যদি তুমি স্মরণীয় হতে চাও
একজন মহান মানুষ হিসেবে,
মানবতার উপকারক হিসেবে,
মার্বেলে খোদাই করা এক নাম,
পাঠ্যসূচির পাতায় স্থায়ী হয়ে—
তবে আগে একজন বিলিয়নেয়ার হয়ে ওঠো।
তোমার বিবেককে অপেক্ষায় রাখো
ভল্টের বাইরে,
মুদ্রার বদলে প্রতিধ্বনি গুনতে দাও তাকে।
ইতিহাস ভারী পকেট পছন্দ করে—
টাকার গলা খাঁকারি দিলে
সে আরও মনোযোগ দিয়ে শোনে।
যে হাত একদিন কারখানা বন্ধ করেছিল
সেই হাত দিয়েই গড়ে তোলো গ্রন্থাগার।
যেখানে গরিবদের ফসল তোলা হয়েছিল,
সেখানে রোপণ করো হাসপাতাল।
একে বলো দানশীলতা—
সোনার পাত্রে
কণিকা ফেরত দেওয়ার শিল্প।
মূর্তিগুলো প্রশ্ন করে না
এই সম্পদের জন্ম কীভাবে।
তাদের শুধু একজন পৃষ্ঠপোষক চাই।
সেতুতে যখন তোমার নাম খোদাই হয়,
নদী তখন নিজের বিষ ভুলে যায়।
রেশমি খতিয়ানে
রক্ত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
সংখ্যা ক্ষমা করে দেয়
যা স্মৃতি স্পর্শ করতে অস্বীকার করে।
আগে একজন বিলিয়নেয়ার হও—
তারপর দান করো নীরবতা,
অর্থায়ন করো বিস্মৃতি,
নির্বাচিত সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা করো।
পৃথিবী ভালোবাসে সেই মুক্তি
যা চালকের আসনে বসে আসে।
আর একদিন,
যখন শিশুরা মুখস্থ করবে তোমার দানশীলতা,
কেউ আর উল্লেখ করবে না
তোমার সদ্গুণের মূল্যটুকু—
শুধু বলবে,
সে থেকে কত সুদ পাওয়া গিয়েছিল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন