রবীন্দ্রনাথের পারা ঋষিতুল্য-রা
অবধারিত ব্যতিক্রম ।
যে কোন একজন সাহিত্যকর্মীর লেখা
বেশ কিছুদিন ধরে অনুসরণ করলে
বেশ বোঝা যায়
কোন কূপে অসহায়-রূপে আটকে পড়ে
চক্রাকার আবর্তে
ঘুরপাক খেয়ে চলেছে চিন্তা তার বারংবার ।
কোনওমতে, একটিবার বাইরে বেরিয়ে,
নদী বেয়ে এগিয়ে গিয়ে
সাগরের সন্ধান সে কিছুতেই পাচ্ছে না ।
তার মানে, তার
এ জনমের সুন্দর-সৃজনের কাজে
হতাশাজনক ইতি এখানেই ।
অভ্যাস-জনিত "আসক্তির বন্ধন কাকে বলে"
"আপন গতানুগতিকতাকে কিরূপে ভাঙতে হয়"
সে বোধ কেবল ঋষিদের সহজিয়া শ্বাস ।
শিল্পীদের, অবশ্য, বিষাদকে মহৎ করলেই চলে ।
প্রতি পরবর্তী বাধায়
উদ্ধারের সম্পূর্ণ নতুন দিগন্তটি খুঁজে নিতে
গীতায় অর্জ্জুনকে কেন যুদ্ধের আগে
নির্লিপ্তির শিক্ষা গ্রহণ করতেই হয়,
বিদ্বান কবিদের সেকথা বোঝানো চলে না ।