বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

হয়

সুখ আর আরামের বিবশতা
যতটুকুই হোক না কেন,
অবসন্ন আর 
জড়ই করে আখেরে ।

খুব যদি ভালোবাসো,
তবে, সাময়িক তৃপ্তির ক্লেদে
লক্ষ্য কে গুলিয়ে দিয়ে
ভুলিয়ে রেখো না 
অবনতির নিঠুর ছলনায় ।
বরং সর্বাঙ্গ তার
উন্নতির যথাযথ সুবাসে 
ভরপুর ভরে উঠুক, - চেও ।

কষ্টের একনিষ্ঠতায়
যোগ্যতা-অর্জনের দিশায়
বিকাশের উৎসবে
নিয়ত হাসি-মুখের -
'হাঁটি হাঁটি পা পা'-য়
দিনে দিনে দূরকে নিকটে পাঠিও ।

ঔজ্জ্বল্যের নিগূঢ় তাগিদে
আপামর নিজেকে
উত্তরোত্তর উচ্চতায় বাড়তে দিও ।

সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

Empower

That may keep you consistently happy, in reality, who or what loves you the most and everyday, without fail.

Can you ever fetch steady happiness by being a love seeker externally ? The answer is NO.

Let me repeat the same question once again, with a little twist. Can you ever fetch steady happiness by being a love seeker internally ? Now the answer is a sanguine YES.

Then how ?

Well, every single good habit you consciously form by compelling repetitions of 66 days, the bare minimum, turns into the most faithful caregiver to definitely add more residual smiles to your everyday life.

A ceaseless urge for improvement is what matters most. Whatever you do , there must be some active effort, some actual energy investment for improving the quality of your every action. You have to do it always to 

1. Discover a better way of doing the same thing that you perform everyday. Very interestingly, being vibrant, more and more, it then never ever feels monotonous.

2. Invent by any means, at least, one more fresh activity to add to, that may invariably turn your everyday life into a better work of art than yesterday. It means growth. This goal involves required passion of youth that contributes to sheer renewal of celebration, mandatory for a habitually happy human being. 

When you love each of the powerful habits with enough passion, let your accumulation of care-giver habits keep providing you, like the trusted mother, enough emotional security and balance that you may recall every night before sleep with pure pride and regard.

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

বাহক

অঢেল নিবেদন, অজস্র সমর্পণ
সবাই মজুত ছিল 
জনম সার্থক করার অপেক্ষায় ।
অথচ সব মোহ-মায়া ছেড়ে
যাত্রা করেছে অজানিতের পথে,
এমন মানুষ একজন নয়,
অনেকেই ইতিহাসে আছে ।
কিন্তু কেন ? কোন অমূল্য অভিলাষে ?

নিজেরই দীর্ঘদিনের অভ্যাস ও
প্রিয়তম ভালবাসার প্রশ্রয়কে
তীব্রতম যন্ত্রণা সহ্য করে
আপন কলজে হতে ছিঁড়ে
রেখে চলে যায় পথের পাশে 
কোনও এক বাঁকে ।

মানুষটির বাইরের খোলটি
স্থবির অতীত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ।
বর্তমান নিঃশব্দে 
নিজেকে নতুনে পাল্টে নিয়ে
রওনা দেয় ভবিষ্যতের পথে ।

এমন ব্যতিক্রমী যারা
তাদেরই কিন্তু 
চিরকাল সবচেয়ে একা হতে হয় ।
ধূ-ধূ বরফের রাজ্যেও অবিচল
এক-একটি একক চরৈবেতি ।
এদের নিকটতম সঙ্গী 
ও সমঝদার সুহৃদ একমাত্র
সদ্য পরিত্যক্ত আপন অতীত সত্তাটি, 
এর অধিক আর কেউ বিশেষ নয়।

কানাইয়ের গোকুল ছাড়ার পরে
আর কোনও নতুন গল্প নেই রাধার ।
আর গৌতমের বেলা ?
সে আর কি নতুন করে বলার ?
কেন আসে এরা, এ ধরায় ? 
কেনইবা না বলতেই ভালবাসে ?
ভালবাসা শেষে কী খুঁজে পায় ?
নিরাসক্তি এ অবধি কেন যে ধায় !

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

অধিকার

"সে" - তুমিও নয়, 
আবার "সে" - আমিও মোটেই নয় ।
অথচ "সে" সর্বদা আশেপাশে ঘুরঘুর ক'রে
আমাদের থেকে 
সন্তান-সম মমত্ব অবিরত কাড়ে ।

ভালবাসার জল সকাল-সাঁঝে
নিয়ম করে রোজ পেয়ে গেলে
"সে" চনমনে সবুজ থাকতে পারে ।
"সে" আদপে কোনও গাছ নয়,
অথচ বৃক্ষের মত আশ্রয় দেয় 
সময়মত
শান্তির সুনিবিড় ছায়া-সহকারে ।
আবার রোমান্টিকতাও চাই তার,
ফাঁক পেলেই, ব্যস্ততার প্রহারের প্রহরে ।

তার প্রতি যত্ন যত বাড়ে আমাদের,
"সে" তত সুখী রাখতে পারে 
দুজনকেই অধিকতর হারে ।
নিজে "সে" সবচেয়ে বেশি সুখী হয়
নিত্য-নূতন অন্তর্মুখী আবিষ্কারে
পরাণে, বিশ্বাসের প্রসারে, 
পুরোনো হয়ে যাওয়াকে
না বলেই পেরিয়ে যেতে পেলে ।

একজনকে, অপরের হৃদয়ালোকে, 
প্রতিবিম্বে অবিকল তুলে ধরতে
"সে" ঝকঝকে আয়না ধরে,
যে আয়না অসাবধানতা-জনিত
অপমান, অবহেলা আর অযতনে
আচমকা চুর-চুর হয়ে ভেঙে যেতে পারে ।
নরম হাতে ধরলে আবার 
বড় ভাল থাকে,
ভাল রাখে আমাদের 
অবিশ্রান্ত হারে বাড়িয়ে ধরা উপহারে ।

খোলা চোখে দেখা যায় না তাকে,
ছোঁয়াও সম্ভব নয় পার্থিব আঙুলে ।
সম্পর্ক "সে" - তোমার আমার,
জীবনের শ্রেষ্ঠতম আশীর্বাদ,
যাপনে মূল্যবানতম হওয়ার আর
হামেশা মুখোমুখি খুশিতে 
মাল্যবান থাকার সহজাত অধিকারে ।

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২

আক্ষেপহীন


প্রীতম স্যার, ক্লাসের বিপ্রতীপে দাঁড়িয়ে,
মোটা ফ্রেমের চশমার ফাঁকে 
চকচকে চোখে যেমনটি তাকাতেন
এক চিলতে হাসির দুষ্টুমি 
বুক থেকে বুকে ছড়িয়ে দিয়ে,
রাতে শুয়ে পড়ার পরে 
মনে পড়বে না সেকথা আর,
তেমনটাই স্বাভাবিক ছিল, এমন নয় ।
ক্লাসের ফার্স্টগার্ল হলে 
প্রিয় পুরুষকে ভেবে স্বমেহন অন্যায়
তেমনটা কে বলেছে ভাই ?

অথচ এমন দীর্ঘদিনের অভ্যাস,
( সু না কু বলবে - সে তোমার দায় )
চলেই গেল তোমার প্রেমে পড়ার পরে ।
পাগল অভিমান কী আর করে ?
তোমার কাছে যা ন্যায্য দাবী,
রয়ে সয়ে, রসে বসে, না আদায় করে
তা কি লুকানো আপোষে 
স্বার্থপরের মত একা নিজের কাছে কেউ
চুপিচুপি চাইতে পারে ?

ভাল কে বাসে

খুঁজতে হলে, অনুভবে খুঁজো ।
খুঁড়তে হলে, পরাণে খুঁড়ো মানুষটিকে ।
পরাণে কুৎসিতের বাস থাকে না কারও ।
বিবেকের শুভ্র সাহচর্যে কেবলই সুগন্ধ
আর মধুর স্বাদ পাবে সেখানে ।

মানুষকে খুঁজতে যেও না কখনো
তার মনে ।
সেখানে শুধু স্বার্থ গজগজ করে ।
যত ধান্দাবাজি আর সুবিধাবাদের চর্চা
করতে পারে মানুষের ওই হিসেবী মন ।
মনটি আদৌ বিশ্বাসের যোগ্য নয় তাই ।
প্রলোভনের চাপে পড়ে, সুযোগ পাওয়ামাত্রই 
সে তোমাকে ঠকিয়ে দিতে পারে ।
যে কোনদিনও ঠকাতে পারে না
সে হলো মাতৃসমা-মমতাময়ী পরাণটি মানুষের ।

যে মানুষই হোক,
মানুষটি কখন, কার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত,
এটা খুব সাবধানে খেয়াল করার বিষয় ।
সে নিজেও খেয়াল করে না, অথচ
একই মানুষের মধ্যে
একই সময়ে দুটি মানুষ বাস করে ।
সময়মত আলাদা করে চিনতে জানলে 
আর ভয় নেই কোনও,
না চিনলে, একদিন
আচমকা বিভৎসভাবে ঠকে যাওয়ার
সম্ভাবনা থাকতে পারে ।
.

মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২

বিরল

কিছুই পারি না, এমন তো নয় ।
লোকে বলে, ভালই গান করি ।
ছবি আঁকার হাতও মন্দ নয় ।
আর আমার ঘর সাজানোকে
ঈর্ষা করার মত মানুষও যে কম, তাও নয় ।

প্রতি শনিবার রাত সাড়ে আটটায়
যে রান্নার ক্লাস নিই, লাইভে এসে,
সেখানে দর্শক সংখ্যা একশো ছাড়িয়ে যায়
পনেরো মিনিট পেরোনোর আগেই ।
ফেসবুকে আমার লেখা কবিতায়
লাইক ত্রিশ থেকে 
দেড়শোর আশেপাশে থাকে ।

সবই ঠিক ছিল । তবে কিছুদিন হলো
ভুগছি বিবেকের দংশনে, 
তীব্র হীনমন্যতায় ।
কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছি না সেই রাস্তাটা
যে পথে সময়কে নিমেষে
অমূল্য সম্পদে পাল্টে দেওয়া যায় ।

যাদের এক একটা আঁকা ছবির দর 
আরামসে সত্তর হাজার ছাপিয়ে যায়,
যে গায়ক অথবা গায়িকা 
একটা মাত্র গান রেকর্ড করে 
লক্ষাধিক টাকা কামায়,
অথবা যে রাঁধুনীর বেতন 
মাসে পাঁচ লক্ষের বেশি,
তেমন একজনেরও স্তরে 
অনায়াসে উঠে যেতে পারি না ব'লে,
কানের পাশটিতে এসে
আমার যোগ্যতা, আমাকে 
উঠতে বসতে
বাঁজা আর কূপমণ্ডূক বলে গাল দেয় ।

রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২

সচরাচর মামলা হয় না

শরীরে বলতেই পার,
তবে মানসিক স্তরে 
নারী 
পুরুষ অপেক্ষা দুর্বল আদপে না ।
নারীও দিব্যি অপরাধ করে 
অধিকতর মানসিক শক্তির জোরে
এবং হামেশাই নিয়মিত হারে ।
তবে গৃহাভ্যন্তরের সে অপরাধে 
সচরাচর মামলা হয় না ।

একজন পুরুষ 
স্বেচ্ছায় যতটা দিতে পারে অথবা চায়,
তার থেকে অনেক বেশি দাবী করা,
আপন চাহিদানুসারে
জোর করে দুয়ে নেওয়ার অভিপ্রায়ে
নানা অভিযোগে ক্রমাগত দুষতে থেকে
কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি ক'রে,
শোষণের বহুমুখী কুটিল প্রচেষ্টা করা
নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে অপরাধ না ?
পুরুষ যখন 
চরম আত্মগ্লানির বলি হতে থাকে ঘরে ঘরে
কল্পলোকের কবি তখন ফুল ফোটার সাথে
নারীর অপার পেলবতার তুলনা করে ।

অথচ, সব সহমর্মিতাকে ছাপিয়ে
যখন জেগে ওঠে
স্থিরলক্ষ্য আত্মকেন্দ্রিকতা,
যখন নারী-মনের অক্টোপাস 
ক্রমশ শক্তি বাড়াতেই থাকে
মানসিক স্তরে
একে একে আটটি মরীয়া শুঁড়ে
পুরুষটির ইচ্ছার উপরে 
পুরোপুরি দখল নিতে,
যখন পুরুষ হাঁসফাঁস করতে থাকে
নিরুপায় হয়ে 
তার সহজাত স্বাধীনতার 
একটু একটু করে 
চোখের সামনে দমবন্ধ হতে দেখে,
আর নারী যখন পুরুষের ইচ্ছার 
বুকের উপরে চেপে ব'সে,
লক্ষ্যের ক্ষীর পুরোটা নিষ্কাশনের আগে
কোনওমতে ছাড়ার বান্দাই না,
তাকে তখনো প্রেমের কর্ষণ বলবে তুমি ?
ধর্ষণ বলবে না ?
.

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২

The Celestial Right

A relationship is a second hand affair
Where you have to depend on
Somebody, outside you,
For it's mere existence.

It is just like an infatuation,
Another tendency, purely second-hand,
When you crave for possession
Of somebody in reality
By one form or the other.

But love is always independent,
Thus, obviously first hand,
A joyous flowering, inside heart,
For someone
Who may not even know of it.

Love is a true self exhilaration
And right for an unabated growth
Of bright green
And thereby, celebration of one' own
Freedom of spirit
Without dependence of any type
On any damn one.

Obscenity

She heard that four letter word 
Several times and knew 
It as a habitual slang
Used every now and then by men only.

Once she came back home 
From school in unexpected hours
And found her mother 
Being vigorously done, in reality,
By one younger neighbour,
While the former was 
Competitively responding from bottom
With encouraging, amorous cries.

She, though extremely shocked,
Didn't disturb them
And silently ran away out.
But, since then,
Her life was permanently disordered
By the unforeseen animal in her mother
And she unfortunately lost 
The basic respect for all goodness
Together with
The natural harmony of her mind
For the rest of her life.
.

মায়ের শঙখলাগা প্রেমিক যারা দেখে ফেলে
তাদের জীবনের মাঝখানে আগুন জ্বলে যায়
সারাদিন হাত ধোয়  ঘসেঘসে চামড়া তুলে ফেলে
 চোখ দুটো জ্বলে.. 
জলে জলে ভরে যায় শ্যাওলা চোখের উঠোন
তবুও  কি নিষ্কৃতি মেলে!  

যে জীবন ঘেন্নার, শ্বাপদের 
যে জীবন শুধুমাত্র বয়ে নিয়ে যেতে হবে বলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে শেষপর্যন্ত যাওয়া...
সেইতো উন্মাদ! সারাদিন অভিশাপ, " মর" 
নিজে তবু মরেনা কিছুতে ! 

অকারণ  এ হেনস্থা সহ্য হয় কার!  
মনে হয় সারা গায়ে সাপের থুতু লেগে আছে, ঘেন্না হয় 
আজকাল ঘেন্না ছাড়া কোনো রঙ সেভাবে ফোটেনা 
 সমস্ত ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কাদা রঙে বদলে যায়,আ মরণ! ন্যাকামি বোঝনা! 
 এইসব রমণ প্রহার.... 
নোংরা বড় নোংরা মনে হয়।

 আমার প্রেমিক নেই। প্রেমিকেরা দেহকাতর,এই দেহ স্পর্শ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি। শোনো! তোমরা শুনে যাও
যে মেয়েরা,মায়ের রমণ দেখে ফেলে, 
তাদের জীবন পুঁটলি বেঁধে মৃত্যুর মুখে ছুঁড়ে ফেলা ভালো 
যদিও এসমস্ত নাটক আমি পেরিয়ে যাচ্ছি অনায়াস,অবিকল অসংলগ্ন উন্মাদের বেশে....

আচ্ছা বলো! এরপরে কী লেখা হবে! 
চোখের সামনে প্রস্রাবের কটু গন্ধমাখা কাঁথা রেখে এগিয়ে গিয়েছে
 মা নামের সুচারু প্রেমিকা,
লোকে বলে আমি তার মৃত্যুবীজ নিয়ে ঘরে এসে হঠাৎ জুটেছি
মায়ের প্রেমিক বাবা নয়, অথচ সে খাদ্য জুগিয়ে যায়, অথচ সে কিছুতেই আমাকে মৃত্যু পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেনা...

আমার প্রেমিক নেই। কেননা মৃত্যুবিলাসী আমি অন্য মৃত্যু চাইনি সেভাবে 
আসলে  পৃথিবী পুরুষ শূন্য
 অথবা প্লাস্টিকের কাঁটাওলা  সমস্ত পুরুষকে আমি মনে মনে  ঘেন্না দিয়েছি।

 চারিদিকে শকুনের ছায়া 
ছায়ারও অসংখ্য ছায়া 
নুয়ে নুয়ে আসে, আমার শরীরে কথার চাবুক কেটে বসে 
আমি সেই থেকে বসে আছি 
নাওয়া নেই খাওয়া নেই মৃত্যু নেই 
কাঁকরমাটিতে থেবড়ে বসে আছি
 ও মৃত্যু এসো! এইখানে বসো! 

আমার উপরে কেন  বিষের প্রয়োগ
 হল না ! বলো! আমারই উপরে 
কেন এত গবেষণা! 
 বলো ! আমিই একমাত্র দোষী!
 তবে এই জন্ম অসাড়, হড়াৎ করে কেন নেমে আসে এ জন্ম এই গর্ভস্রাব!
 ঘেন্না করো প্রতিদিন আমাকে ঘেন্না করো।আমি সেই মেয়ে, না চাইতে মায়ের প্রেমিকা রূপ যে দেখে ফেলে...

ওগো জন্মদিন! এরপরে এতল্লাটে একবারও এসোনা। কুরুক্ষেত্র হবে 

সময় অস্থির বড় 
কর্কটের চেয়ে মূর্খ আছো কেউ! ছুঁয়েও ছোঁওনি যাকে! এজীবন আজকের নয়, বিষিয়েছে বহুযুগ আগে

পাশে কাউকে না নিয়ে কীভাবে হেঁটে যাবে 
 গোটা একটা মাঠ!একটা জীবন
 মাঠের চেয়েও বড় যদি, পানশালাতে চলো 
বেহেড মাতাল হব। চিৎকার করে
 লিখতে চাই এ পৃথিবী ভণ্ডের দেশ, 
 কিছুটা কৈশোরে একদিন মুছে গেছে মস্তিষ্কের ভারসাম্য... 
সেই থেকে অবিশ্রান্ত চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে এজন্মকে এই আধখাওয়া ছেঁড়া শরীরকে নিকৃষ্ট খিস্তি দিয়েও 
নিজেকে জুড়োতে পারছিনা, ফুরোতে পারছিনা   ...
ওহে মৃত্যু এ বেজন্মা জন্ম আমার
তোমার চেয়েও কুৎসিত কদর্য অর্থহীন 
আরও কত বেজন্মার জন্ম হবে বলে এই সময় সময়ের সাথে  শঙখ লেগেছে

চূড়ান্ত কিছু নাহলে এ অশান্তি কিছুতে মিটবে না 
এসো বিষ, মৃত্যুও এসো এ কুয়াশা দীর্ঘ জমাট হোক

অস্থির সময়ের কবিতা ২
©অরুণিমা চৌধুরী
.

বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২

The Unpredictable

Want predictable fun ?

Tempt habitual critics
With a mystic piece of nun.
( Second handers being the most readily available parasites on earth, won't be able to resist reactions.)

Pamper till f_ck and shun.

Sounds inhuman ? Yet you can.
Well, its not deep winter now,
But only mid-autumn. 
;)

সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২

বর্জ্য যার যার তার তার

সুন্দর হতে তো সবাই চায় ।
তবে, একই মানুষের পক্ষে 
তার সবচেয়ে সুন্দর ভার্সানে
নিজেকে ধরে রাখতে পারা সহজ নয় -
সুদীর্ঘক্ষণ ।

যখন যেটুকু সচেতনে
সুন্দরের উদ্ভাস দেখা দেয় আপন অন্তরে, 
সেটুকু ভাগ করে নিতে চাইলে
মাঝে মাঝে অবশ্যই
আমার দরজায় টোকা দিও ।

সাড়া দিয়ে, কপাট খুলে দিলে
কিছুটা সময়, নিজেরই মনে করে, 
আমার সাথে, যেমনটি চাও, 
দুই সং এ মিলে 
জীবনের সার খোঁজার বাহানায়
মাতাল হতে হতে
উথাল-পাতাল ঘর করে যেও ।
তোমার এযাবৎ সুপ্ত ইচ্ছার খেলনাবাটি 
ভাগ করে দুজনে মিলে খেলার মাঝে
আমিও আমার সেরা সুবাস
বেছে বেছে ভরে দেব পরাণে তোমার ।
স্মৃতির সঞ্চয়ে তার, রাশি-রাশি,
খুশি-হাসির সুখ মিলতে পারে অনুক্ষণ ।

অধিকার 
কুক্ষিগত করতে চাওয়া মানুষদের
কোনওকালে ভাল লাগে না আমার ।
সম্পত্তির মত কিনে নিতে চেও না তাই ।
চব্বিশ ঘন্টার 
"জী-হুজুর" ক্রীতদাস খুঁজলে,
এদিকে নয়,
অন্য কারও কাছে বরং যেও ।

অনাকাঙ্খিত তিক্ততাদের জন্যও
সময় বরাবরই অপ্রতুল ।
অভিযোগের বদভ্যাস থাকলে
ফের একা হওয়া অবধি অপেক্ষা করো ।
অতঃপরে তিক্ততার তীব্রতম বিষে 
খাতার পাতাকে কলমের চাকুতে
আপাদমস্তক জর্জরিত করা 
পুরোটা হয়ে গেলে,
আবার সুন্দরের পানে ফেরার আগে
মমতাভরে, হাত ধরে,  নিজে নিজের 
টলে যাওয়া সামলে নিও ।

শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২

আলো

বাড়িতে বসে বিদ্যুৎশক্তি পাও
প্রয়োজনানুসারে ব্যবহারে,
পাওয়ার প্ল্যান্ট অনেকটা দূরে
চুম্বকের উত্তর আর দক্ষিণ মেরুকে
পাশাপাশি এনে, মিলতে না দিয়ে,
দুইয়ের মাঝ বরাবরে
সুপরিবাহীকে বারংবার 
প্রবল গতিতে আবর্তিত করে ব'লে ।
পদার্থবিজ্ঞান ডায়নামো বলে তাকে ।

বিপরীত বক্তব্যে অসংগতি খোঁজো ?
বিপরীত ধারণাদের পাশাপাশি এনে
আপন চিন্তনে 
দ্বন্দ্ব না যদি জাগাতে পারো তীব্রতরে, 
তবে সত্যের সহসা ঔজ্জ্বল্য
তোমাতে সহাস্য প্রতিভাত হওয়ার
সুযোগটুকু পাবেই বা কী করে ?

না না, এমনটা ঠিক না । 
এ মন বড় মাসুম । 
পাখির বুকের মত নরম ।
তাকে এমন কঠিন প্রশ্ন করো না ।
বরং বাঁচুক জন্মান্ধ অন্ধকারে ।
সরলতা বুঝি 
বাস্তবের কষাঘাত সইতে পারে ?
.

চাতাল-চুম্বন

পাহাড়র অনাবিল ঔদ্ধত্য বেয়ে 
তরতরিয়ে নেমে এলে 
সমতলের নিরাপদ সফরে ।

অতঃপর, ফের সেই আটকেই গেলে
গভীর ঘূর্ণীতে, নাভিমূলে ।
ঘনজঙ্গল যদিও নিবিড় অপেক্ষায় ছিল
তার যৎসামান্য পরেই ।

আগেই সর্পিল ভয়ে দমে গেলে,
পাতার আড়ালে লুকোনো 
দেদার ঝরণায় 
অনুরাগের বিলম্বিত লয়ে
ক্রমশ মাতাল হতে হতে
পাতাল-অবগাহন 
করবে আর কী করে ?

শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২

Opportunities Unavailed Of

Number of choices 
Is the greatest blessing 
That a human being may readily have, 
While it remains pretty limited 
For any bare animal.

Whenever one is stuck up, 
Taking an alternate route 
For any fixed destination,  
Becomes wisdom. 

The range of this wisdom 
Is really immense, 
For, 
One often has lot of alternatives, 
Out of which he generally tries 
Only one or two in reality, 
While the residual choices, 
Never tried, are always lot more.

That's, perhaps, how 
Elon Musk supersedes 
The unnecessarily poetic ones.
.

বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

বর্ধিষ্ণুতার বোধ

আহা, কী গভীর দুঃখে ভরা এ জীবন !

অলস ও অলীক সুখ-স্বপ্নরা, 
নিরন্তর নৈঃশব্দ্যে, জোঁকের মত 
মনকে কামড়ে ধরে থেকে,
এ অবধি
প্রতিটি দুঃখের গোপন উৎস তোমার ।
নিদ্রা - দ্রুত ত্যাগ কর ।

নিঃসঙ্কোচে, কেবল আত্মবিশ্বাসের জোরে,
কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হতে অভ্যস্ত হও ।
কেবল সেই কাজ কর, যে কাজ করলে
আবশ্যিকরূপে 
নিজের প্রতি নিজের শুদ্ধ শ্রদ্ধা
অবলীলাক্রমে বাড়াতে পারো,
যার পরে
আয়নার সামনে দাঁড়াতেই, প্রতিটিবার
আত্ম-সমৃদ্ধির নিরঙ্কুশ অধিকারে
প্রবলতর প্রসন্নতা ও বিশুদ্ধ গর্ব অনুভব কর ।

মানবজীবনে, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও
উৎকৃষ্টতম স্বীকৃতির উৎস যে,
সে হলো আপন আত্মবিশ্বাসী-বিবেক,
বিবেকানন্দ সাক্ষাৎ প্রমাণ যার, 
চাইলে, মিলিয়ে নিতে পারো ।

বেকুব হলে, 
নিজেকে অযথা দীন প্রমাণ করতে,
স্বীকৃতি, পুরষ্কার রূপে - বাইরে, 
পরের নিকটে হাত পেতে ভিক্ষা কর ।

বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২

ভরা পাত্রে ঢালবে কোথায়

কোনও প্রত্যাখ্যানেই কি কখনো
জীবনের চরৈবেতি শেষ অবধি
স্থবির রয়ে যেতে পায় ?
যাপন, সহসা, পরিস্থিতির প্রহেলিকায়
বাধ্য একশো আশি ডিগ্রী ঘুরে গেলে
প্রতিবেশও সমূহ পাল্টে যায় ।
কি করে যেন
অভাগাদের জন্যও
তৃষ্ণার চাতক-সময়ে জলের গ্লাসে 
বাড়িয়ে ধরা করুণাও দিব্যি জুটে যায় ।

পথ হয়তো ঘুরে যায় পথেরই নিয়মে
ভিন্ন দিশার বাড়ানো হাত ধরে,
ভরা-কলস নেই যদি তখনো আর 
নূতন পরিনয়ের বাঞ্ছিত অপেক্ষায় ।

মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২

প্রাণের আরাম

তুমি কি সেই অবশিষ্ট জন
যাকে আমার খুঁজে বেড়ানো জনমভর ?

তুমি কি সেই মানুষ, যার জাদু-পরশে
আমি অবধারিত বদলে যেতে থাকি
অভীষ্ট সুন্দরতরে ?

তোমার মধ্যেই কি 
সেই বিরল যাপনের বাস,
যে, কোনও কথা না বলেও 
সবচেয়ে অনায়াসে বুঝে নিতে পারে 
প্রতিটি ইচ্ছা-অনিচ্ছা আমার ?

তুমি কি আমার সেই কমফোর্ট-জোন
যার সংস্পর্শে আসামাত্রই
জীবনকে আবশ্যিক সাবলীল আর 
হাসিকে সহজাত-রূপে প্রতিভাত হতে হয় ?

আচমকা জেগে ওঠা তীব্র প্রেম
স্থায়ী হয় না কখনো, - একথা চিরন্তন সত্য ।
তাহলে, কে তুমি
যার একঘেয়ে লাগে না, আমার সঙ্গ
ঘন্টার পর ঘন্টা, বছরের পর বছর ?
সহনশীল এবং অভিযোগহীন
কোন অবধি হতে পারে একজন মানুষ ?

তোমাকে বলতেই হবে । বল, কে তুমি, 
যে আমার সঙ্গটুকু ছাড়া
আর কিছু মুখ ফুটে চাও না কখনো ?
এ ধরায় প্রচলিত কোন ধারা আমাদের ?
আমরা কি কপালে-লেখা
একে অপরের জন্য জগতে আসার
নিভৃত ও গহীন কারণ ?

সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২

অভিসার

সবসময়ই নয় ।
তবে, মাঝে মাঝে জাত চেনাই যায়  
খাপ থেকে
না বলে বেরিয়ে এলে
তরোয়ালের ঝলসে ওঠা ধার,
পরাণটি যখন 
যথারীতি এসপার ওসপার

আর তেমনটা যখনই হয় 
তখনই তো বিলকুল মাত ।
মোগাম্বো খুশ ।
আরে গ্গুরু, কেয়াবাত !

একমনে আল্পনা আঁকা দেখে
অতঃপর, সমর্পণের পাশে
আলতো পরশে না থেমে থেকে,
অজুহাত মেখে,
অলখে হারিয়ে যাওয়া
খুব একটা সহজ দায় নয়,

নিছক বাধা পড়াকে যখন 
নিরুপায় বাঁধা পড়া নিমগন
হাসতে হাসতে বোকা বানিয়ে
পিছনে একলা ফেলে রেখে 

উজানের সে প্রত্যন্ত অবসরে
উথাল-পাতাল বুক ভরে 
বেঘোরে ভালবেসে নিতে 
দুয়ে দুয়ে চারের সাথে
পাতার ঘন ছাওয়ায় লুকানো 
দোকার একলা হওয়ার ডেরায়
নিঃশব্দে পালায় !