তার নাম প্রখর আত্মসম্মানবোধ।
এ তেমন কোনো শব্দ নয়,
এ এক নীরব আগ্নেয়গিরি
যার লাভা বাইরে নামে না,
ভিতরে ভিতরে পৃথিবীর মানচিত্র বদলে দেয়।
ঝড় আসে—
চেয়ার উল্টে যায়, পর্দা ছিঁড়ে যায়,
মানুষ বদলে যায় মুখোশের মতো,
কিন্তু আত্মসম্মানবোধ
একটি পেরেকের মতো
নিজের অবস্থানে অনড় থাকে,
দেয়ালের বুক চিরে বলে—
“আমি এখানেই।”
ক্ষুধা তাকে প্রলোভন দেখায়,
ভয় তাকে দর কষাকষিতে ডাকে,
সাফল্য হাততালি দিয়ে ভুলিয়ে দিতে চায়,
আর ব্যর্থতা গোপনে হাসে।
তবু আত্মসম্মানবোধ
কোনোটির কাছেই হাঁটু ভাঙে না—
সে জানে
হাঁটু ভাঙলে আকাশ ছোট হয়ে যায়।
এ যে সেই আয়না
যেখানে মানুষ নিজের চোখে তাকিয়ে
চিনতে পারে—
আজও আমি বেঁচে আছি
না কি শুধু যন্ত্র হয়ে গেছি ?
রাজা তাকে মুকুট দিতে পারে না,
ভিক্ষা তাকে কিনে নিতে পারে না।
সে জন্মায় না পদবিতে,
সে জন্মায় সিদ্ধান্তে—
“আমি নিজেকে ছেড়ে দেব না।”
রাতে যখন চারপাশ ঘুমিয়ে পড়ে,
আর একা মানুষের কাঁধে
সব আপসের হাত রাখা হয়,
তখন আত্মসম্মানবোধ
একটি জ্বলে-থাকা প্রদীপের মতো বলে—
“অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ,
কিন্তু আলো হয়ে থাকা জরুরি।”
পরিস্থিতি বদলায়,
মানুষ বদলায়,
ইতিহাস তার বাক্য সংশোধন করে।
কিন্তু আত্মসম্মানবোধ
নিজের বাক্য একবারই লেখে—
রক্তের কালি দিয়ে,
মেরুদণ্ডের কাগজে।
তাই যে মানুষ
সব হারিয়েও সোজা হয়ে দাঁড়ায়,
নীরবতায়ও উচ্চতা বজায় রাখে—
জেনে রেখো,
সে হারেনি।
সে শুধু ভরসা রেখেছে
রাজা তাকে মুকুট দিতে পারে না,
ভিক্ষা তাকে কিনে নিতে পারে না।
সে জন্মায় না পদবিতে,
সে জন্মায় সিদ্ধান্তে—
“আমি নিজেকে ছেড়ে দেব না।”
রাতে যখন চারপাশ ঘুমিয়ে পড়ে,
আর একা মানুষের কাঁধে
সব আপসের হাত রাখা হয়,
তখন আত্মসম্মানবোধ
একটি জ্বলে-থাকা প্রদীপের মতো বলে—
“অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ,
কিন্তু আলো হয়ে থাকা জরুরি।”
পরিস্থিতি বদলায়,
মানুষ বদলায়,
ইতিহাস তার বাক্য সংশোধন করে।
কিন্তু আত্মসম্মানবোধ
নিজের বাক্য একবারই লেখে—
রক্তের কালি দিয়ে,
মেরুদণ্ডের কাগজে।
তাই যে মানুষ
সব হারিয়েও সোজা হয়ে দাঁড়ায়,
নীরবতায়ও উচ্চতা বজায় রাখে—
জেনে রেখো,
সে হারেনি।
সে শুধু ভরসা রেখেছে
অন্তরের গভীরে
ঋজু আত্মসম্মানবোধে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন