রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

ন্যূনতম দূরত্বের উপযোগ

মানুষ যখন মন্দিরে, গুম্ফায় অথবা চার্চে যায়, দীর্ঘ সময় ধরে উপাসনা করে, তখনও মূর্তির সাথে মানুষের একটি বাহ্যিক দূরত্ব সযতনে, শ্রদ্ধাসহকারে, রক্ষা করতে হয় । সেখানে গিয়ে, মানুষ কোনওমতেই বগলদাবা করতে যায় না মূর্তিটিকে । 

প্রেমের ক্ষেত্রে, মানুষের সাথে মানুষের বাহ্যিক সম্পর্কেও এই ন্যূনতম দূরত্বের সম্ভ্রমটুকু শ্রদ্ধাসহকারে রক্ষা করা আবশ্যিকরূপে শিক্ষণীয়, সুন্দরের প্রতি বিচক্ষণতার আবশ্যিক দায়বদ্ধতায় । ঐ পরিসরটুকু পেলে, তবেই সেই পটটিতে সম্পর্কের সুনিবিড় আল্পনাদের কারুখচিত করে আঁকা সম্ভব হতে পারে আপন আপন জীবনে সার্থকতার সুখদ প্রসারে । 

বাহ্যিক দূরত্ব কি আর প্রাণের টান কে কখনও ঠেকিয়ে রাখতে পারে ? ভালবাসা দুটি মানুষের মধ্যে আকর্ষণের যে চৌম্বকক্ষেত্রটি অলখে নির্মাণ করে, সে তীব্রতার নন্দনকাননে, প্রাণের সাথে প্রাণের ঘটতে থাকা অবধারিত, অবিরত, সঙ্গমে, দৃষ্টিতে যেই আলোর বিস্ফোরণ ঘটে, ওমনি পরাগ-মিলন-জনিত বানভাসি তো উভয়ে উপভোগ করতে শুরু করেই প্রতিনিয়ত, উত্যুঙ্গ আগ্রহ ও বিশ্বাসের আকাঙ্খিত আচ্ছন্নতার সহযোগ প্রথমবারটি মাত্র কব্জায় পেয়ে গেলেই, মীরা যেই পেরিয়ে যেতে থাকে রাধাকে, ক্ষণে ক্ষণে এবং অদূরে ।

কোন মন্তব্য নেই: