বড্ড ঘেমে গেছি রে !
কবেকার সেই কীট-জন্ম হতে, মেয়ে,
ক্রমে ক্রমে জান্তব যাপন যত, - অগণিত ধেয়ে,
তোর হাত ধরে ঢালু পথে কেবলই গড়িয়ে যাওয়া,
যেতে যেতে বাঁধা গতের সেই একই রকম চাওয়ায়,
ঐকান্তিক রোমাঞ্চ-আবেশ বেয়ে,
তৃপ্ত তোর হাসি আর আগামী সন্তানের মুখ চেয়ে -
পৌঁছেছি বারবার একই শয্যায়
অবশেষে নির্বীর্য তমসায় ।
এভাবেই চলে যেতে যেতে ডানা মেলে,
আরোহণ ভুলে, অবিরাম অবহেলে,
তোরই পুরুষ পঙ্খীরাজ, প্রণয়-আদরে,
শেষমেশ আজ,
বড্ড হাঁপিয়ে গেছে রে !
সিক্ততার অতলে আটকে শ্বাস ।
উপরে উঠে
মুক্ত, বিশুদ্ধ বাতাস
বুক ভরে একবার না নিলে,
ব্যতিক্রমী চাহিদার দাস,
ঊর্ধ্বরেতা শক্তির আশ্বাস
কিছুটা বাস্তবে না পেলে,
এবারে হয়তো মরেই যাবে সে !
ছেড়ে যাবি ?
ছেড়ে তোকে আজও বা গেছে কে !
বুঝিসও-নি বোকা মেয়ে ?
অস্থির পুলকে হয়তো নয়,
নয় ভাই বোন সাজারও এমন কোন অভিনয়ে,
খুঁজে সে গেছে তোকে তোরই চঞ্চল কিনারায়
ঘুরে ফিরে পরাণ-সখা বন্ধু-রূপে, হায়,
- কৃষ্ণ যে আকুলে সখা হতে
চিরন্তন দ্রৌপদীতে ধায় !
তোর ঝাপসা চোখে একবারটি জল দে ।
যে শিশু আজও বড় হওয়ার বিব্রত ফাঁকে
উঁকি দেয় অন্তরে শুদ্ধ বাল্যলীলার ডাকে
তাকে তোর দৈনন্দিনে নিশ্চিন্তে খুঁজে নে,
বড়ো হওয়ার কত যে আজও বাকী
- তুই-ই তো ভালো জানিস সবচেয়ে ।
ভরসা কর দিবাকরে, - খোলা আকাশের নিচে
সকলের মাঝে । সাবলীল গতির হাত ধর,
ঊর্ধ্বতরতার লক্ষ্যে জীবনের সেচে উর্বর
হৃদয়কে বলি - চল, বিশ্বাসের প্রবল নির্ঝর
আর বুক-ভরা শ্বাসের নির্ভর - সঙ্গী হোক আমাদের !
আজকের এখনকে, ক্রমশ: পিছনে রেখে
বন্ধুত্বের অমল মেখে, নিছক দৌড়াতে থেকে,
আরও অনেক বেশি বড় হয়ে যাই !
চল উপরে উঠি, আয় আলোর লক্ষ্যে দৌড়াই !
চন্দ্রাতপের গা ছমছমে প্রেম ক্ষীর হয় ?
থাক না আজ মুখোমুখির গতানুগতিকে পরিচয় ।
চলতে আর এগোতে পাশে পাশে,
ছুঁয়ে দেখ সরল বিশ্বাসে,
ভাস্বরতার উজ্জ্বল-উল্লাসে
পাবি প্রাণের প্রবল মুক্তিময় ।
শক্তির অবাক উদ্ভাসে মেতে
শিশুর আবির-খেলায় বুক পেতে
বুঝে যাবিই যাবি নিঃসংশয়
এভাবেও ভালোবাসা যায় !
--------------------------------------
.
কবেকার সেই কীট-জন্ম হতে, মেয়ে,
ক্রমে ক্রমে জান্তব যাপন যত, - অগণিত ধেয়ে,
তোর হাত ধরে ঢালু পথে কেবলই গড়িয়ে যাওয়া,
যেতে যেতে বাঁধা গতের সেই একই রকম চাওয়ায়,
ঐকান্তিক রোমাঞ্চ-আবেশ বেয়ে,
তৃপ্ত তোর হাসি আর আগামী সন্তানের মুখ চেয়ে -
পৌঁছেছি বারবার একই শয্যায়
অবশেষে নির্বীর্য তমসায় ।
এভাবেই চলে যেতে যেতে ডানা মেলে,
আরোহণ ভুলে, অবিরাম অবহেলে,
তোরই পুরুষ পঙ্খীরাজ, প্রণয়-আদরে,
শেষমেশ আজ,
বড্ড হাঁপিয়ে গেছে রে !
সিক্ততার অতলে আটকে শ্বাস ।
উপরে উঠে
মুক্ত, বিশুদ্ধ বাতাস
বুক ভরে একবার না নিলে,
ব্যতিক্রমী চাহিদার দাস,
ঊর্ধ্বরেতা শক্তির আশ্বাস
কিছুটা বাস্তবে না পেলে,
এবারে হয়তো মরেই যাবে সে !
ছেড়ে যাবি ?
ছেড়ে তোকে আজও বা গেছে কে !
বুঝিসও-নি বোকা মেয়ে ?
অস্থির পুলকে হয়তো নয়,
নয় ভাই বোন সাজারও এমন কোন অভিনয়ে,
খুঁজে সে গেছে তোকে তোরই চঞ্চল কিনারায়
ঘুরে ফিরে পরাণ-সখা বন্ধু-রূপে, হায়,
- কৃষ্ণ যে আকুলে সখা হতে
চিরন্তন দ্রৌপদীতে ধায় !
তোর ঝাপসা চোখে একবারটি জল দে ।
যে শিশু আজও বড় হওয়ার বিব্রত ফাঁকে
উঁকি দেয় অন্তরে শুদ্ধ বাল্যলীলার ডাকে
তাকে তোর দৈনন্দিনে নিশ্চিন্তে খুঁজে নে,
বড়ো হওয়ার কত যে আজও বাকী
- তুই-ই তো ভালো জানিস সবচেয়ে ।
ভরসা কর দিবাকরে, - খোলা আকাশের নিচে
সকলের মাঝে । সাবলীল গতির হাত ধর,
ঊর্ধ্বতরতার লক্ষ্যে জীবনের সেচে উর্বর
হৃদয়কে বলি - চল, বিশ্বাসের প্রবল নির্ঝর
আর বুক-ভরা শ্বাসের নির্ভর - সঙ্গী হোক আমাদের !
আজকের এখনকে, ক্রমশ: পিছনে রেখে
বন্ধুত্বের অমল মেখে, নিছক দৌড়াতে থেকে,
আরও অনেক বেশি বড় হয়ে যাই !
চল উপরে উঠি, আয় আলোর লক্ষ্যে দৌড়াই !
চন্দ্রাতপের গা ছমছমে প্রেম ক্ষীর হয় ?
থাক না আজ মুখোমুখির গতানুগতিকে পরিচয় ।
চলতে আর এগোতে পাশে পাশে,
ছুঁয়ে দেখ সরল বিশ্বাসে,
ভাস্বরতার উজ্জ্বল-উল্লাসে
পাবি প্রাণের প্রবল মুক্তিময় ।
শক্তির অবাক উদ্ভাসে মেতে
শিশুর আবির-খেলায় বুক পেতে
বুঝে যাবিই যাবি নিঃসংশয়
এভাবেও ভালোবাসা যায় !
--------------------------------------
.

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন