ফুলকে পূর্ণ প্রস্ফূটন উপহারে দিতে
আবৃতিকে যখন
গর্ভ উন্মোচিত করতে হয়
আপন আয়ু স্বেচ্ছায় ছিঁড়ে,
পুরোটা ছড়িয়ে পড়ে,
সে প্রয়াস
সুতীব্র ব্যথা বিনা আদপে সম্ভব হতে পারে ?
তুমি যে এ অবধি সে কথা জান না
আসক্তির স্বভাবগত নিরুচ্চারে,
সে, অবশ্য, এ পক্ষে
আছেও আংশিকে জানা,
ইচ্ছামাত্রে লভ্য যখন নয়,
অথচ, তোমার ভালবাসার ব্যথা
নিবিড় বরাভয়টি
খুঁজে পেতে যখনই চায় -
শর্তহীন সমর্পণে,
চাওয়াকে যে মুহূর্তে আকুল
হতেই হয় নিষ্ঠার বিবশতায়,
তোমার ইচ্ছাও, তৎকালে
নিখাদ হয়ে ওঠার সুবাদে,
শক্তি আহরণ করে সমানতালে
আকুতির আড়ালে
ঘনত্বে বর্ধিষ্ণুতার অধিকারে ৷
ফলতঃ উদ্ভুত তরঙ্গ, উত্যুঙ্গ অলখে,
যোগসূত্র খুঁজেই নেয়,
অনুরণন সৃষ্টি ক'রে - অভীষ্ট প্রান্তরে !
তুমিও সে কথা জানবে কি
কোন একদিন ?
তোমারই সেতারের সুরে - সে যামে
সরোদেরও বাজার শুরু অপর পারে
বাধ্য কেদারে ৷
তোমার ত্রিমাত্রিক দরশ হতে তখন
বাস্তবে যদিও অনেকই দূরে,
প্রাকৃত কষ্ট স্পষ্টতর হতে হতে
পরশাবিষ্ট, ওদিকে একায়,
প্রভূত তড়পায় !
বুঝবে বুঝি তুমি,
অদ্বৈতের, দ্বৈতে ভঙ্গুরত্ব
অবশিষ্ট - অধিক আর না রয়ে গেলে,
তারপরও
"আরোপিত পীড়নমাত্রে সীমা থাকতেই হয়" -
এটুকু অটল বিশ্বাসের ভরসায়,
কোন গভীর অবধি তাকেও
সাহস সঞ্চয় করে
অযান্ত্রিক-জনিত যন্ত্রণার সহসাটি
নীরবে সহ্য করতেই হয় ?
কোনও অপূর্ণতাকে
অভিযোগ ও অপবাদের গতানুগতিকে
দোষী স্যাব্যস্ত করতে পারা
সম্ভবও কি হয় - মানবিক বিচারবোধে,
যে আচারে, এ ধরার পরিসরে,
প্রতিটি ভেদের অভিশপ্ত একাকিত্ব
মিলনে - অভেদের অনুভবটুকু মাত্র
সোহাগের বেহাগে
অতি সাময়িকের নিমিত্তে ধার চায় ?
মানবজীবনে
বসন্তের পুনরাগমন-অধিকারে
ভালবাসাই যে একমাত্র পারে
নূতন কলিদের সবুজতর জাগরণে
স্থবিরের ক্লিন্ন বাঁধন যত
নির্দ্বিধায় ছিঁড়ে,
যাপনকে ভাসিয়ে নিতে ফের নির্ভারে,
গতির উল্লাসে -
মুক্তির ভরপুর জোয়ারে ৷
..
আবৃতিকে যখন
গর্ভ উন্মোচিত করতে হয়
আপন আয়ু স্বেচ্ছায় ছিঁড়ে,
পুরোটা ছড়িয়ে পড়ে,
সে প্রয়াস
সুতীব্র ব্যথা বিনা আদপে সম্ভব হতে পারে ?
তুমি যে এ অবধি সে কথা জান না
আসক্তির স্বভাবগত নিরুচ্চারে,
সে, অবশ্য, এ পক্ষে
আছেও আংশিকে জানা,
ইচ্ছামাত্রে লভ্য যখন নয়,
অথচ, তোমার ভালবাসার ব্যথা
নিবিড় বরাভয়টি
খুঁজে পেতে যখনই চায় -
শর্তহীন সমর্পণে,
চাওয়াকে যে মুহূর্তে আকুল
হতেই হয় নিষ্ঠার বিবশতায়,
তোমার ইচ্ছাও, তৎকালে
নিখাদ হয়ে ওঠার সুবাদে,
শক্তি আহরণ করে সমানতালে
আকুতির আড়ালে
ঘনত্বে বর্ধিষ্ণুতার অধিকারে ৷
ফলতঃ উদ্ভুত তরঙ্গ, উত্যুঙ্গ অলখে,
যোগসূত্র খুঁজেই নেয়,
অনুরণন সৃষ্টি ক'রে - অভীষ্ট প্রান্তরে !
তুমিও সে কথা জানবে কি
কোন একদিন ?
তোমারই সেতারের সুরে - সে যামে
সরোদেরও বাজার শুরু অপর পারে
বাধ্য কেদারে ৷
তোমার ত্রিমাত্রিক দরশ হতে তখন
বাস্তবে যদিও অনেকই দূরে,
প্রাকৃত কষ্ট স্পষ্টতর হতে হতে
পরশাবিষ্ট, ওদিকে একায়,
প্রভূত তড়পায় !
বুঝবে বুঝি তুমি,
অদ্বৈতের, দ্বৈতে ভঙ্গুরত্ব
অবশিষ্ট - অধিক আর না রয়ে গেলে,
তারপরও
"আরোপিত পীড়নমাত্রে সীমা থাকতেই হয়" -
এটুকু অটল বিশ্বাসের ভরসায়,
কোন গভীর অবধি তাকেও
সাহস সঞ্চয় করে
অযান্ত্রিক-জনিত যন্ত্রণার সহসাটি
নীরবে সহ্য করতেই হয় ?
কোনও অপূর্ণতাকে
অভিযোগ ও অপবাদের গতানুগতিকে
দোষী স্যাব্যস্ত করতে পারা
সম্ভবও কি হয় - মানবিক বিচারবোধে,
যে আচারে, এ ধরার পরিসরে,
প্রতিটি ভেদের অভিশপ্ত একাকিত্ব
মিলনে - অভেদের অনুভবটুকু মাত্র
সোহাগের বেহাগে
অতি সাময়িকের নিমিত্তে ধার চায় ?
মানবজীবনে
বসন্তের পুনরাগমন-অধিকারে
ভালবাসাই যে একমাত্র পারে
নূতন কলিদের সবুজতর জাগরণে
স্থবিরের ক্লিন্ন বাঁধন যত
নির্দ্বিধায় ছিঁড়ে,
যাপনকে ভাসিয়ে নিতে ফের নির্ভারে,
গতির উল্লাসে -
মুক্তির ভরপুর জোয়ারে ৷
.
...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন