মানুষ তো প্রথমেই জান্তব আসক্তিতে,
দেখ-না-দেখ, শরীরে আটকে প'ড়ে,
দিবস-রজনী গোলাকারে ঘুরে মরে ।
সবচেয়ে বোকারা তাই শুধু শুতেই পারে ।
তেমনটি না হলে, দুজনে মিলে
জীবনকে গোছাতে চায় সুন্দরতরে
ভিন্ন পরিবেশ তৈরী ক'রে
মন মনকে চিনতে পারে অধিক নিবিড়ে ।
তবে, মনও থেমে পড়ে আপন সীমার দ্বারে
লাভ-লোকসানের মুহুর্মুহু হিসেবের অত্যাচারে ।
না থামলে, সে ভিন্ন জগতে হারাতে পারে,
কোমল পরাণটি যখন অভিযোগহীন আর
কপোত-কপোতী কেবল মধুরে নিমগ্ন
পরাণের ঘরে, উদার সম্প্রীতির অভিসারে ।
অনুভব বুঝতে পারে, অপর কেউ বাহির হতে
দেয় না অধিকার নির্নিমেষে ভালবাসিবারে,
উৎসটি অপেক্ষায় থাকে কেবল আপন অন্তরে ।
আরও একটি জগৎ অবশিষ্ট থাকে উন্মোচনে ।
হ্যাঁ, তারও ওপারে ।
একাত্মতা, তথা অভেদের বিরলতম আশীর্বাদে
প্রশান্ত ও ফলতঃ মৌন সাধারণতঃ যারা,
তারা অচেনাই রয় । একদমই বেশি জোটে না রে
আদর্শ উদাহরণ হতে । বরং আড়ালেই থাকে
স্থুলময়তার অদূরে অবধারিত-আটকে-পড়া
মূলতঃ এ মোহের সংসারে ।
ফুলের সুবাস অদ্ভুত স্নিগ্ধতায় পাল্টাতে পারে,
মানুষে মানুষে, আপন পছন্দের গলার হারে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন