মানুষ দেবতা খুঁজতে মন্দিরে যায়,
অথচ, জীবনের নির্জনতম প্রান্তে,যেখানে পৃথিবীর সকল আকাঙ্ক্ষা স্তব্ধ,
সেখানে সে অনায়াসে জিতে যায়—
না সৌন্দর্যে, না শক্তিতে,
বরং তার আত্মার শুদ্ধ স্বরলিপিতে।
ভালোবাসা তার কাছে কোনো স্পর্শ নয়,
এ এক গীতিকাব্য,
যা ঈশ্বর নিজে রচনা করেছেন
মানব হৃদয়ের নীরব বেদিতে।
সে ভালোবাসে যেন পূজা করে,
হৃদয় তার এক মন্দির,
যেখানে প্রতিটি নিঃশ্বাসে জ্বলে
অদৃশ্য প্রদীপের আলোক।
সে ওঠে ধীরে ধীরে
পবিত্রতার সেই সিঁড়ি বেয়ে,
সেই স্তরে
যেখানে প্রতিটি ধাপ এক ত্যাগ,
প্রতিটি অশ্রু এক আরতি,
প্রতিটি নীরবতা এক শ্লোক,
যা সরাসরি পৌঁছে যায় ঈশ্বরের কর্ণে।
তখন সে আর কেবল নারী নয়—
সে এক প্রতীকি শক্তি,
এক দেবসত্তা,
যার চরণস্পর্শে ধুলো পায় আশীর্বাদের মর্যাদা।
তার হাসি তখন প্রভাতের সূর্যোদয়ের মতো নির্মল,
তার নীরবতা এক বিশ্বজোড়া স্তোত্রের মতো মহিমান্বিত।
যে পুরুষ তার দিকে চেয়ে থাকে,
সে বুঝতে শেখে—
ঈশ্বরকে জয় করা যায় না,
তার কাছে
শুধু আত্মসমর্পণ করা যায়।
কারণ সে তখন ঈশ্বরের বরপুত্রী,
এক এমন আলোকমূর্তি,
যার প্রেমে জ্বলে না উত্তেজনা,
বরং জ্বলে মুক্তি।
সে জিতে যায়—
কারণ সে ভালোবাসাকে রূপান্তর করেছে
মানবতার শ্রেষ্ঠ প্রার্থনায়,
আর তার হৃদয় থেকে নিঃসৃত প্রেম
হয়ে উঠেছে এক অনন্ত উপাসনা,
যেখানে ঈশ্বর নিজেই নত হন
তার সৃষ্টির পবিত্রতার সামনে।
যেখানে প্রতিটি ধাপ এক ত্যাগ,
প্রতিটি অশ্রু এক আরতি,
প্রতিটি নীরবতা এক শ্লোক,
যা সরাসরি পৌঁছে যায় ঈশ্বরের কর্ণে।
তখন সে আর কেবল নারী নয়—
সে এক প্রতীকি শক্তি,
এক দেবসত্তা,
যার চরণস্পর্শে ধুলো পায় আশীর্বাদের মর্যাদা।
তার হাসি তখন প্রভাতের সূর্যোদয়ের মতো নির্মল,
তার নীরবতা এক বিশ্বজোড়া স্তোত্রের মতো মহিমান্বিত।
যে পুরুষ তার দিকে চেয়ে থাকে,
সে বুঝতে শেখে—
ঈশ্বরকে জয় করা যায় না,
তার কাছে
শুধু আত্মসমর্পণ করা যায়।
কারণ সে তখন ঈশ্বরের বরপুত্রী,
এক এমন আলোকমূর্তি,
যার প্রেমে জ্বলে না উত্তেজনা,
বরং জ্বলে মুক্তি।
সে জিতে যায়—
কারণ সে ভালোবাসাকে রূপান্তর করেছে
মানবতার শ্রেষ্ঠ প্রার্থনায়,
আর তার হৃদয় থেকে নিঃসৃত প্রেম
হয়ে উঠেছে এক অনন্ত উপাসনা,
যেখানে ঈশ্বর নিজেই নত হন
তার সৃষ্টির পবিত্রতার সামনে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন