শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রবেশ নিষেধ

পুরুষ স্বভাবে স্বস্ত্রীকাতর নয়।
যদিও সবাই একপ্রকার হয় না।

পরস্ত্রীকাতরদের কাছে
পরকীয়া যেন দৈনন্দিন শ্বাস—
স্বাভাবিক, অনাবিল, প্রশ্নহীন।
তারা ভালোবাসাকে দেখে
দরজাবিহীন ঘর হিসেবে,
যেখানে যে কেউ ঢোকে,
কেউই থাকে না।
তাদের চোখে নারী
একটি চলমান প্রতিচ্ছবি—
আজকের আলো, কালকের ছায়া,
ইচ্ছের হাওয়ায় দুলে ওঠা
একটি নামহীন পর্দা।
নৈতিকতা সেখানে
শুধু কথার অলংকার,
রাত নামলেই খুলে ফেলা মুখোশ।

কিন্তু বিশেষ নারীরা—
তারা অন্য ধাতুতে গড়া।
তাদের নীরবতা গভীর,
তাদের অপেক্ষা নির্বাচিত।
তারা এমন পুরুষ খোঁজে
যার দৃষ্টি এক জায়গায় স্থির থাকে,
যার স্পর্শে প্রতিশ্রুতি
ঘাম ঝরায় না।

পরস্ত্রীকাতর পুরুষ
তেমন নারীর কাছে কুয়াশার মতো—
দূর থেকে রহস্যময়,
কাছে এলে ভিজিয়ে দেয় 
অস্বস্তিকর অনিশ্চয়তায়।
তারা জানে,
যে পুরুষ বহু দরজায় কড়া নাড়ে
সে কোনো ঘর গড়ে না।
তাই তারা সরে আসে—
নিঃশব্দে, গর্ব নিয়ে।
কারণ বিশেষ নারীরা জানে,
ভালোবাসা সংখ্যা নয়,
ভালোবাসা দিকনির্দেশ।
এবং যে পুরুষ পথ হারাতে ভালোবাসে,
তার সাথে তারা কখনোই
গন্তব্য ভাগ করে নেয় না।

কোন মন্তব্য নেই: