রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

পরিত্রাণ

সম্পূর্ণ ত্রুটিশূন্য
এ জগতে আমরা একজনও নয় ৷

কেউ না কেউ 
কাছের অথবা দূরের
কোন না কোন সময়ে
কারণে অথবা অকারণে
দোষ ধরবেই তোমার !

তুমিও তখন
নিজেকে ছোট হতে না দিতে
প্রবল আগ্রাসনে
তারও যাবতীয় দোষ, ত্রুটি, 
যতদূর উচ্চকণ্ঠে সম্ভব
আরোপ করতেই পারো !

আপন অহংকারটিকে
তখন
এমন প্রকারের প্রশ্রয়ে
দ্বন্দ্বে অবতীর্ণ করাই জায়েজ ৷

অথচ এক জীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে
একটি মহৎ মাইলস্টোন
অনায়াসে পেরিয়ে যেতে পারে মানুষ,
যদি তৎক্ষণাৎ না ক্ষেপে গিয়ে,
শান্ত স্বরে, 
দিগন্তের দূরত্ব হতে ভেসে আসা
পরম নির্লিপ্তিতে
উচ্চারণ একবারটি করতে পারে -

"আচ্ছা বেশ ! 
খুবই ভাল পরামর্শ দিলে !
ভেবে দেখব আরও ভাল ক'রে
রাত নিশ্চুপ হলে গভীরে !

সে অপেক্ষাটুকু, নিদেনপক্ষে, 
আপাততঃ যদি মনে ধর !"

কালো

চামড়ায় লাগা রংই মাত্র - সে !
তার বেশি এক পয়সাও না ৷
রিমুভার দিয়ে তুলে দিলেই
ওমনি শেষ - দৃষ্টির যন্ত্রণা !

আসল উপাদানটি অন্যত্রে !
ভাব, চিনে গেছ - বেশ ভাল !
অথচ আজও প্রমাণিত -
"বহুলাংশেই অচেনা" !

নিজেকে যে নিয়মে চালানো
পরকে নিজের মনে হলে
তারও প্রাপ্য - একই সম্মাননা !

পাপ কে ঘৃণা করতেই হয়
আপোষহীনে,
যে অবধি অভঙ্গুর আত্মবিশ্বাসে নিরুত্তর - 
দিশা-জনিত আত্মপ্রবঞ্চনা !

না ক'রলে, প্রকৃত অর্থে -
তুমিই প্রথম দোষী,
যে প্রশ্রয়ী মাসি
ভাবে "বড্ডই ভালবাসি",
কিন্তু 
দায়িত্ব-বিমুখতার চাপে পড়ে
পলায়ন-প্রবণ, তাই
ভালো আখেরে করতেই পারে না !

আর পাপের পরিহারমাত্রে ?
পাপীকে ইতিহাস-জনিতে ঘৃণা ? কক্ষণো না !

পরিণামে বরং দেখতেই পারো - 
দুহাত বাড়ানো নৈকট্যের
অবধারিত ফিরতি জয়ে,
পূনর্বার ফিসফাসেরও শুরু ! 
ফেরে  - দ্বিপ্রহরিক রসের
মূখ্য দায়ভার 
নতুন ক'রে তুলে নিতে
অতি উৎসুকদের মিটিমিটি জল্পনা !