'আমি' কে অহমিকা-কঠিন, উদ্ধত,
আত্মশ্রদ্ধাহীন, কর্তব্যবিমুখ
ও সত্যের প্রতি স্বচ্ছতার সাধনে
মূলতঃ কর্ষণ-হীন করে রেখে
'তুমি'-কেন্দ্রিক সুখের প্রতি
একতরফা পরমুখাপেক্ষিতা
এ জগতে সর্বপ্রকার দুঃখের প্রাথমিক কারণ ।
জীবন
আকর্ষণীয় এবং কমনীয় থাকে ঠিক ততদিন,
যে অবধি যৌবন, আপন অন্তরে,
নিত্যদিনের আত্মউদ্ভাবন ও বিকাশকে
আশ মিটিয়ে উদযাপন করতে পারে ।
বর্ধিষ্ণুতা অবিরাম থাকে সে অবধি,
যতদিন কারও চরিত্রে
প্রবুদ্ধ চেতনার সাহসী প্রয়োগে
নতুন নতুন অভ্যাস আত্মপ্রকাশ করে
নিয়মিত হারে এবং প্রভূত পরিমাণে।
কর্ম সম্পাদনের বিচক্ষণ সুযোগে
ছোট ছোট নূতন দায়িত্ব
দিনের পর দিন একনিষ্ঠ পালনের মাধ্যমে
ক্রমশ প্রকাশিত হতে পারে
যা কিছু সুন্দর অভ্যাসের অর্জন-জনিতে,
ব্যক্তিগত গুণের উপর্যুপরি অভিষেকে,
নিজেকে ক্রমাগত পালটে ফেলতে পারা ।
কর্মের সার্থক সম্পাদন
মানুষের মধ্যে জাগরিত করে সাফল্যের বোধ,
যে বোধ হতে
সে আত্মতৃপ্তির বিরল স্বাধীনতা অর্জন করে ।
আপন অস্তিত্বকে, একান্তে, নিঃশব্দে,
নিঃসংশয়ে উপভোগ করতে শেখার
বিরল সৌভাগ্য একমাত্র তখনই
নির্ভরযোগ্যরূপে স্থায়ী, এক
আনন্দদায়ক চিত্ত-প্রসারণ হতে পারে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন