পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য কোনো প্রাসাদ নয়,
না কোনো রাজবংশের মুকুটে গাঁথা রত্ন।
সে হলো সৌন্দর্যের অনন্ত বিবর্তন—
যা প্রতিদিন অতি সূক্ষ্মভাবে,
সম্ভবত 0.01 মিলিমিটার করে,
নিজেকে নতুন অর্থে গড়ে তোলে।
এই পরিবর্তনের হিসাব রাখা যায় না কোনো ঘড়ির কাঁটায়,
না কোনো বিজ্ঞানের নির্ভুল মানদণ্ডে।
এ কেবল অনুভব করা যায়,
যখন আলো কারও মুখে পড়ে এক ভিন্ন কোণে,
যখন স্বর একটুখানি গভীর হয়ে ওঠে,
অথবা নীরবতা হঠাৎ অর্থে পূর্ণ হয়।
সৌন্দর্য, আসলে, স্থির নয়—
সে চলমান, প্রবাহমান, জাগ্রত।
সে শরীরের সীমানা ছাড়িয়ে আত্মার আলোয় প্রবেশ করে,
যেখানে প্রত্যেক ক্ষুদ্র পরিবর্তনই এক নতুন কবিতা,
এক নতুন জন্মের গোপন চিহ্ন।
তাই আমি বলি,
অষ্টম আশ্চর্য কোনো স্থাপত্য নয়,
সে এক জীবন্ত সঙ্গীত—
যা প্রতিদিন প্রকৃতি নিজের হাতে বাজায়,
প্রেমের সুরে, সময়ের নীরব তালে।
যে হৃদয় একবার সেই সুর শুনেছে,
সে জানে—
সৌন্দর্যের প্রকৃত বিস্ময় দেখা যায় না চোখে,
শুধু অনুভব করা যায়—
যখন মায়া, আলো আর আত্মা
এক বিন্দুতে এসে মিলিত হয়,
যেমন ভোর ও গোধূলি মিলেমিশে গড়ে তোলে অনন্তের প্রান্তর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন