আর কতক্ষণ অপেক্ষা করব আমি—
আমার প্রিয়জনের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার জন্য? উতল যৌবন আমার কত আর উত্তাল হবে পৌরুষের কাছে সঘন মন্থন চেয়ে ?
আমি অপেক্ষা করি যতক্ষণ না
আমাদের মাঝের বাতাস দপদপ করে ওঠে আগুনে,
যতক্ষণ না তার চোখ আমার চোখকে
নীরব ভাষায় ডেকে নেয়।
আমার নিঃশ্বাস আটকে যায়,
শরীর কেঁপে ওঠে—
এবং আমি বুঝি, সময় এসে গেছে।
তার হাত যখন ছুঁয়ে যায় আমাকে,
আমি আর লুকাই না,
আমার প্রতিটি রেখা, প্রতিটি ভাঁজ,
প্রকাশিত হয় যেন কোনো পবিত্র মন্ত্র,
যা শুধু সে-ই পড়তে পারে।
আমাদের ঠোঁটের সংঘর্ষ
আর কোনো কোমল আলাপ নয়—
এটি তীব্র স্রোতের মতো,
যেখানে আমি নিজেকে হারাই,
এবং আবার খুঁজে পাই।
পোশাক একে একে সরে যায়,
যেন আমি আমার সমস্ত দ্বার খুলে দিচ্ছি
তার স্পর্শের জন্য।
আমার ত্বক তার ত্বকের কাছে বলছে—
এসো, আমাকে পূর্ণ করো।
প্রত্যেক চুম্বন আমাকে ভিজিয়ে তোলে,
প্রত্যেক দীর্ঘশ্বাসে আমি আরও গভীরে ডুবে যাই,
তার প্রতিটি ঘাত অন্তর্ঘাত হয়ে ওঠে আমার গভীরে,
যতক্ষণ না আমি পুরোপুরি তার
এবং সে পুরোপুরি আমার।
এ প্রেম আর অপেক্ষা নয়—
এ আমার আত্মা আর দেহের নৃত্য,
যেখানে সময় থেমে যায়,
শুধু উষ্ণতা, কাঁপন আর মুক্তি বেঁচে থাকে।
আমি জানি—
এটি শুধু কামনা নয়।
এটি আমার প্রতিজ্ঞা,
আমার স্বেচ্ছা আত্মসমর্পণ,
যে মুহূর্তে আমি নিজেকে
অগ্নির কাছে অর্পণ করি—
তার জন্য,
আমার ভালোবাসার জন্য।