শরীরের ব্যায়াম অনেকেই করে ।
মনের ব্যায়াম নিয়ম ক’রে করে কয়জন ?
ব্যায়াম শরীরের হোক অথবা মনের,
করতে পারলে চারটি ঘটনা অবশ্যই ঘটে ।
১) তার মনে প্রতিজ্ঞাটি তৈরী হওয়া মাত্র
তার মধ্যে ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ হয়
যা তার মধ্যে একটি অতিরিক্ত
উত্তেজনাজনিত
উৎসাহ ও আগ্রহের সূচনা করে ।
২) ব্যায়াম শুরু করার পরে, পরিশ্রম হতেই,
দ্বিতীয় যে হরমোনটির ক্ষরণ শুরু হয়
তার নাম এণ্ডরফিন, যা ব্যায়ামের পরে
প্রায় চার-পাঁচ ঘন্টা তাকে মানসিকরূপে
অতিরিক্ত উজ্জীবিত রেখে থাকে ।
৩) তিন থেকে চার সপ্তাহ
নিয়মিত ব্যায়াম করার পরে তৃতীয়
যে হরমোনটির ক্ষরণ হতে শুরু হয়
তার নাম সেরোটনিন, যা তার
ক্ষমতা ও দক্ষতার বৃদ্ধিকে
প্রকাশিত করতে শুরু করে এবং
সর্বপ্রকার হতাশা তথা দুঃখকে
ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়ে, দৈনন্দিনে,
তার সন্তুষ্টিতে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে ।
৪) পাঁচ থেকে ছয় মাস ব্যায়ামের অভ্যাস
ধরে রাখতে পারলে অক্সিটোসিন নামক
চতুর্থ হরমোনটির ক্ষরণ হয় যা তাকে
অভূতপুর্ব সাহস ও আত্মবিশ্বাসের
জোগান দেয়, মানুষটি যখন থেকে
নিজেকে প্রাণ ভরে ভালবাসতে পারে
প্রবল আত্মশ্রদ্ধাবোধের সার্থক জাগরণে ।
দুঃখ, হতাশা, অবসাদ - এগুলি
মানসিক দৈন্য মাত্র, যা কেবল
শারীরিক ও মানসিকরূপে
অলস প্রকৃতির মানুষে পরিলক্ষিত হয় ।
শারীরিক ব্যায়াম মানুষকে
মানসিক ব্যায়ামে উদ্বুদ্ধ করে ।
উভয় ব্যায়াম পূর্ণ উদ্যমে করে যারা,
পেটমোটা গনেশ
তাদের ঘরে স্থায়ী ভাবে বাঁধা পড়ে ।