রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩

সঃশোধন

এমনই উন্মাদের মত প্রেমে পড়েছিলে
ছিঁড়তে চেয়েছিলে শার্টের বোতাম ।
আর তারপরে-পরেই,
যখন সোহাগভরেও খোলা হলো না আর,
বাকরুদ্ধ করলো অবাধ্য অভিমান ।
সুরের সাথে স্বরের মিলের খেলা 
শেষ অবধি কিছুতেই জমলো না ।

ভেবেছো কখনো - দেখা হবে ফের ?
সাহস করে, চোখ চোখ রেখে শুধাবে
"কোন ভুল ঠিক-কে খুঁজে পেতে দিল না ?"

অতীত

একটা সময়ে ছিল 
হাতে হাত ধরতে পেলেই
যত্রতত্র হারিয়ে যেতে পারা
হৈ হৈ আনন্দে
যে কোনও রকম ভীড়ে ।

এখন 
কথা শৈল্পিক হতে শিখেছে
হসি চিনেছে মাপ
ভারী হয়েছে চলন 

আর তোমাকেও
সরে যেতে হয়েছে
দূরের আঁধারে
একটু একটু করে
আমার 'আমি'-র 
বে-আব্রু বর্ধিত ভারে ।

খেলা

প্রবৃত্তিদের সংযত, তথা নিয়ন্ত্রণ করতে ইচ্ছাশক্তিতে যে আপোষহীন প্রাবল্যের প্রয়োজন হয়,

সেই 'প্রাবল্য' করায়ত্ব হলে, একাগ্রতা ও গতির অপরূপ যুগলবন্দীতে, সরাসরি বীরত্বের খেলা শুরু হতে হয় বৃহত্তর লক্ষ্যে । স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজী সুভাষ, মাস্টার দা এদের কার্মিক রূপ অপর কোনও অজ্ঞাত ধাতুতে সৃষ্ট নয় ।

প্যানপ্যানে আর মিনমিনে চিন্তারা মূলতঃ ফাঁপা, ফলতঃ ভারহীন । কথা ও কাজের মধ্যে সঙ্গতির অভাবে তারা কেবল সুযোগ-সন্ধানী আপোষে বাঁচতে পারে । বাস্তবের অকাট্যে, আপন জীবনে বলিষ্ঠ-অনুবাদহীন, অলীক-সর্বস্ব, নিছকই সাময়িক হম্বিতম্বিরা এ জগতে খুব বেশি কাজের নয় ।
.