রবিবার, ১৬ মে, ২০২১

কাঁঠালের আঠা

প্রেমে পড়ে মানুষের যা যা দিতে পারা

সে সব একমাত্র ক্ষণস্থায়ীই হতে পারে

যদি হয় শুধুমাত্র স্পর্শযোগ্য - বাস্তবে ৷


ফুরোবার আগে, অমলিন আগ্রহের প্রমাণে, 

ফের প্রতিবার নতুন করে ভরে দিতে হলে,

জীবনের আর বাকি সব দায় অস্বীকার করে,

প্রথমেই ক্রীতদাসের মত পরমুখাপেক্ষী আত্মনিগ্রহে

একটি অদৃশ্য পরাধীনতার শৃঙ্খল 

মানুষকে স্বেচ্ছায় বরণ করে নিতে হবে ৷


মানব-জীবনের 

এতদূর সংকীর্ণ ও পরাধীন স্তরে যাপন 

নিছকই কূপমণ্ডূক-সম 

এবং কদাপি কাম্য হওয়া সমিচীন নয় ৷


ভাল আমরা তখনই লাগাম খুলে বাসি

যখন বুক ভরে সবুজের

সাহসী নূতনত্বকে নির্দ্বিধায় অনুমোদন করি ৷

নিত্য-উদ্যত সুকোমল অনুভবের বিস্মিত বৈভবে

যখনই প্রতিনিয়ত অলঙ্কৃত করি আপন পরাণ,

সে কিন্তু সারা জীবনের জন্য 

গতানুগতিকতা হতে উত্তরণের উৎসবে,

স্থির গতিকে ত্বরণে পরিবর্তনের অভ্যাসে,

সঞ্চিত হতে থাকে

নিজেকে ইচ্ছানুযায়ী ছাপিয়ে যেতে পারার 

বর্ধিত আত্মবিশ্বাসে, - একান্ত আপনার ধন হয়ে !


পাওয়ার অনভিজাত আকাঙ্খাটুকুই 

অথচ পরমুখাপেক্ষী দাসত্বে 

পিছনে টেনে ধরে বার বার

স্বতঃস্ফূর্ততাকে !


আমরা কি তাব'লে পারি না

সব পাওনাদের দেনার পাট

আসক্তি হতে চরম ঔদাসিন্যে চুকিয়ে দিয়ে,

মূল লক্ষ্যে ধ্যানময়তা বৃদ্ধিতে নিমগ্ন হতে,

একনিষ্ঠতার প্রতিজ্ঞায় - উদ্ভূত তেজে

ভালবেসে, আপন অন্তর-কমলটি কে

সহস্রদলে প্রস্ফূটনের উল্লাস-সুখ অবিরাম দিতে ?

কোন মন্তব্য নেই: