এ জগতের ইতিহাসে প্রতিটি সফল ও সার্থকনামা পুরুষ আবশ্যিকরূপে বীর্যবান । শুধুমাত্র একজন বীর্যবান পুরুষের সাথে সুগভীর প্রেমে ও নিয়ন্ত্রিত সঙ্গমে প্রবল সুখী হতে পারে নারীর উত্তাল যৌবনের প্রতিটি সুতীব্র আকাঙ্খা ।
কিন্তু বীর্যবান হতে পারা আদপেই সহজ নয় পুরুষের পক্ষে । স্বামী বিবেকানন্দ কোনও এক সময়ে আক্ষেপ করে বলেছিলেন “কেবলমাত্র দশ জন প্রকৃত ব্রহ্মচারী পেলে আমি ভারতবর্ষকে পাল্টে দিতে পারতাম ।” কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে মাত্র দশ জন প্রকৃত ব্রহ্মচারী তিনি জীবনভর খুঁজে পাননি সমগ্র ভারতবর্ষে । সমস্যাটি এতটাই গুরুতর ও গম্ভীর ।
বীর্যধারণ পুরুষের মধ্যে নির্মাণ করে সেই জেদের আগুন, যা -
১) যে কোনও ব্যর্থতাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে ।
২) রূপান্তরিত করতে পারে প্রতিটি না কে হ্যাঁ তে ।
৩) সৃষ্টি করতে পারে একটি জাতির উন্নততর পরিচয় ।
৪) আপন নিয়তির প্রতিটি বাধাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার ক্ষমতা ধারণ করে ।
৫) আকাঙ্খিত সাফল্যকে বাস্তব রূপ দিতে পারে ।
একটি পৌরুষহীন জাতিকে শোষণ ও নিপীড়নে জর্জরিত হতে হয় যুগ যুগ ধরে । মানুষ আপন বীর্যহীনতা-জনিত অক্ষমতাকে ঢাকতে প্রতিনিয়ত দোষ দিয়ে থাকে পরকে । প্রতিবাদরা কেবল বি়ফলতাকে চুম্বন করে ক্ষান্ত হয় বাধ্য হয়ে । সার্থক প্রতিরোধের সম্ভাবনা প্রতিবার শেষ হয় অসহায় ক্রন্দনের দীর্ঘশ্বাসে । এ দোষ নারীর কদাপি নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন