বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪

ব্যায়াম


শরীরের ব্যায়াম অনেকেই করে ।

মনের ব্যায়াম নিয়ম ক’রে করে কয়জন ?


ব্যায়াম শরীরের হোক অথবা মনের,

করতে পারলে চারটি ঘটনা অবশ্যই ঘটে ।


১) তার মনে প্রতিজ্ঞাটি তৈরী হওয়া মাত্র

তার মধ্যে ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ হয়

যা তার মধ্যে একটি অতিরিক্ত

উত্তেজনাজনিত

উৎসাহ ও আগ্রহের সূচনা করে ।


২)  ব্যায়াম শুরু করার পরে, পরিশ্রম হতেই,

দ্বিতীয় যে হরমোনটির ক্ষরণ শুরু হয়

তার নাম এণ্ডরফিন, যা ব্যায়ামের পরে

প্রায় চার-পাঁচ ঘন্টা তাকে মানসিকরূপে

অতিরিক্ত উজ্জীবিত রেখে থাকে ।


৩) তিন থেকে চার সপ্তাহ

নিয়মিত ব্যায়াম করার পরে তৃতীয় 

যে হরমোনটির ক্ষরণ হতে শুরু হয় 

তার নাম সেরোটনিন, যা তার

ক্ষমতা ও দক্ষতার বৃদ্ধিকে

প্রকাশিত করতে শুরু করে এবং

সর্বপ্রকার হতাশা তথা দুঃখকে

ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়ে, দৈনন্দিনে,

তার সন্তুষ্টিতে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে ।


৪) পাঁচ থেকে ছয় মাস ব্যায়ামের অভ্যাস

ধরে রাখতে পারলে অক্সিটোসিন নামক

চতুর্থ হরমোনটির ক্ষরণ হয় যা তাকে

অভূতপুর্ব সাহস ও আত্মবিশ্বাসের

জোগান দেয়, মানুষটি যখন থেকে

নিজেকে প্রাণ ভরে ভালবাসতে পারে

প্রবল আত্মশ্রদ্ধাবোধের সার্থক জাগরণে ।


দুঃখ, হতাশা, অবসাদ - এগুলি

মানসিক দৈন্য মাত্র, যা কেবল

শারীরিক  ও মানসিকরূপে

অলস প্রকৃতির মানুষে পরিলক্ষিত হয় ।


শারীরিক ব্যায়াম মানুষকে

মানসিক ব্যায়ামে উদ্বুদ্ধ করে ।

উভয় ব্যায়াম পূর্ণ উদ্যমে করে যারা,

পেটমোটা গনেশ

তাদের ঘরে স্থায়ী ভাবে বাঁধা পড়ে ।


কোন মন্তব্য নেই: