বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিপ্লবের বাস্তবতা

দেশে দেশে বদলাচ্ছে বিপ্লবের সংজ্ঞা।
আগে ছিল স্বাধীনতার ডাক,
আজ তা দাঁড়িয়েছে—
দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও প্রতিকার।

প্রতিরোধ সহজ—
একটি স্লোগান,
একটি মিছিল,
একটি আচমকা আক্রমণ,
সরকার কেঁপে ওঠে,
কখনো ভেঙেও পড়ে।
কিন্তু প্রতিকার?

সে তো পাহাড় ঠেলার মতো কঠিন।

ছাত্রদল নামে পথে নেমে আসে,
উন্মত্ত জনতা স্রোতের মতো ছুটে চলে,
দূর্নীতির মুখোশ ছিঁড়ে দেয়,
কিন্তু নতুন মুখোশ তৈরি হয়
আরও দ্রুততর।
কারণ—
ভেঙে ফেলা যতটা সহজ,
গড়ে তোলা ততটাই শ্রমসাধ্য।

নীতিহীন বিপ্লব
দিগ্‌ভ্রান্ত বুলেটের মতো—
চিৎকার তো করে,
কিন্তু লক্ষ্য ভেদ করে না।
স্বচ্ছ নীতি আর দৃঢ় পরিকল্পনা ছাড়া
বিপ্লব কেবল ক্ষণস্থায়ী নাটক,
যার মঞ্চ দখল করে নেয়
আরও ধূর্তরা।

তারা অপেক্ষা করে—
আশার বুলি আওড়ায়,
মুক্তির প্রতিশ্রুতি দেয়,
তারপর বিপ্লবকে
আনুগত্যের শিকলে বেঁধে ফেলে।
এভাবেই ইতিহাসের পাতায়
বারবার প্রতারিত হয়েছে
বিপ্লবের ভবিষ্যৎ।