উত্তরের বারান্দায় জমাট বরফ ।
দরজা খুললেই শনশনে হাওয়া
ছুরির মত কেটে বসতে চায়
গালে, কপালে ।
পা রাখা মাত্র হড়কে যেতে চায় ব'লে
নিশ্চিন্তে দাঁড়ানোও যায় না
আর তারই সাথে মনে পড়ে যায়
জীবন কত বার, কত ভাবে,
প্রতারণা করেছে সুযোগ পেতেই ।
তুমি সেখানে প্রতিবার শোনো
হাতছানির সে হাড়-হিম-করা শব্দ
নিষ্ঠুর বঞ্চনার ।
দখিনের বারান্দায়
ছোট বড় অসংখ্য টবে
ফুলের ভারে ঝুলে পড়া বাহারী গাছে
রোজ সকালে, বিকেলে, নিয়ম করে
ভালবাসার চাষে ভরপুর ফলন তোমার ।
সারাদিনের দাবীর ঝরঝরে হাসিকে
আপন সঞ্চয়ে
আশ মিটিয়ে হৃদয়ের আস্তিনে ভরে নাও
এখানে এলেই ।
যে দখিনের বারান্দা
উষ্ণতাকে বহুগুণে ফিরিয়ে দেয়
নিয়মিতভাবে,
সে বেচারা শুধু বোঝে না
এ বিচার কিছুতেই -
'যে অকৃতজ্ঞের কাছে প্রাপ্তি
কেবলই ঘৃণা ও শীতল বঞ্চনা,
সেই একতরফা গ্রহীতা কিছুতেই কেন
একটুও কম ভালবাসা পায় না !
ভালবাসার কেন যে কিছুতেই
দেনা-পাওনার
কোনও বরাবর-হিসেবই ধাতে সয় না !'
.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন