শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
গরীয়সী ( একটি আলোচনা )
"বিদ্যা দদাতি বিনয়ম ! শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম !" - এই শ্লোকগুলিকে অতীতের বাতেলা মনে করে আর হামবড়া ইজমেদের অশ্রদ্ধার শিক্ষায়, অস্তমিত প্রতিভা-সম্ভাব্যের এ বন্ধ্যা যুগ ঠকে গেছে সবচেয়ে বেশি !
গুরুতরকে চিনে, প্রাপ্য গুরুত্বে তাকে অন্তরে বরণ - লঘুর উত্তরণের অব্যর্থ উপায় !
যাকে গুরুত্ব দিই সেই আখেরে গুরু ৷ এককথায়, প্রাণী হোক অথবা বিষয়, যার জীবনে গুরুত্বপূর্ণরা যত অধিক - সংখ্যায় ও মাত্রায়, সে গুরুর প্রতি যার শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠায় খাদ ন্যূনতম, তার চারিত্রিক ভিন্নতার কারণে তাকে সমাজের আত্মম্ভর গোষ্ঠি যদি যৎপরনাস্তি বর্জনও করে, তবুও, এ ধরাধামের অপ্রতিরোধ্যতার নিয়মে, সাফল্যের নিরিখে, কালে কালে, সে ই ততই ব্যতিক্রমীরূপে অনুসরণীয়, - যুগে যুগে, অবশেষে প্রমাণিত হতেই হয় !
অপরপক্ষে, গুরুতরকে অশ্রদ্ধা ও অবজ্ঞার চিরন্তন ফল প্রতিফলিত হয় - আপামর গুরুত্বহীনদের যাবৎ-জীবন অবসন্নতার কারাগারে যাপনের অসহায়তায় !
সম্পর্ক
কখনো হুবহু সচেতনে
আবার কখনো অন্যমনে
প্রবেশ তোমার করা যখন
ভাব-সমাধির ঘরে,
যখন তুমি মগ্ন থাক
আপন অন্তরে,
ব্যকুল পরাণ অবাক যখন
অচেনা আবিষ্কারে
কষ্ট বরণে স্বেচ্ছা মগনে
নূতন মানিক্য-রাজি,
ভেবো না তাকে - করুণা কারও,
রাখতে পারি বাজি !
জান কি তুমি, তোমার সাথে
কার্য্য-কারণে হাত মিলাতে
করতলও সমান কাজী ?
ভাগ্য রেখা সে কোন ফাঁকে
ভিন্ন পথের দিশা আঁকে !
আজ সকালে ? হ্যাঁ গো, আজই !
.
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)