"সে" - তুমিও নয়,
আবার "সে" - আমিও মোটেই নয় ।
অথচ "সে" সর্বদা আশেপাশে ঘুরঘুর ক'রে
আমাদের থেকে
সন্তান-সম মমত্ব অবিরত কাড়ে ।
ভালবাসার জল সকাল-সাঁঝে
নিয়ম করে রোজ পেয়ে গেলে
"সে" চনমনে সবুজ থাকতে পারে ।
"সে" আদপে কোনও গাছ নয়,
অথচ বৃক্ষের মত আশ্রয় দেয়
সময়মত
শান্তির সুনিবিড় ছায়া-সহকারে ।
আবার রোমান্টিকতাও চাই তার,
ফাঁক পেলেই, ব্যস্ততার প্রহারের প্রহরে ।
তার প্রতি যত্ন যত বাড়ে আমাদের,
"সে" তত সুখী রাখতে পারে
দুজনকেই অধিকতর হারে ।
নিজে "সে" সবচেয়ে বেশি সুখী হয়
নিত্য-নূতন অন্তর্মুখী আবিষ্কারে
পরাণে, বিশ্বাসের প্রসারে,
পুরোনো হয়ে যাওয়াকে
না বলেই পেরিয়ে যেতে পেলে ।
একজনকে, অপরের হৃদয়ালোকে,
প্রতিবিম্বে অবিকল তুলে ধরতে
"সে" ঝকঝকে আয়না ধরে,
যে আয়না অসাবধানতা-জনিত
অপমান, অবহেলা আর অযতনে
আচমকা চুর-চুর হয়ে ভেঙে যেতে পারে ।
নরম হাতে ধরলে আবার
বড় ভাল থাকে,
ভাল রাখে আমাদের
অবিশ্রান্ত হারে বাড়িয়ে ধরা উপহারে ।
খোলা চোখে দেখা যায় না তাকে,
ছোঁয়াও সম্ভব নয় পার্থিব আঙুলে ।
সম্পর্ক "সে" - তোমার আমার,
জীবনের শ্রেষ্ঠতম আশীর্বাদ,
যাপনে মূল্যবানতম হওয়ার আর
হামেশা মুখোমুখি খুশিতে
মাল্যবান থাকার সহজাত অধিকারে ।