যেদিন প্রথমবার
সরাসরি অপমান করলে তাকে,
সেদিনই শুরু হলো
একটি অবিরাম নিঃশব্দ রক্তক্ষরণ
নিজেরই ভালোবাসার।
কেউ চিৎকার শোনেনি।
দেয়ালগুলো তখনো ভদ্র ছিল,
ঘড়ি সময় দেখাচ্ছিল ঠিকঠাক,
রাস্তার কুকুরগুলো
স্বাভাবিকভাবেই ঘুমাচ্ছিল।
কিন্তু বুকের ভেতরে
একটি শব্দহীন কাচ ভাঙল—
রক্ত নয়, বেরিয়ে এলো
বিশ্বাসের লাল ধুলো।
ভালোবাসা তখন আর নাম ছিল না,
সে হয়ে উঠল একটি আহত অঙ্গ,
যাকে কেউ দেখায় না,
যার ব্যথা হয়
শুধু নিঃশ্বাস নিলেই।
প্রতিটি পরের দিনে
সে শিখে নিল কীভাবে
হাসতে হাসতে রক্ত ঝরাতে হয়,
কীভাবে ক্ষমা বলতে বলতে
নিজের শরীর থেকে
এক ইঞ্চি করে সরে যেতে হয়।
অপমান একদিনের ঘটনা ছিল,
কিন্তু তার ছায়া
প্রতিদিন এসে বসত
ভালোবাসার পাশে,
নখ দিয়ে খুঁটত
যেখানে একসময়
ভরসা বাসা বেঁধেছিল।
এভাবেই নিঃশব্দ রক্তক্ষরণ
অভ্যাস হয়ে গেল—
মানুষ তাকে বলল
সহনশীলতা,
কেউ কেউ বলল পরিণতি,
কেউ বলল—এটাই প্রেম।
কিন্তু গভীর রাতে
ভালোবাসা জানত,
সে মারা যায়নি একসাথে—
ক্যান্সার বেঁধেছে বাসা, তাই
সে প্রতিদিন
অল্প অল্প করে
বাঁচতে ভুলে যাচ্ছিল।
সে প্রতিদিন
অল্প অল্প করে
বাঁচতে ভুলে যাচ্ছিল।