না ব'লে জন্ম নেয় বুকের আকুতি ।
ছিলা ছেঁড়া ধনুকের পারা
ভিতরে তছনছ হতে চেয়ে
মরীয়া হয়ে ভাসাতে চায় অচেনা পথে ।
তারপরে কী যে হয় !
বাস্তব দেয়াল তোলে প্রতিরোধের ।
আর জীবন, অভিভাবকের মত,
হন হন করে টেনে নিয়ে যায়
অস্থিরতাদের ভিন্ন রথে ।
আকুতিরা কাঁদতে কাঁদতে মেনে নেয়
অপূর্ণ মনস্কামনা - বাধ্য শিশুর মত ।
তারপরে কী যে ঘটে !
শিশু-রা পরিনত হয় একদিন ।
অসুখ খুঁজে নেয় পরাবর্ত,
যতদিনে সময়,
অবধারিত সেজে, পাল্টে নেয় পরিপ্রেক্ষিৎ ।
ফলতঃ, সমীকরণ কী আর একই থাকতে আছে ?
তারপরেও আকুতির কী যে হয় !
না-ফোটা ফুলে বাড়ে, কেবল ঝাড়ে,
গোলাপ গাছ ।
কাঁটা-রা সুযোগ বুঝে অগ্রাধিকার দাবী করে ।
মানুষ তখনো ব'লে চলে -
"দ্যাখো, কী অবুঝ সবুজ !
আসলে, অভিমানের প্রবাসেও
উজ্জ্বলতা দিব্যি ভালই থাকে !"
পলাশ-রা ফিরে ফিরে আসে ।
নৈঃশব্দ্যের ভাষা
ফাঁকে-তালে প্রবলতর অস্তিত্ব খোঁজে
একদা অনির্বাণের পথে ।
শূন্যতার
ওই একটিমাত্র নীরব সাক্ষী বিনা
বিবশ আড়ালের কে আর আছে ?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন