সেই মা-দের
জেলে পাঠানোর মত আইনের বড়ই প্রয়োজন,
যারা নিজের পুরুষ সন্তানটিকে,
কৈশোরে,
ঝাড়ু দেওয়া, বাসন মাজা,
প্রতিদিনের ঘর গোছানো,
বাজার করা,
অন্ততঃ, ভাত, ডাল, ভাজা, মাছের ঝোল
রাঁধতে শেখা
আর টবে বা বাগানে ফুল ফোটাতে শেখার নিয়মিত ট্রেনিং থেকে বঞ্চিত করে ।
অর্থ রোজগার ও যৌনতা -
একমাত্র যোগ্যতা
হতে পারে না পুরুষের ক্ষেত্রে ।
নারী, ঘরে ঘরে, যে গৃহস্থলির দায়িত্ব নেয়,
তাকে নিজের হাতে বাস্তবে করতে গেলে,
গিয়ে, পদে পদে
আপন উৎকর্ষহীনতার সম্মুখীন হলে,
একমাত্র তবেই পুরুষের অন্তরে
নারীজাতির প্রতি শ্রদ্ধা আসা সম্ভবপর,
নচেৎ, কোনমতে নয়
আর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা বিনা
সহমর্মী সহযোগিতায়
সুন্দর হতে পারে না একটিও দাম্পত্য
অপর আর কোনও উপায়ে ।
এই মায়েরা সেই চিরকালীন কালপ্রিট,
যারা পুরুষকে মানুষ না হতে দিয়ে,
বরং একটি অপদার্থ জড়দগব তৈরী ক'রে,
একদিন তাকে টোপর পরিয়ে
অপর একটি নারীর ভবিষ্যত সুখকে
চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়
এবং সমাজের সর্ববৃহৎ ক্ষতিসাধন করে ।
পুরুষ সন্তানটি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে,নিজেকে
নিতান্ত পঙ্গু আবিস্কার করার পরে,
এই প্রবঞ্চনার উত্তরে
একদিন যদি মাতৃহন্তা হয়,
অথবা, বাকি জীবনের জন্য
তেমন মায়ের মুখদর্শন আর না করে,
তাহলে, তার তদৃশ কাজ
কতটা অপরাধ ব'লে পরিগনিত হবে ?
খুব জানতে ইচ্ছে করে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন