She heard that four letter word
Several times and knew
It as a habitual slang
Used every now and then by men only.
Once she came back home
From school in unexpected hours
And found her mother
Being vigorously done, in reality,
By one younger neighbour,
While the former was
Competitively responding from bottom
With encouraging, amorous cries.
She, though extremely shocked,
Didn't disturb them
And silently ran away out.
But, since then,
Her life was permanently disordered
By the unforeseen animal in her mother
And she unfortunately lost
The basic respect for all goodness
Together with
The natural harmony of her mind
For the rest of her life.
.
মায়ের শঙখলাগা প্রেমিক যারা দেখে ফেলে
তাদের জীবনের মাঝখানে আগুন জ্বলে যায়
সারাদিন হাত ধোয় ঘসেঘসে চামড়া তুলে ফেলে
চোখ দুটো জ্বলে..
জলে জলে ভরে যায় শ্যাওলা চোখের উঠোন
তবুও কি নিষ্কৃতি মেলে!
যে জীবন ঘেন্নার, শ্বাপদের
যে জীবন শুধুমাত্র বয়ে নিয়ে যেতে হবে বলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে শেষপর্যন্ত যাওয়া...
সেইতো উন্মাদ! সারাদিন অভিশাপ, " মর"
নিজে তবু মরেনা কিছুতে !
অকারণ এ হেনস্থা সহ্য হয় কার!
মনে হয় সারা গায়ে সাপের থুতু লেগে আছে, ঘেন্না হয়
আজকাল ঘেন্না ছাড়া কোনো রঙ সেভাবে ফোটেনা
সমস্ত ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কাদা রঙে বদলে যায়,আ মরণ! ন্যাকামি বোঝনা!
এইসব রমণ প্রহার....
নোংরা বড় নোংরা মনে হয়।
আমার প্রেমিক নেই। প্রেমিকেরা দেহকাতর,এই দেহ স্পর্শ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি। শোনো! তোমরা শুনে যাও
যে মেয়েরা,মায়ের রমণ দেখে ফেলে,
তাদের জীবন পুঁটলি বেঁধে মৃত্যুর মুখে ছুঁড়ে ফেলা ভালো
যদিও এসমস্ত নাটক আমি পেরিয়ে যাচ্ছি অনায়াস,অবিকল অসংলগ্ন উন্মাদের বেশে....
আচ্ছা বলো! এরপরে কী লেখা হবে!
চোখের সামনে প্রস্রাবের কটু গন্ধমাখা কাঁথা রেখে এগিয়ে গিয়েছে
মা নামের সুচারু প্রেমিকা,
লোকে বলে আমি তার মৃত্যুবীজ নিয়ে ঘরে এসে হঠাৎ জুটেছি
মায়ের প্রেমিক বাবা নয়, অথচ সে খাদ্য জুগিয়ে যায়, অথচ সে কিছুতেই আমাকে মৃত্যু পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেনা...
আমার প্রেমিক নেই। কেননা মৃত্যুবিলাসী আমি অন্য মৃত্যু চাইনি সেভাবে
আসলে পৃথিবী পুরুষ শূন্য
অথবা প্লাস্টিকের কাঁটাওলা সমস্ত পুরুষকে আমি মনে মনে ঘেন্না দিয়েছি।
চারিদিকে শকুনের ছায়া
ছায়ারও অসংখ্য ছায়া
নুয়ে নুয়ে আসে, আমার শরীরে কথার চাবুক কেটে বসে
আমি সেই থেকে বসে আছি
নাওয়া নেই খাওয়া নেই মৃত্যু নেই
কাঁকরমাটিতে থেবড়ে বসে আছি
ও মৃত্যু এসো! এইখানে বসো!
আমার উপরে কেন বিষের প্রয়োগ
হল না ! বলো! আমারই উপরে
কেন এত গবেষণা!
বলো ! আমিই একমাত্র দোষী!
তবে এই জন্ম অসাড়, হড়াৎ করে কেন নেমে আসে এ জন্ম এই গর্ভস্রাব!
ঘেন্না করো প্রতিদিন আমাকে ঘেন্না করো।আমি সেই মেয়ে, না চাইতে মায়ের প্রেমিকা রূপ যে দেখে ফেলে...
ওগো জন্মদিন! এরপরে এতল্লাটে একবারও এসোনা। কুরুক্ষেত্র হবে
সময় অস্থির বড়
কর্কটের চেয়ে মূর্খ আছো কেউ! ছুঁয়েও ছোঁওনি যাকে! এজীবন আজকের নয়, বিষিয়েছে বহুযুগ আগে
পাশে কাউকে না নিয়ে কীভাবে হেঁটে যাবে
গোটা একটা মাঠ!একটা জীবন
মাঠের চেয়েও বড় যদি, পানশালাতে চলো
বেহেড মাতাল হব। চিৎকার করে
লিখতে চাই এ পৃথিবী ভণ্ডের দেশ,
কিছুটা কৈশোরে একদিন মুছে গেছে মস্তিষ্কের ভারসাম্য...
সেই থেকে অবিশ্রান্ত চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে এজন্মকে এই আধখাওয়া ছেঁড়া শরীরকে নিকৃষ্ট খিস্তি দিয়েও
নিজেকে জুড়োতে পারছিনা, ফুরোতে পারছিনা ...
ওহে মৃত্যু এ বেজন্মা জন্ম আমার
তোমার চেয়েও কুৎসিত কদর্য অর্থহীন
আরও কত বেজন্মার জন্ম হবে বলে এই সময় সময়ের সাথে শঙখ লেগেছে
চূড়ান্ত কিছু নাহলে এ অশান্তি কিছুতে মিটবে না
এসো বিষ, মৃত্যুও এসো এ কুয়াশা দীর্ঘ জমাট হোক
অস্থির সময়ের কবিতা ২
©অরুণিমা চৌধুরী
.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন