আহা, জীবন তো নয়,
যেন জিভে
জলের বান ডাকা
ইলিশ মাছের পাতুরি !
একের পর এক সুতো
যত্ন করে ঢিলে করার পরে,
পাতার পর পাতার পরত
ধৈর্য ধেরে
স্তরে স্তরে খুলতে পেরে,
অতঃপর মসলার আস্তরণ
যৎসামান্য সরিয়ে,
মাছকে আলতো চাপে ভেঙে,
কোন দিকে কেমন কাঁটা
কী পরিমাণে বিরাজ করছে
ঠিক-ঠাক বুঝে নিয়ে,
আহার-কে
ক্রমশঃ কন্টক-শূন্য
করে ফেলতে পারার পরে
সময় আসে জিভের
ভরপুর স্বাদের সুখ
চুটিয়ে উপভোগ করার ।
এইটুকু সাবধানতা ও
ধৈর্যের অভাব হলে,
হয়, লোভ সম্বরণ কর,
না হ'লে, কাঁটা বেঁধার
প্রবল অস্বস্তি হতে
পরিত্রাণ পেতে
ছুটতে থাকো বারংবার
ডাক্তারের কাছে ।
কত যে মানুষ
অযোগ্য-সুলভ
ব্যাজার বিলাপে,
অলীক কল্পনায়,
বিজ্ঞ বক্তৃতায়, অথবা,
বোকার ঝগড়ার
বেকার তাড়াহুড়োয়,
খেয়াল না করে
পেরিয়ে গেল
পাশটি দিয়ে
এমন স্বাদের জীবনখানি
জীবনভর !
পাগল-সুবাস পাতুরি
কিন্তু অহরহ ছিলই
যথেচ্চ পরিমানে,
যদিও, পাতার আড়ালে,
জীবনের আনাচে-কানাচে ।
;)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন