জানি, তুমি বিরলতম সুন্দরী—
তোমার সৌন্দর্য মনকে পাগল করে,
এটা হেঁটে বেড়ায় সময়ের ভেতর,
ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায়
নিজের প্রতিবিম্ব রেখে যায়।
মানি, তুমি বহু গুণেরও গুণী—
যখন গান কর,
সুর তখন নদীর মতো নিজের নাম ভুলে যায়,
যখন কবিতা লেখো,
শব্দেরা তখন মাথা নত করে
অর্থের সামনে নয়,
আভিজাত্যের সামনে।
তোমার কণ্ঠে রাতের কোমলতা,
কলমে ভোরের সাহস—
তুমি চাইলে
নীরবতাও তাল মিলিয়ে গুনগুন করে।
তবু, আমার সমস্যা আছে।
শ্রদ্ধাশূন্য প্রেম
আমার কাছে কেবল শব্দের কঙ্কাল—
চামড়া আছে,
কিন্তু আত্মা নেই।
আমি এমন আকর্ষণে বিশ্বাস করি না
যা চোখে ঝিলিক তোলে
কিন্তু মাথা নিচু করতে শেখায় না।
আমি তাই বাধ্য
নৈতিক শুদ্ধতার পুজারী হতে—
আমার মন্দিরে
ভিড় নেই,
কিন্তু প্রতিটি পাথর
সততাকে চেনে।
এখানে কোনও আপোষ নেই—
ভাঙা আয়নায় মুখ দেখার অভ্যাস নেই,
নিজেকে বোঝাতে শেখা অর্ধসত্যেরও নয়।
প্রেম যদি আসে,
তাকে আসতে হবে
শ্রদ্ধার পায়ে হেঁটে,
নিঃশব্দে,
যেন সে জানে—
উচ্চতা শব্দে নয়,
নতমুখে জন্মায়।
তোমার সৌন্দর্য আমাকে ডাকতে পারে,
তোমার গুণ আমাকে থামাতে পারে,
কিন্তু আমার হৃদয়ের দরজায়
তালার চাবি একটাই—
শুদ্ধতা।
আর সে চাবি
কোনওদিনই
আপোষের অধিকারে থাকে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন