে হঠাৎ 
অপরের হাতে অর্পণ-জনিত
অস্বস্তির কালে
বোড়ে সেজে, সেধে গজের গোড়ায় এলে
বেশ জোরসে হাসি পেয়ে যেতে পারে ।
তবু চেষ্টা তো কর ।

কর্তিত

"ও কথাটি আলো হয়ে
গেঁথে রয়ে যাবে বুকে অতঃপরে,
যদি একবার উচ্চারিত হতে পারে
মেঘের সুরে, হুবহু মন্দ্রস্বরে,
যথা-লগনের বকলমে
এবং সার্থক আকস্মিকতার উপচারে,"

সম্ভবত, ঠিক এমনটিই আশা করে
ঝড়-জলের প্রতিটি বাধা 
নীরবে পার করে
পায়ে পায়ে
এসে চলা আজও
অপ্রতিরোধ্য অনুসরণে
ক্রমশঃ নিকটতরে ।

নিশিথ-শিশিরের ভারে
ক্রমাগত সিক্ত হতে হতে
অসহায় বৃন্ত 
আরও কিছুটা নুয়ে এলে পরে,
শিকারকে শেষ অবধি 
কব্জায় পেয়ে যাওয়ার উপক্রম হ'লে,
সুদীর্ঘ অনাহার
একতরফা সয়ে, পার করে,
জিতে যাওয়ার উল্লাসে
কখন যে আপদের পারা
অবধারিত হেসে উঠবে 
শীতলতর শ্বাপদ
তোমার আমার রসায়ন হতে
অপ্রতিরোধ্য অভিসারে,
সে কে, কবে, কোন সুবাদে বলতে পারে ?
.

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২

জুড়ে যাওয়া

মানুষ তো প্রথমেই জান্তব আসক্তিতে,
দেখ-না-দেখ, শরীরে আটকে প'ড়ে,
দিবস-রজনী গোলাকারে ঘুরে মরে ।
সবচেয়ে বোকারা তাই শুধু শুতেই পারে ।

তেমনটি না হলে, দুজনে মিলে 
জীবনকে গোছাতে চায় সুন্দরতরে
ভিন্ন পরিবেশ তৈরী ক'রে 
মন মনকে চিনতে পারে অধিক নিবিড়ে ।
তবে, মনও থেমে পড়ে আপন সীমার দ্বারে
লাভ-লোকসানের মুহুর্মুহু হিসেবের অত্যাচারে ।

না থামলে, সে ভিন্ন জগতে হারাতে পারে,
কোমল পরাণটি যখন অভিযোগহীন আর
কপোত-কপোতী কেবল মধুরে নিমগ্ন 
পরাণের ঘরে, উদার সম্প্রীতির অভিসারে ।
অনুভব বুঝতে পারে, অপর কেউ বাহির হতে
দেয় না অধিকার নির্নিমেষে ভালবাসিবারে,
উৎসটি অপেক্ষায় থাকে কেবল আপন অন্তরে ।

আরও একটি জগৎ অবশিষ্ট থাকে উন্মোচনে ।
হ্যাঁ, তারও ওপারে ।
একাত্মতা, তথা অভেদের বিরলতম আশীর্বাদে 
প্রশান্ত ও ফলতঃ মৌন সাধারণতঃ যারা,
তারা অচেনাই রয় । একদমই বেশি জোটে না রে
আদর্শ উদাহরণ হতে । বরং আড়ালেই থাকে
স্থুলময়তার অদূরে অবধারিত-আটকে-পড়া 
মূলতঃ এ মোহের সংসারে ।

ফুলের সুবাস অদ্ভুত স্নিগ্ধতায় পাল্টাতে পারে,
মানুষে মানুষে, আপন পছন্দের গলার হারে ।

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

Certify

Every incomplete act
Large or small
Is another cheating 
By beating the conscience
And putting it in shallow hide
And thus,  remains a definite crime.

Not competitions, but
Completions are ever divine.
One has to learn afresh
How to hear the chime 
Inside heart
With deeper pride.

One has also to learn
To celebrate internally
By rewarding the acquired shine
Everytime
With a compulsory abide

And fill up 
All minor nooks of life
With residual smiles.