শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৫

Which Political Party will answer these questions ?

Lets play with little bit of statistics

 

India's per capita is US$440/yr, v/s China's $990 and USA's $32,000. At the present rate of growth the Chinese economy will be 10 times the size of India within 20 years time.

India has 17% of the world's population, but 0.6% of the world's trade & 1.4% of the world's GDP! 99.4% markets outside India! India must plan to become a resource base for the world.

Poverty Line per person, as per Govt., at US$ 75/yr, (Rs. 10 / day or Rs 3650 / year) as per World Bank, $1/day or $365/yr
Market Capitalization of 7000 Indian quoted companies at US$ 120 billion (only GE in USA, US$ 500 billion).

India's Free Reserves are US$51 billion vs. China + Hong Kong $312 billion. 99.4% of the world's market's are outside India. We must export more!
In 2000, Foreign Direct Investments [FDI] into India was US$ 2.5 billion v/s. US$ 105 billion into China + Hong Kong. Total FDI worldwide is US$ 1220 billion per year.

China's Literacy Rate is nearly 100% more than of India. In China, all children attend primary School for 9 years. For secondary education the attendance is about 89%. The Indian Govt.'s definition of literacy is if you can sign your name! Why?

Tourist visiting China are nearly 35 times more than India i.e. 87 v/s 2.5 million. Worldwide Tourism Industry is 7 times of I. T.! China has 10 air lines vs 3 in India. China is building 4 lac hotel rooms per year, India has a total of 6 lac hotel rooms.

If one visits Beijing or Shanghai, every thing looks "Neat & Clean". Bombay & New Delhi look like "Garbage Dumps"! Why?

In the Sydney Olympics, India was placed practically last, in 122 countries, with 1 medal; China was 3rd with 59 medals! Why?

China's World Trade is 7 times of India's. Can we pay for oil imports of US$16 billion/yr. when exports are US$42 billion/yr.?

Food grain production in China is about 410 million tons v/s 206 tons in India, although the cultivable land is half. Why?

India's share of world trade dropped from 3% in1947 to 0.6% in 2001, a negative growth of 500% in 54 years. Why?

Every year we have floods & droughts in certain parts of India. Does it mean that there is no solution to this problem?

India's birth rate is 300% more than China. We produce more than one Australia/yr.! We need to provide additional 10 million jobs / yr.! China has 13 million births per yr, India has 27 million! Life expectancy in China is 72 years vs 61 for India!

China - India comparison.. Steel production is 133 million tons vs 24 Cement 650 million tons vs 96 Crude oil 160 million tons vs 30 Coal 1300 million tons vs 300.. TV's installed 400 million vs 75 million Telephone lines 220 million vs 27.


- INFO courtesy - Joy Gangopadhyay

সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০১৫

ধ্বজভঙ্গ......02.10.15


ধর্ম-আশ্রয়ী ধান্দাবাজি
ক্যানসার হতে, আজ নয়,
বহুকাল ধরে জানে ৷
হয়েওছে !
.
প্রতিদিন তার সংক্রমনের জাল
ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে
দেশের শরীরের প্রতিটি অঙ্গে,
প্রকাশ্যে, গোপনে !
.
একটি জাতি
পুরুষত্বহীনতার দৈন্যে
একটু একটু করে
ঢলে পড়ছে, ঢুকে পড়ছে,
নেহাতই অসময়ে,
সম্মোহিতের অসহায়ত্বে
বিনাশের করাল গ্রাসে !
.
"বাঙালি" - নামের
এক অতি বিরল, বৈপ্লবিক শব্দের
যে গর্বিত অধিষ্ঠান ছিল,
বিশ্বের অভিধানে,
তার বলিষ্ঠতর ডান দিক
আশু পক্ষাঘাতে
চির-পঙ্গুত্বের অপেক্ষায়
প্রহর গুনছে !
.
ধর্মের কৃতার্থ চাপাতি
মাংসের দোকানে বসে
একটি জাতির অর্ধাঙ্গ
কুচি কুচি করে কেটে
'মনুষ্য বিবেক '- নামের
অতি সুস্বাদু কাবাব বানাচ্ছে
স্ত্রীর মাংস ভক্ষণের
ফতেয়া অধিকারে !

.

__________

সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৫

তসলিমাকে খোলা চিঠি


গতকাল সুযোগ হল 'নির্বাসিত' দেখার !

তোমার জীবনের
আপাত: ক্ষুদ্র এক অংশের সাথে
হার্দিক পরিচয় !
আমি তোমার পুরোটাকে নিয়ে ভাবি ।
সত্যিকে ভালোবেসে
সব মিথ্যার বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে
মেনে নিয়েছ
তোমার বাকী সব ভালোবাসা
ত্যাগের অশেষ অভিশাপ, সময় !

তবুও, কেন কে জানে,
মনে বারংবার প্রশ্ন উদয় হয়
মিথ্যাকে উপড়ে ফেলতেই যদি হয়,
তেমনটা কি কখনও মেপেছিলে
মিথ্যার শিকড় কতটা গভীরে ?
এবং
ঠিক কোথায় ?

আমি একটা পরীক্ষা করেছিলাম
চলার পথে,
সেকথা বলি তোমায় !

কখনও কি পেয়েছ
মানুষ এমন কোনও
যাকে সর্বদিক হতে
আদর্শ ভাবতে
সততই আনন্দ হয় ?

যদি পেয়ে থাক, ভালো !
তাকে সামনে ধর !
না পেলে আরও ভালো,
তেমন সত্যের আদর্শ অবয়ব
আপন স্বাধীন ইচ্ছা-বলে
কল্পনা করে নাও !

এবার
আপন আত্মবিশ্বাসের
একটা অতি সামান্য
রেকারিং ডিপোজিট খোল ।
যতটা ভাবছ
তেমন কঠিনও এটা নয় ।

প্রতিদিনের স্নান সেরে,
বাসি কাপড়ে নয়,
আপন আদর্শকে
মনে মনে মিনিট পনেরো
সামনে কল্পনা করে
মুদ্রিত নেত্রে
গভীর শ্রদ্ধা আর
হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা
প্রতিটি নিশ্বাসের সাথে
নিঃসঙ্কোচে
উজাড় করে দাও !
বিনিময়ে তার অপার শুভেচ্ছা
গ্রহণ করো প্রতিটি প্রশ্বাসে
একই বিশ্বাসে !

পনেরো মিনিট
প্রায় প্রতিদিন
বড্ডই বেশি সময় ?

বুজরুকি মনে হচ্ছে ?
বেশ !
মনে করো না হয় তুমি
এখনও অনেক ছোট
যতটা হলে
গোল্লাছুটের মত আরও একটা
নতুন খেলা খেলা যায় !

রেকারিং ডিপোজিট যাই হোক
ম্যাচিওরিটি ভ্যালু অন রিটার্ন
ঠিক কতটা হতে পারে -
মানুষের মন
সবার আগে জানতে চায় ।
তোমার মনের জোর
যতটা আমার ধারণায়
কখনও নিতে পারে না
ছয় মাসের বেশি সময় !

মানুষের ভাগ্য তার অধীনে নয় ।
তাই মানুষ এমন শক্তির পিছনে
ছুটে যায়, - যে তাকে
সৌভাগ্য দিতে পারে
আর, দুর্ভাগ্য হতে বাঁচায় !
ইংরেজরা 'মিরাকল', বাঙালীরা
তেমন 'অলৌকিক ঘটনার'
অনেক গল্প বলে থাকে !
সুযোগ পেলেই আরও
বলতে চায় !

তুমি যদি নিষ্ঠা ভরে
এই খেলাটা খেলে থাকো
তাহলে এবার আর
অন্য কারো কাছে নয়,
নিজেরই কাছে সত্যি না মিথ্যা
প্রমাণ চাইতে পারো ।

প্রতিটি মানুষ
সময়ের সাথে সাথে
এমন কিছু কিছু
ছোটখাটো হলেও
সমস্যায় মাঝে মাঝেই পড়ে
সমাধান যেখানে তার পক্ষে
আয়াস-সাধ্য নয় !
তোমারও ব্যতিক্রম হওয়ার
সুযোগ বিশেষ নাই !
ফোর্থ, ফিফত্, সিক্স্থ
ডায়মেনশনের কথা
বিজ্ঞান ইতিমধ্যে বলে ।
তোমার রেকারিং ডিপোজিট
কোন ডায়মেনশনে করা চলে
একথা আমার অবশ্য জানা নাই,
তবে তেমন বিপদ হলে
যার কাছে তোমার শ্রদ্ধা
আর ভালোবাসা নির্নিমেষে
নিবেদন করেছিলে
তাকে একবার স্মরণ কোর ।
মিরাকল বলে কিছু হয় কিনা
সেদিন তোমার
নিশ্চিতে জানার সময় ।

যদি আমার কথা সত্যি হয়,
তবে দেখো,
তুমি পেয়েছিলে
তোমারই আত্মবিশ্বাসে গড়া
আপন আধ্যাত্মিক শক্তির
কোনও ধর্মীয় বিধান ছাড়া
সম্পূর্ণ স্বাধীন অধিকার !

তোমার অবচেতনে
উদ্দেশ্য ছিল আপন ক্ষমতার
এই স্বাধীনতা
আর উপায় ছিল তোমার একার
রেকারিং ডিপোজিটের খেলা ।
আর তুমি যাকে বিশ্বাস করেছিলে
সে ছিল উপলক্ষ মাত্র,
এর চেয়ে বেশি কিছু নয় !

এবার বোঝ
ধর্মের ধ্বজাধারীরা
এই অলৌকিককে
পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে
উপায়কে উদ্দেশ্য বানায়
আর এই চালাকির ফাঁকে
মানুষকে আজ্ঞাবহ
ক্রীতদাস করে নেয় !

বিশ্বাসের
এই ইনভেস্টমেন্টের লাভ
আর লোভ
মানুষের এতটাই গভীরে
ইতিমধ্যে গড়েছে বাসা
যে
পৃথিবীর তাবড় অবিশ্বাসীরা
তাকে আজও একচুল
নড়াতে পারে না ।

আপন আধ্যাত্মিক শক্তিতে
কোনও ধর্মের সাহায্যে নয়
আপন নিষ্ঠার অভ্যাসে
স্বাধীন অধিকার
মানুষ পেতে পারে
একথা নিজে বুঝে
বাকী সকলকে বোঝানো
ছিল আমাদের মত মানুষের
একমাত্র মানব-হিতে দায় !

জন্তু জানোয়ারদের ক্ষেত্রে অবশ্য নয়,
মানুষ আবার দেখো,
ভালোবাসে
আপন দ্বান্দ্বিক অভ্যাসে !

একদিকে ভোগসুখের
পরাধীনতা-মুখী লালসা ধায় !
অপরদিকে নিজেকে অথবা
অন্যকে ভালোবেসে
মানুষ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে
নব-চেতনায় !
উন্মেষের গতিশীলতার মাঝে
নিজের নূতনতর রূপ
অবিরত স্বাধীন সৃষ্টি করে
আপন আধ্যাত্মিক শক্তির
আবিষ্কৃত উৎসের প্রেরণায় !

তুমি ভালোবাসতে গিয়ে
চিরটা কাল ঠকে
নিছক শরীরকে আলাদা করতে
পুরুষের মত শিখে,
তবুও, আজও ভোলানি,
- আমি জানি,
'কিভাবে ভালোবাসতে হয় ।'

চূর্ণীর অসীম ক্ষমতা
ভালোবাসার !
সে অলঙ্ঘ্য প্রমাণ রেখে গেছে ।
তাকে আমার নিঃশর্ত
প্রণাম জানাই !
আমার সীমিত সম্বল
ভাবনাটুকু !
তোমাকে এটুকুই এইক্ষণে দেওয়ার আছে !
রেখে গেলাম তাই !

শুভ জন্মদিনে
আমার সামান্য শুভেচ্ছাটুকু নিও !
পৃথিবীতে তোমার সুদীর্ঘ যাপন
স্রষ্টার পদতলে
প্রার্থনা করতে চাই !








বুধবার, ২৪ জুন, ২০১৫

ERADICATED ______ 16.04.15


You have every right

To leave your heart-print

Wherever you go,


Provided,


You indulge
No snatching of freedom 


Through
Sick stickiness of attachment,
Or property right against love,
Neither from your end,
Nor from that of anybody else. 


Because, love is
No dark well of suffocation,
But expansion,
A domain of heaven,
Where
Detachmental freedom is your first identity.
-----------------------------


পরিনতি...........16.04.15


ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল। বিয়ে হলে মানুষটা থাকে, ভালবাসা থাকে না। আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়তো'বা ভালবাসাটা থাকে, শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।
-কোথাও কেউ নেই !”
Humayun Ahmedㅣহুমায়ূন আহমেদ
March 5, 2015
-------------

জীবনের অপার সম্ভাবনাকে প্রলুব্ধ, অবিরত, সম্ভোগ উপচার প্রতিম নিষ্পেষণে, - যাপন অবশেষে প্রাণান্তকর একঘেয়েমিতে পরিণত হয়, মানুষ তখন বাঁচতে চায় পলায়নপর, দোকানদারী-সর্বস্ব দর্শনে ।
- এ বড়ই সুলভ ও নিয়মিত ইতিহাস আমাদের ।
প্রকৃত ভালোবাসা প্রথমে নিজেকে কি এতটাই কঠিন ? শিশুকে যে মমতায় একটু একটু করে বড়ো করতে হয়, আপন চিত্ত তার থেকে কি প্রভূত অধিক যত্ন চায় ?
শিশুকে যেমন 'সহজে বুঝতে পারি' - ভাবি, সেই অর্থে, অনুরূপ দৃষ্টি হতে জীবনের চারাগাছটিকে অনুভবে, আদরে আমরা কতটুকু যত্নবান হই ? ফলনের মরসুম আসার আগেই ব্যস্ত হই উন্মত্ত মর্ষণে, এমনকি এই ভোগবাদী ব্যস্ততার তাড়নায় ভুলে যাই - যে একদিন পরিপূর্ণ বৃক্ষ-রূপ আশ্রয় হতে পারত অচিরেই, সেই বিশ্বস্ত চারাটি ন্যূনতম সিঞ্চনটুকুও পেয়েছিল কিনা !
--------------

নিজেকে মাতৃস্নেহে লালন করতে না শিখে অন্যকে ভালোবাসতে বিফল এই উদ্যোগ কোনও নূতন কথা নয় । তবে একেই বলে মানসিক মধ্যবিত্ততা - আপোষ যার নাম !
বিলাপের অভাগা সুর এক্ষেত্রে শুধু সম্বল হতে চায় -
--------------

আত্মপরিচয়
_________অরূপ সরকার

পরিণয়-পাশে এসেছ যখন একবার
ভালোবাসায় ছুঁতে চাওয়া বারবার
একা তোমারই দায় হতে হবে ।
সোহাগে তুঙ্গ-পূর্তি তারপর
সেও হোক পরনির্ভর
পাওয়া ছাড়া বুঝেছি আর কি কবে ?

পঠনে রসালো ঢেকুরের সুখ
খেয়াল রাখিনি ভাই তাই,
পাঠক অলস, বয়ে গেছি শুধু,
শুয়ে সুখাদ্য খেতে চাই !

বিদায়, - বিষাদে অকালেই নিলো,
রচনার পূজা যত যাহা ছিল,
কর্ষণ বহুকাল হারিয়েছে ।
কবিতা কত যে সেজেছি
কবে তাও ভুলে গেছি
মুগ্ধতা প্রেমে তবু চাই - 'ঠিক আছে' !

পেতে চেয়ে গেছি নিত্য নতুন
রোমাঞ্চরস দয়িতার কাছে !
নেই আরাধন, শুধুই ভোজন,
গুরুপাক - পরনির্ভরশীল আঁচে ।

দাম্পত্যের নিরাপদ ছাঁদে
দুরারোগ্য অধিকার-বোধে
মন অর্জন-বিমুখই হতেছিল ।
পরিণয়-পরিণতি খোঁজ
সঞ্চয়হীন ভাণ্ডার অবুঝ
নেশার জরিমানায় দাম দিলো !

বিস্ময় সুর প্রথম দুপুর
ধরা হাতেহাত আলাপন -
পড়া বই আজ ধুলায় বিরাজ
'নেই-আগ্রহে' অপ্রয়োজন ।

আজও টেলিফোন বাজে বুকে শুনি
'ওঠো, জাগো, রাখা প্রাপ্য বর খানি
গ্রহণ, ধারণ কর হাতে !'
উথ্থান বড় কষ্টের, একার ।
শ্রম, নীতি, নিষ্ঠা, - নেহাতই বেকার,
অপেক্ষায় থাকি, যা পড়ার পড়ুক পাতে ।

আপন উত্তরণ - পরাণের প্রথম বন্দর
ভাবতে চায় নি মন কখনও ।
জীবনের উজ্জ্বলতর রচনা, বিনির্মাণ,
দায়িত্ব তার, - বলে গেছে শুধু ভয় পেও ।

দাম্পত্যের যৌথ তমাল
আপোষের হিসেবে চিরটা কাল
বাঁচাতে চেয়ে ধূর্ততায় আমি
হারিয়েছি বিকাশকাল,
পরিত্যক্ত বৃন্ত, শিকড়, সকাল,
জেনেছেন কেবলই অন্তর্যামী !
------------------------------------
ছেড়ে যে গেছে
অতীত তোমার
সে চলে যাক...................


গতস্য........04.04.15

.

আপন সত্তা নিয়ে ব্যক্তিগত পরিচয় সংকটে

বিব্রত, বিবস্ত্র , ছিন্নভিন্ন, ছিলে আজীবন ।

চেয়ে গেছ চিরটা কাল পুরুষ অথবা নারী

যে কোনও এককে সম্পূর্ণ আত্মপরিচয় ।

তুমিও কি বোঝ নি পৃথিবীর পুরুষেরা

নারী আঘ্রাণে মজেই সুখী শুধু, আর নারীও

প্রাণের পুরুষ পাখিটিকে শিকল-সোহাগের

অন্তর্জলী যাত্রায় বিবশ লক্ষ্যে খুঁজে যায় ?

ভালোবেসে বিভেদ-ঊত্তীর্ণ মানুষের মান

অর্জন শিখতে পেরেছিল কি আদৌ সে ?

কবে ? কোন যুগে ? কোথায় ?

জীবন অথচ দ্যাখো সশব্দে অথবা নিঃশব্দে

মানুষই খুঁজে গেছে কেবল, কালের অনিমেষ দায়ে !

তুমিও দুর্ভাগ্যে বন্ধু, ব্যতিক্রমী যত যাই হোক ,

মানুষ অনেকটাই ছিলে - আপন চিন্তন মহিমায়!

তাই বড় প্রয়োজন ছিল জীবনের তোমাকে আজ

ক্লীব নারী পুরুষের বৃহন্নলা-ব্যপ্ত দার্শনিকতায় !

একবারটি পারবেনা ফিরে আসতে, ঋতুপর্ণ ?

ক্ষুরধার বাগ্মিতা আর চরিত্রের যাদুর খেলায়

শুধুই মানুষের ছাঁচ কেমন হতে হয় - চিনিয়ে দিতে ?

আবারও বিবর্তক চিত্র, বিতর্ক আর এক, দিয়ে যেতে ?

_____________.

.

sylhettoday24.com এ প্রকাশিত

রক্ত, চাপাতি অথবা হিজড়াদের গানগুলি

ড. শাখাওয়াৎ নয়ন

প্রকাশিত: ২০১৫-০৩-৩১ ১৮:০৮:২৫ আপডেট: ২০১৫-০৩-৩১ ২২:৫৩:৪৪

ড. শাখাওয়াৎ নয়ন: কথাসাহিত্যিক, একাডেমিক, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিংগাপুর:

ঢাকায় ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের মধ্যে দুইজন ঘটনাস্থলেই হিজড়াদের হাতে ধরা পড়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা বলেছে, হুজুরের নির্দেশে তারা এই হত্যাকান্ড চালিয়েছে।

অনুভুতি:

(১) সবার উপরে ধর্ম সত্য, তাহার উপরে নাই।

(২) সরকারের চেয়ে হিজড়া শক্তিশালী।

‘সবার উপরে যেহেতু ধর্ম সত্য’ তাই আমরা এই ব্যাপারটাই প্রথমে আলোচনা করি। আলোচনার সুবিধার্থে কিছু প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক।

প্রথম প্রশ্ন: রক্তের ধর্ম কি? রক্ত কি হিন্দু নাকি মুসলমান? নাকি খ্রিস্টান, বৌদ্ধ? নাকি রক্তের কোনো ধর্ম নাই, ধর্মহীন? তাহলে যে অনেকে বলেন, মুসলিম রক্ত, হিন্দু রক্ত? এ সবের ফয়সালা কি?

ধর্মের নামে রক্তপাত, হত্যা? হঠাৎ করে পিছন থেকে এসে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা? এটা কি সমর্থনযোগ্য? আমি জানি, আমাদের দেশে অগনিত মানুষ পাওয়া যাবে, যারা যুক্তি দিবেন- ‘ধর্মের বিরুদ্ধে ঐ ছেলে অনেক খারাপ খারাপ কথা লিখেছে, তাই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঠিকই করেছে। কেউ কেউ আরেকটু আগ বাড়িয়ে বলবেন, ‘আরো আগেই তাকে হত্যা করা উচিৎ ছিল।‘ কী উচিৎ ছিল, কি ছিল না? তা নিয়ে বলাই বাহুল্য।

রাজাকার, মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আন্তর্জাতিক মান-সম্মত হলো কি না? তা নিয়ে অনেকে গলা ফাটিয়ে ফেলেছেন। ইহুদী-নাছারা খ্রিস্টানদের ডেকে এনেছেন। কেউ কেউ মৃত্যুদন্ড রহিতকরণের পক্ষে মত দিয়ে নিজেকে উচ্চমান সুশীল হিসেবে প্রচারিত করেছেন। তারা কেউ চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলছেন না। ইতোপূর্বে আমরা লক্ষ্য করেছি, প্রখ্যাত লেখক, কবি হুমায়ূন আজাদ, ব্লগার রাজীব হায়দার, মুক্তমনা বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায় এবং ওয়াশিকুর রহমান বাবু এদের সবাইকেই চাপাতি দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। আক্রমণের শিকার একমাত্র হুমায়ূন আজাদ ছাড়া প্রায় সবাই সাথে সাথেই মৃত্যুবরণ করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, চাপাতি দিয়ে কোপানোর প্রাচীন নিয়মগুলি ঠিকমতো পালন করা হয়নি, তাই সেই যাত্রায় হুমায়ূন আজাদ বেঁচে গিয়েছিলেন।

দ্বিতীয় প্রশ্ন: চাপাতির ধর্ম কি? নাকি চাপাতিও রক্তের মতো? রক্তের মধ্যে অনেক জীবিত উপাদান থাকে কিন্তু চাপাতির মধ্যে তো তাও নেই।আমরা জানি এক ধরনের দা এর ধর্ম পরিচয় আছে। যেমন রাম দা। লম্বা ধরনের ঐ বিশেষ দা’য়ের নামকরণ কে করেছে, কে জানে? রামরাজ্য প্রতিষ্ঠায় কি এই দা’য়ের কোনো ভুমিকা ছিল?

সে যাই হোক, প্রতি ক্ষেত্রেই হত্যাকারীরা তাদের পবিত্র চাপাতিখানি ঘটনাস্থলে ফেলে গেছেন। এর কারণ কি? তারা কেন ফেলে যাচ্ছেন? তারা কি চাপাতির বিষয়টি প্রচারে আনতে চান?আমার মনে হয়, তারা শুধু হত্যা করতে আগ্রহী নন। একই সাথে তারা প্রচার উন্মুখ। তা না হলে অভিজিৎ রায় কে হত্যা করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্থানকে বেছে নিত না। বইমেলার সময়কে বেছে নিত না। তারা চাইলে অন্য কোনো সময় এবং স্থান বেছে নিতে পারতো।

একই ভাবে আশিকুর রহমান বাবুকে হত্যা করার জন্য তেজগাঁও’র মতো জনাকীর্ন এলাকা বেছে নিত না। ইতিপুর্বে যেহেতু তারা লক্ষ্য করেছে, শত শত মানুষ থাকলেও কেউ এগিয়ে আসে না। তাই তারা এবার আর রাতের বেলায় নয়, দিনের বেলাতেই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। কিন্তু হত্যাকারীদের কপাল খারাপ, দুই হিজড়া এসে ঝামেলা বাঁধিয়ে দিয়েছে। হিসেব ঠিকই ছিল, কোনো সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসেনি। হিজড়ারা নিশ্চয়ই তাদের হিসেবের মধ্যে ছিল না। আচ্ছা, হিজড়া নিয়ে দু’একটা প্রশ্ন করা যাক।

তৃতীয় প্রশ্ন: হিজড়াদের ধর্ম কি? কিংবা হিজড়াদের ব্যাপারে ধর্মগ্রন্থে কি বলা হয়েছে? মৃত্যুর পরে তাদের কি হবে? তারা বেহেস্তে নাকি দোযখে যাবে? তাদের মুসলমানি করানো যায় না, আবার ধর্মমতে বিবাহেরও ব্যবস্থা নেই। কারণ তারা মা-বাবা কিছুই হতে পারে না। এরা তাহলে কি উনমানুষ? নাকি মানুষের তৃতীয় ধরণ? আমি যতদূর জানি, হিজড়াদের ব্যাপারে ধর্মে তেমন কিছু বলা হয় নি। মৃত্যুর পরে তাদের জন্য কি ধরনের শাস্তি কিংবা পুরস্কারের ব্যবস্থা? কেউ জানলে, প্লিজ দয়া করে জানাবেন।

আমাদের সমাজ নানা রকম বৈষম্যে পরিপুর্ণ। আমরা ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলিম, হিজড়া-অহিজড়া ভেদাভেদ করে থাকি। আমরা হিজড়াদেরকে পারিবারিক, সামাজিক এবং রাস্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি। সেই রকম দুইজন হিজড়া, মানবতার সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছেন। যে দেশে আজকাল কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না, সেদেশে ভয়ঙ্কর দুইজন খুনীকে তারা হাতে-নাতে ধরে ফেলেছেন।

নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, আমাদের দেশে ইতিমধ্যেই এক দল লোক চাপাতি বন্দনা শুরু করে দিয়েছে। আরেক দল রক্ত নিয়ে মাতম। তৃতীয় লিংগের মানুষেরা এতো দিন এসবের বাইরে ছিলেন। তারা মুখে রঙ মেখে নাচ-গান করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেই তৃতীয় লিংগেরই দুইজন মানুষ হঠাৎ করে প্রমাণ করে দিয়েছেন। আমরা যারা এতো দিন নিজেদেরকে পুরুষ বলে দাবি করছি, তারা আসলে পুরুষ নই। আমরা যারা নিজেদেরকে মানুষ বলে দাবি করছি, আমরা আসলে মানুষ নই। আমরা যারা নিজেদেরকে এতোদিন মানবতাবাদী, সভ্য, শিক্ষিত, সুশীল, ক্ষমতাবান মনে করছি, আমরা আসলে তার কিছুই নই।

আমরা, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, রাস্ট্র সবাই নপুংশুক। আমাদের মতো শত শত নপুংশুকদের সামনেই অভিজিৎ রায় খুন হয়েছেন। আমরা নিরবে দেখেছি। কেউ প্রতিবাদ করিনি। আজও খুনীদের ধরতে পারিনি। সেদিন যদি এতোগুলো নপুংশুক না থেকে একজন হিজড়াও থাকতো, তাহলে একজন খুনী হলেও তখন ধরা পড়ত। হে বংগজননী, তুমি আর কোনো নপুংশুকের জন্ম দিও না, সম্ভব হলে কিছু বীর, নয়ত হিজড়াই জন্ম দিও।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

লগার অফ ব্লগার.....12.03.15


ভোর রাতে ঘুমিয়ে সাতসকালে কলিং-বেল ! ইরফান ভাই কিঞ্চিত বিরক্ত হয়ে উঠে দরজা খুললেন । মৌলবি সাহেব দাঁড়িয়ে, শীতল স্থির দৃষ্টি !


-"আয়েন আয়েন, ভিতরে আয়েন, এত শহালে ?"

-"আপনে তো বই ছাপেন ! ছাপতেসেন এবার ব্লগার রায়ের ?

-"আরে হ্যাঁ তা তো ছাপতাসি, ক্যান কন দেহি ?"

-"আপনার লাইগ্যা দুইডাই অপশন রইতাসে !


অপশন এক ।

বই যেইদিন প্রকাশ পাইব, রায়কেই তার উদ্বোধন করতে হইব ! নিমন্ত্রিত থাকবো আরও অনেক গণ্যমান্য লোক, তবে হেইয়া কেবল ছাপার অক্ষরে । রায় কবে আইব কথা পাকা কইরা জানান আমারে !


অপশন দুই ।

আপনের আপিস আর ছাপাখানা জ্বলতে দ্যাখবেন মেলার শ্যাষ দিন !


এইবার কন কোনডা লাগব আপনের ?"


ইরফান ভাই মাথা একবারও না চুলকে বললেন "হুজুর প্রথমডা !"


-"তা হইলে এক গেলাস পানি আর এক কাপ চা খাওয়াইয়া দ্যেন ! হেই শহালে বাইরাইসি !" এই বলে শাদা দাড়িতে শীতল হাত বোলাতে বোলাতে মৃদু হাসলেন মৌলবি সাহেব ।

.

-------------------------------------------------------------
.



বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০১৫

বিশ্বাস বনাম ধর্ম....12.03.15





বিশ্বাস - ভীতির বিপরীত শব্দ, জ্যোতি বইতো নয় !
যে আলোর তরে হৃদয়মাঝেই শুধু আসন পাতা যায়
বিশ্বাস নিবেদিত শ্রদ্ধার সুমধুর সুবাস বই তো নয় !
বিশ্বাস আত্মার তেজময় দ্যুতি, একাকী সাহসে অর্জিত জয়

সীমাবদ্ধ-প্রাণ বিশ্বাসের নির্ভর-হাত ধরে বিকাশের অসীমকে ছোঁয়
যার নিবিড় ভরসায় দুর্গম লক্ষ্য যত - মানুষ অধিকারে পায়
যে বিশ্বাস ধরাকে সুউচ্চ অবয়বের এলবার্ট বা রবিকে দেয়,
সেই একই বিশ্বাসের প্রতিবাদী প্রমাণ তসলিমা, অভিজিত রায়

আলো বা সুবাস, যাই হোক, আকৃতি কি কিছু তার হয় ?
পরিবেশন তাকে, কোনও ভাবে, সীমিত পাত্রে কি করা যায় ?
অথচ অবোধ মন বিশ্বাসকে অবিরাম ত্রিমাত্রিক ভেবে নিয়ে দৈর্ঘ্যে প্রস্থে ছুঁতে চায় !
চেয়ে ছুঁতে না পেরে, আত্মবিশ্বাসে হেরে, বিশ্বাসের একককে
মন্দির মসজিদ গির্জার কৃষ্ণগহ্বরে বৃথা যৌথ খুঁজে, হায়
দালানের গণ্ডিতে, মূর্খের সন্ধিতে, মাথা ঠোকে নিরূপায়

মানুষের এই ভাবের অভাবটুকুই দুর্বলতা ছিল মোটে ,
তার অবৈধ সুযোগ নিয়ে দালানের দালাল আর দারোয়ানরা জোটে
বিশ্বাসকে ধর্মের সম্পত্তি দাবী করে ধর্মীয় বিধানের চায় প্রথম মালিকানা
কুসংস্কারের হাড়িকাঠে বিশ্বাসের প্রাণপাতের বিনিময়ে ছেটায় আশীর্বাদের দানা
সরল বিশ্বাসের বক্র সুযোগ নিতে সংস্কারে মেশায় ঘৃণার বিষ,
নিপাট নিরীহ মানুষের মাথায় প্রতিশোধ-স্পৃহা চেপে শুরু হয় হাত নিসপিস
ক্ষমতার প্রলোভনে তলে তলে সদা ধর্ম রাজনীতিকেও কাছে পায়,
দিশাহীন মন ঈশ্বরকে উৎকোচ দিতে অবিরত গির্জায়, মন্দিরে, হজে যায়

দালালের সাফল্যে লোভ বাড়ে দিনে দিনে, দালানরা ক্রমশ স্ফীত হয়
আপন ধর্মে শোষণের মৌতাতে মজে দৃষ্টি এবারে বহির্মুখেও চায়
তখনই শুরু হয় অন্যের জমি হাতিয়ে নেওয়ার সুচতুর আগ্রাসন,
প্রাণহানি আর নিষ্পেষণ সমাজকে ঘেরে - যে ধর্মের যতটা প্রয়োজন
.
মানুষ ধর্মের অন্ধ নিদানকে অলঙ্ঘ-ভ্রমে বিবেকের নির্ভর ও নির্ভার হারায়
পশুত্ব-যাপনের শৃঙ্খলে আরোপিত নির্মমতা আজো তাই স্বীকৃত আত্মপরিচয় !

.