শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২

কালিদাস

সকলের কখনোই নয়, তবে,
অনেকের মুখে থাকে এমন হলাহল,
কথায় থাকে এমন ধার,

যে, যার দিকে একবার
বর্ষিত হয় ক্রোধ,
তারপর থেকে তার অবিরাম রক্ত ঝরে,
হৃদয়ে স্থায়ী ক্ষত উদ্ভুত হয় 
সে চকিতে অমানবিক অত্যাচারে ।
থামে না আর রক্তক্ষরণ বাকি-জীবন ।

ফলতঃ, গ্রহীতার ভালবাসা 
বাধ্য প্রতিস্থাপিত হয়,
জেগে ওঠে আবশ্যিক প্রতিশোধ ।
তুমি কি ভিন্ন কিছু আশা করেছিলে অতঃপরে, 
ও বিরল সুনয়ন ?

জীবনকে
শুধু শত্রুব্যুহে রচনা করবে আজীবন 
শব্দের ধারে ?
মানুষের অহমিকা কেন এ অবধি বাড়ে ?
কেন এতদূর বরাহ-নন্দন ?
আর কবে বড় হবে তুমি, হে বৈভবী,
হবে বিচক্ষণ ?

পরমাত্মীয় ? বসবে যে ভালবাসার ডালে,
কাটতে বসতেই হবে যে গোড়া তার
ক্রুরতার বলে !
অহমিকার সুমতি হলে
হতে কি পারতো না কোমলতর,
সকালের সকলের অনাবিল অরুণ যেমন ?

ছল

প্রকৃতির নির্মমতম ছলনার মায়ায়
প্রায় প্রতিটি নারী
সজ্ঞানে অথবা অবচেতনে ভাবতে বসে -
"শরীরের পরতে পরতে তার 
লুকিয়ে রয়েছে
পৃথিবীর গূঢ়তম রহস্য,
যার যথার্থ উদঘাটন সম্ভব নয়
যোগ্য পুরুষের সংবেদী সহযোগ বিনা,
যে পুরুষটির আসা বাকি রয়ে আজও
জীবনের কোনও এক 
অতীব আকাঙ্খিত সমর্পণের কিনারে ।"

যুগ যুগ ধরে নারী তাই, 
বিজ্ঞাপন হতে অধিকতর আকুল, 
সাজে-গোজে পরিপাটি শরীরে ।
সাজে আপন রুচির প্রকাশে 
যদিও নারীর
নিজেরই নিজেকে বেশি ভাল লাগে,
নারী-শরীর লোভী চিরন্তন পুরুষ
সুযোগ পেলেই উৎসাহ প্রদান করে
নারীর নিছক বিজ্ঞাপন হয়ে ওঠাকে 
আপন সঙ্গিনীটির নজরের সুচতুর আড়ালে ।

এমনই সুবাদে পরকীয়ারা আবার
"কিছুই হয় নি"-ভাবটি বেমালুম বজায়ে রেখে,
চকিত, উদ্বেল ইশারায় 
ডিল সেট ক'রে নেয় উভয়-তরফে 
সমাজের চোখরাঙানিদের নিখুঁত এড়িয়ে ।

ভারতের আধ্যাত্মিকতার ইতিহাস বলে -
"অসংযম সমানতালে তালে তাল দেয় 
মোহের বিকলে ।"

Never Loud

I prefer not to make your life hard
Because I need you genuinely hard, 
More lastingly, down there.

For, I have to serve enough moistness
In equal rhythm
To save my poor eyes from
Getting moistened without.