বুধবার, ১০ মে, ২০২৩

তিনি

.তিনি একদিন মাত্র বাইরে বসেন ।
পঁচিশে বৈশাখ একসাথে সবাইকে পান ।

বাকি তিনশো চৌঁষট্টি দিন
যার যার আপন বুকের কারাগারে
মহাসুখে বন্দী থেকে
যার যেমনটি চাই
পছন্দসই আলাদা ক'রে
কলম চালান আর গান শোনান ।

বাসা

জীবনটি যে পাখির বাসা
সময় এলে তার থাকবে খসা ।

তাব'লে কোন বাঁধ দমাবে রে
পাহাড়-প্রমাণ ভালবাসা ?

তোমার কাছে চাইনি কিছুই,
নিজেকে ছাপাবো - এটুকু আশা ।

সুখ

হাঁপিয়ে গেলে প্রাচীন দীনদের মত 
এত অল্প দিনে ?
এমনি এমনি 
ভরন্ত সুন্দর থাকতে পারে না 
বিরল উজ্জ্বলতায় জীবনটি সবার ।
পারস্পরিক অর্জনে
যথার্থ সহযোগ দরকার ।

ভালবাসার ঢেউকে 
উত্তাল রাখতে জানতে হয়
চকচকে চোখের অপ্রতিহত দুষ্টু হাসিতে 
আর সহসা টেনে নিতে হয় তাকে বুকে
চুম্বন-অবগাহনে বারংবার
প্রতিটি ক্ষণিক সুযোগের 
লোভনীয় অবসরের পুরো ফয়দা তুলতে
ফের আরও একবার ।

এমনকি, বয়স পঁয়তাল্লিশ পেরোলেও
সন্তান-সন্ততি এড়িয়ে
সুযোগ পাওয়া মাত্র
কৈশোরে ফিরে গিয়ে উচ্ছল হতে
একদিনে ন্যূনতম ছেচল্লিশ বার ।

হ্যাঁ, দুটি ভিন্ন সুর 
আন্তরিকতার প্রবল তীব্রতায়
একে অপরের মাঝে এসে
পাকাপাকি বসে গেলে
'পরাণের তুঙ্গে 
যুগলবন্দী বাঁচা কাকে বলে'
অবাক হয়ে দেখবে, না হয়, 
মধ্যচিত্ত জনজীবনের সমাহার ।

না, এমন নির্লজ্জ অসঙ্কোচের 
নিত্য প্রতিযোগে
পারস্পরিক উদ্ধত প্রশ্রয়ের জন্য
এ জীবনে একটিবারও 
আফশোষ করতে হবে না তোমার ।
.