শ্রদ্ধাবোধে তীব্র ঘাটতি সাধারণতঃ বিচ্ছেদের প্রাথমিক কারণ হয় ।
শ্রদ্ধাবোধে পারষ্পরিক দৈন্য থাকলে, বিচ্ছেদের পরে বন্ধুত্বও অলীক কল্পনা মাত্র, যা বাস্তবের মাটি তে দাঁড়িয়ে আদপে সম্ভব নয় । পরমুখাপেক্ষিতার প্রাথমিক প্রমাণ রূপে ঘৃণা ও কুৎসা তখন প্রতিক্রিয়ার দায় নেয় ।
এক বা একাধিক বিশেষ পার্থিব কারণে, শ্রদ্ধা-সহযোগে বিচ্ছেদ যে হয় না, এমনও নয় । প্রাণের টান সেক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে শূন্যে নাও পৌঁছাতে পারে । তবে তা অতীব বিরল ঘটনা এবং তেমন ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের পরে বন্ধুত্ব টিকে থাকাও অস্বাভাবিক নয় ।
আমাদের দেশের অভিনেতা আমীর খান আপন জীবনে কিছুটা এমন উদাহরণ স্থাপনে সক্ষম বোধ হয় ।
"মানুষ হ'লে, কোনও ক্ষেত্রে, কোনও চাপে পড়েই মানবিকতাকে পরিত্যাগ করা চলে না," এটা সর্বদা খেয়াল রাখতে আপন রুচিতে শুধু শুদ্ধ আত্মশ্রদ্ধাবোধের প্রয়োজন পড়ে ।
পরের দৈন্যে প্রতিক্রিয়া-প্রবণ না হয়ে, পরের হাতে আপন জীবনের স্টিয়ারিং তথা ভাগ্য একবারও না তুলে দিয়ে, রুচির আত্মমুখাপেক্ষিতায় আপোষহীনরূপে স্বাধীন হওয়া সম্ভব আর তাহলেই হয় ।
অন্যের কর্ম ও ব্যবহারের প্রতিক্রিয়া যাদের জীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করে, তারা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এ পৃথিবীতে । তাদের Secend Hander বলে ।
First Hander দের এসব অশান্তি ভোগ করতে হয় না, সচরাচর, আপন অভিন্ন স্বাধীনতার মুক্তাকাশে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন